বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ফুলের দোকানে গিয়েছিলাম গার্লফ্রেন্ড এর জন্য ভ্যালেন্টাইন গিফট কিনতে! একটা লাল গোলাপের বুকে অর্ডার করে করে ওয়েট করছি, ঠিক সেই সময় প্রায় আমার সমবয়সী আরেকটা ছেলে দোকানে ঢুকে তার অর্ডার করা বুকে টা চাইলো! তার পরনে সাদা পাঞ্জাবি! সেলসম্যান সাদা গোলাপ দিয়ে তৈরী একটা বুকে ছেলেটার হাতে দিতেই ছেলেটা ধন্যবাদ বলে হাসলো!
তার সাথে চোখাচোখি হতেই বললাম- নাইস ফ্লাওয়ারস বাট কোয়াইট আনইউজুয়াল! ভ্যালেন্টাইন এ সবাই লাল ফুল দেয়!
সে মিষ্টি করে হেসে বলল- এটা আমার মায়ের জন্য!
মনটা খারাপ হলো হঠাত, বললাম - ইউ আর সো লাকি!! আমার মা অনেক দুরে থাকেন, চাইলেও ফুল গিফট করার উপায় নেই!!
সে জিজ্ঞাস করলো- কত দুরে??
- উনি সিলেটে থাকেন! দেশের বাড়িতে!
আমাকে হতভম্ব করে দিয়ে সে বলল, "তাহলে তো অনেক কাছে! চাইলেই যেতে পারেন, দেখতে পারেন! আমার মা আরো অনেক দূরে থাকেন! এই পৃথিবীর বাইরে!! উনি মারা গেছেন!"
বলেই বেরিয়ে গেল ছেলেটি!!
আমি স্তম্ভিত হয়ে দাড়িয়েছিলাম, সেলসম্যান এর ডাকে সম্বিত ফিরল আমার- স্যার,আপনার বুকেটা রেডি!
আমি কোনমতে টাকাটা দিয়ে বেরিয়ে এসে গাড়িতে বসলাম, তারপর মোবাইলটা হাতে নিয়ে দ্রুত টাইপ করলাম, "সরি,আমাকে মাফ করে দিও! অন্তত আজকের দিনটাতে তোমার সাথে দেখা করতে যাওয়া উচিত ছিল, বাট সামওয়ান ইজ ওয়েটিং ফর মি! যত
তাড়াতাড়ি সম্ভব তোমার কাছে আসব.... লাভ ইউ!
গার্লফ্রেন্ডকে টেক্সটটা সেন্ড করেই স্টার্ট দিলাম! রাস্তার পাশের প্রথম মাইলফলকটা চোখে পড়ল, লেখা সিলেট ২৩৮ কিমি! মনেমনে বললাম, মা তুমি এত কাছে থাক, ছেলেটার সাথে দেখা না হলে বুঝতামই না! আমি আসছি মা...!
বি:দ্র: এই ভ্যালেন্টাইন ডে তে মায়ের জন্য সারপ্রাইজিং কিছু করলে কেমন হয়??
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now