বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
------------------------------------------
চোখে বাইনোকুলার লাগিয়ে আইদাদ তীক্ষ্ণভাবে পর্যবেক্ষণ করছেমানুষগুলোকে। কাছে যেতে পারলে ভালো হত। কিন্তু পুলিশ যেভাবে ঘিরে রেখেছে, কোন উপায় নেই। ইতিমধ্যেই সন্দেহভাজন হিসেবে এই অতি কৌতূহলী মানুষের দল থেকেই কয়েকজনকেগ্রেফতার করা হয়েছে। তাও ভীড় তুলনামূলকভাবে কমেনি বললেই চলে। আর যাই হোক, আইদাদ একজন সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেফতার হতে চায় না। লাশটা সরিয়ে ফেলা হয়েছে সাথে সাথেই। পুলিশ এখন সমগ্র ক্রাইম সীনে অভিযান চালাচ্ছে এভিডেন্সের আশায়। বাইনোকুলার চোখে এতদূর থেকে পুলিশের আগেই কোন এভিডেন্স আইদাদের চোখে পড়বেনা এটা জানা কথা। তার চেয়ে বড় কথা, ওর কোন এভিডেন্সের দরকারও নেই।
“প্রত্যেক খুনীই চায় ধরা পড়তে। কেউ এর ব্যতীক্রম নয়।”
আইদাদের পিছন থেকে ভরাট কন্ঠে একজন কথা বলে। আইদাদ চমকে উঠে না। চোখে বাইনোকুলার লাগিয়ে পুলিশের দিকেনিজের নজরদারি বজায় রেখেই বলে,
-“ববি জো লং যেমন লিসা ম্যাকভিকে ছেড়ে দিয়েছিল?”
ওর প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে কন্ঠটা বলতে থাকে,
“খুনী ইচ্ছে করেইএভিডেন্স রেখে যায়। বলতে পারো, এক ধরনের চ্যালেঞ্জ দিয়ে যায়। বুঝলে?”
আইদাদ এবার বাইনোকুলার নামিয়ে পিছনে তাকায়। ভোর পার হয়ে আসা সকালের নরম হলুদ আলো যেন লোকটার শরীর থেকে ঠিকরে বের হচ্ছে।
“এখন পর্যন্ত পুলিশ কোন এভিডেন্স পায়নি।”
পুলিশ আসার ১৫ মিনিট আগ থেকেই এখানে থেকে আইদাদ সব নজরদারি করছে। নগ্ন লাশটির খোঁজ পাওয়া মাত্র সবাইযখন কৌতূহল হয়ে দেখতে গেছে জটলা পাকিয়ে। আইদাদ তখন গাড়ি থামিয়েছে কৃত্রিম শালবনেরফাঁকে। বাইনোকুলার দিয়ে স্পটটা ভালোভাবে ও দেখতে পারলেও সহজে নিজে কারো চোখে পড়বেনা।
মানুষটি ইশারা করে ওকেআবার নজরদারি করার জন্য ইঙ্গিত দিল,
“পায়নি মানে এই না যে খুনি কোন এভিডেন্স রেখে যায় নি। ইডিয়ট গুলোই খুঁজে পাচ্ছে না।”
সাথে সাথে আইদাদ দেখলো, পুলিশের একজন সদস্য অফিসারমোরশেদকে একটা প্লাস্টিক ব্যাগ দিচ্ছে।
“পেয়েছে!”
“বলেছিলাম না?”
“দেখা যাচ্ছে না। কী ওটা?”
আইদাদের বিরক্তিমাখা প্রশ্নের কোন উত্তর এলো না। অফিসার মোরশেদ; আইদাদের মোরশেদ আংকেল ইউনিফর্ম পড়া জুনিয়র অফিসারের সাথে কথা বলছেন। জুনিয়রের জন্য তাঁর হাতে রাখা ব্যাগটা দেখা যাচ্ছে না ভালোভাবে। বোঝাই যাচ্ছে, উনি ভালো কোন এভিডেন্স হাতে দাঁড়িয়ে। অফিসার মোরশেদ ব্যাগটা একবার চেহারার সামনে তুলেই নামিয়ে ফেললেন।
এক ঝলক।
যথেষ্ট ছিল না।
তাই বলে নষ্টও হল না।
আইদাদ বাইনোকুলার নামিয়ে পিছনে ফিরলো। মাটিতে রাখা ব্যাকপ্যাকে বাবার দেয়া উপহারটি ঢুকিয়ে গাড়ির দরজা খুললো। ড্রাইভিং সীটের পাশের সীটে বাবা বসে।
Continue reading next part...
***সংগৃহীত***
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now