বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

উললা উলালা।

"ফ্যান্টাসি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Sayemus Suhan (০ পয়েন্ট)

X কুত্তা কুত্তা কুত্তা । -তুই। -ভাইয়া তুই আমাকে লাভ করিস না।তুই খুব পচা। -ঐ পিচ্চি লাভ মানে কি?এত ছোট বয়সেই পাইক্কা গেছস দাড়া আজি তোর বিয়ে দিয়ে দেব। - মা ভাইয়া আমাকে পিচ্চি বলছে? আর আমাকে বিয়ে দেবে বলছে । -থাম থাম মাকে ডাকিস না। -ওকে।তবে বর কিন্তু ডাক্তার হওয়া চাই তা না হলে বিয়ে করব না। -আ।এই মেয়ে বলে কি? আমি কথা বলছিলাম আমার কিউট সাত বছর বয়সী বোনটার সাথে।তার নাম মায়া। আল্লাহ মনে হয় সব মায়া দিয়ে তাকেই সৃষ্টি করেছে। আমি তাকে মায়াবতী বলে ডাকি। ইদানিং খুব বেশীই জ্বালাতন করছে। খালি এখানে যাব ওখানে যাব। এটা খাব ওটা খাব। খুব বিপদে আছি তাকে নিয়ে । কয়েক দিন আগের ঘটনা। আমি ছাদে বসে সিগারেট খাচ্ছিলাম।হঠাত পায়ের শব্দ কে যেন ছাদে আসছে। সিগারেটটা পিছনে লুকিয়ে। - ভাইয়া ভাইয়া আম্মু ডাকছে। -তুই যা আমি আসছি। -ভাইয়া তোমার পিছন থেকে ধোয়া বেরুচ্ছে কেন? -কই নাতো তুই যা। -ও বুজেছি। তুমি সিগারেট খাচ্ছো।দাড়াও আম্মুকে বলছি। -প্লিজ মায়া আম্মুকে বলিস না। -না বললে কি দিবা। -তর কি লাগবে। - এত্তগুলো কিটক্যাট,অনেক ট্যাডি আর একটা সিগারেট হি হি হি। -খুব দুষ্ট হয়েছিস তাই না। কয়েক ঘন্টাপড়ে আবার আমার সাথে ঝগড়া করে মায়া আব্বু আম্মুকে বলে দেয় আমার সিগারেট খাওয়ার কথা।ফলস্বরূপ আব্বুর বিশাল বকা। সেদিন রাগ করে বেশ জোরেই মায়াটার গালে একটা থাপ্পর মেরেছিলাম। থাপ্পর মারার পর নিজের কছে নিজেরই খুব খারাপ লাগল।বুকের মধ্যে হু হু করে উঠল। মনে হলো আমি মানুষ না।মানুষ হলে কি আর এত কিউট একটা মেয়ের গালে এত জোরে মারতে পারি। একদিন পর -আমার মায়াবতীটা কইরে। দেখো তোমার জন্য কিটক্যাট আর ট্যাডি আনছি। -লাগবে না যাও ভাগো। -(কান ধরে)আর আমি আমার বোনটাকে মারব না। -তুমি খুব পচা। -ওকে আমাকেও একটা মারো। -(আমার গালে চুমু দিয়ে) তুমি আমার ভাইয়া যে। -সেদিন ওকে অনেকখন জড়িয়ে ধরে কেদেছিলাম। -(আমার চোখের পানি মুছে দিয়ে) ভাইয়া কাদছো ক্যান?? -কই নাতো। - তুমি কাদলে আমিও কিন্তু কাদবো। -আচ্ছা।চল তকে নিয়ে আজ চিড়িয়াখানায় যাব। - (হাতে তালি দিয়ে,আমাকে আরেকটা চুমু দিয়ে) ভাইয়া তুমি খুব ভাল। - যা আম্মুকে বলে রেডি হ। বার বছর পর মায়াটা অনেক বর হয়ে গেছে।ছোট্ট মায়া কবে যে বড় হয়ে গেল বুঝতেই পারলাম না। আজ মায়ার বিয়ে। হ্যা ডাক্তার পাত্রর সাথেই। বরের বাড়িতে যাওয়ার সময় মেয়েটা হাউ মাউ করে আমার বুকে মাথা দিয়ে কাদছিল।আমারও যে কম কষ্ট হচ্ছিল তা না। হাজার হলেও তো আমি তার বড় ভাই। তাকে একটু হাসানোর জন্য আমি তার কানের কাছ মুখ নিয়ে বললাম... -তর মেকাপ কিন্তু চোখের পানিতে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে । আর কাদিস না। বুজতে পারলাম না মেয়েটা এই কথা শুনে আরও হাউ মাউ করে কেদে উঠল। আরও চার বছর পর সবাই চিন্তিত মায়াটা হাসপাতালে... একটু পরে ডাক্তার এসে যে নিউজটা দিল তা শুনে আমি দুই হাত লাফিয়ে উঠলাম... আমি মামা হয়েছি। অর্থাত আরেকটা মায়ার সৃষ্টি।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ উললা উলালা।

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now