বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

UFO রহস্য

"রহস্য" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মোঃ ফেরদৌস ইবনে আবু বকর (০ পয়েন্ট)

X অশনাক্ত উড়ন্ত বস্তু বা ইউএফও , (ইংরেজি: Unidentified Flying Object অথবা UFO), এটা এমন একটি উড়ন্ত বস্তু যা তার প্রত্যক্ষদর্শী দ্বারা এবং তদন্ত করার পরেও শনাক্ত করা যায় না। সহজ ভাষায়, আকাশে দৃশ্যমান যে কোন অচেনা অজানা বস্তু বা আলোকেই ইউএফও বলা হয়। এই সংজ্ঞা অনুসারে, একে একটি ইউএফও বিমান হিসেবে শ্রেণীভুক্ত করা যায়, এটি এর পরিচয় দেওয়ার পূর্বেই বিমান নিয়ন্ত্রণকারী রাডার গুলোতে হঠাৎ আবির্ভূত হতে দেখতে পাওয়া যায়। সাধারণত মানুষ একে ভিনগ্রহের প্রাণী দ্বারা পরিচালিত যানকে বুঝায়। এটিকে অনেকে উড়ন্ত থালা বা পিরিচ বলে থাকে। কারণ যে সব অশনাক্ত উড়ন্ত বস্তু আকাশে দেখতে পাওয়া যেত তার বেশির ভাগ উড়ন্ত বস্তুগুলো পিরিচ বা প্লেটের আকৃতির হয়ে থাকতো। ১৯৪০ - ১৯৯০ সালে এই বিষয়টা খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠে ছিল। যারা অশনাক্ত উড়ন্ত বস্তুর বিষয় নিয়ে বৈজ্ঞানিক গবেষণা করে তাদেরকে ইউফোলোজিস্ট বলে। ইউফোলোজিস্টদের মতে, ইউএফও বলতে আকাশ বা মহাশূন্যের পর্যবেক্ষকরা যে সব অপ্রাকৃতিক বা অজানা বস্তু দেখা যায় সে গুলোই হল ইউএফও। আর যে অশনাক্ত উড়ন্ত বস্তু বা ইউএফও গুলো সমুদ্রপৃষ্ঠের উপর দেখতে পাওয়া যায় তাকে অশনাক্ত ভাসমান বস্তু (অভাব) বা Unidentified Submerged Objects (USO) বলা হয়। যদিও পূর্বে এমন বস্তু দেখেছে বলে প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পরেই ১৯৪৭ সালের ২৪ জুন ইউএফও এর আবিষ্কারকাল ধরা হয়। সাধারণত একে বৈজ্ঞানিক বিশ্বে একটি Pseudo Science এর দ্বারা গণ্য করা হয়। UFO নিয়ে মধ্যে যুগে কিছু বস্তু চিত্রাঙ্গণ করা হয়েছে যা দেখলে মনে হতে পারে অনুরুপ আকষণীয় UFO । মধ্যে যুগে এবং নবযুগের অভ্যুদয়ে সময় এমন অন্যান্য চিত্রাঙ্গণ গুলোকে ইতিহাসবিদরা প্রায়ই ধর্মীয় প্রতিক হিসেবে চিহ্নিত করতো। প্রাচীন মিশরের অনেক লিপিতেই এই উড়ন্ত চাকতির উল্লেখ আছে। তাদের মধ্যে একটি উল্লেখযোগ্য , সেটি হচ্ছে মিশরের অষ্টাদশ রাজবংশের তৃতীয় ফারাও টুথমোজ এর একটি লিপি। ফারাও শীতের তৃতীয় মাস, এবং দিবসের ষষ্ঠ ঘণ্টায় আকাশে কিছু অদ্ভুত দর্শনের উড়ন্ত অগ্নি গোলক দেখতে পান বলে তা লিপিবদ্ধ করে রাখার নির্দেশ দেন। এটি খ্রিস্টের জন্মেরও প্রায় ১৫০০ বছর পূর্বের ইতিহাস। এর পরেও বহুবার ইউ.এফ.ও এর দর্শনের কথা শোনা যায়। তবে বর্তমান পৃথিবীর ইতিহাস অনুসারে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত ইউ.এফ.ও দর্শন এর তারিখ ১৫৬১ সালের ১৪ ই এপ্রিল। স্থান- নুরেমবারগ, জার্মানি। সেন কুও (১০৩১-১০৯৫ খ্রিস্টাব্দ), চীন সরকারের একজন পন্ডিত ব্যক্তি, বহুবিদ্যাজ্ঞ, আবিস্কারক, তিনি অশনাক্ত উড়ন্ত বস্তুর সম্বন্ধে তার লেখা Dream Pool Essays (১০৮৮) বইতে একটি জীবন্ত অনুচ্ছেদ লিখেছিলেন। ১১তম শতাব্দীতে আনহুই এবং জিয়াংসু (বিশেষভাবে Yangzhou শহর) নামের দুই জন প্রত্যক্ষদশীর প্রমাণ লিপিবদ্ধ করা হয়েছিল। তারা রাত্রি বেলা একটি দরজা বিশিষ্ট উড়ন্ত বস্তু দেখেছিল যার দরজার অভ্যন্তরীণ থেকে আগতো উজ্জল আলো গাছগুলি থেকে ছায়া দূর করে প্রায় দশ মাইল ব্যাসার্ধ জায়গা জুরে আলোকিত করেছিল এবং প্রচণ্ড গতিতে তার নিজ স্থান থেকে উডায়ন করতে সক্ষম হয়েছিল। ১৪ই এপ্রিল ১৫৬১, জার্মানির নুরেম্বেরগ শহর যখন যুদ্ধে ব্যস্ত ছিলো তখন তারা একটি রিপোর্ট লিখেছিল যে, তারা গোলক আকৃতির একটি বস্তু এবং গোলকের বাইরে অনেক নলাকার বস্তু পেয়েছে। জুলাই ১৮৬৮ তে, চিলিতে যে প্রথম UFO দেখা য়ায, গবেষকদের মতে এটা আধুনিক সভ্যতার প্রমাণ পত্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এইটি কপিয়াপো শহরের El Constituyente সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়েছিল এবং UFO কে অন্য গুলোর মতই দেখা গিয়েছিল (একটি অজানা উদ্বায়ী) এবং কিছু সময় পর একই বছর, একদল "তারকা সারি" অথবা "রেসের গাড়ির" মতো বস্তু আকাশ অতিক্রম করতে দেখা গেল। তার পর হতে UFO গবেষকরা এই ধরনের বিষয় গুলোকে লিপিবদ্ধ করা শুরু করে। ২৫শে জানুয়ারি ১৮৭৮ তে, দৈনিক ডেনসন সংবাদ লিখেছিল যে, স্থানীয় এক কৃষক জন মার্টিন বলেছিল সে একটি বড়, কালো, বৃত্তাকার বেলুন আকৃতি বস্তু উড়তে দেখেছে "চমৎকার গতিতে"। মার্টিন আরও বলেছিল যে মনে হচ্ছিল প্লেট আকৃতির। এই প্রথম বারের মতো UFO কে "প্লেট" এর সঙ্গে তুলোনা করা হয়। ১২ই আগস্ট ১৮৮৩, মেক্সিকান অধ্যাপক এবং জ্যোতিবিদ, জসেফ ইয়. বনিল্লা, তিনি বর্ণনা করেছিলেন যে, সে দূরবীক্ষণ দ্বারা পর্যবেক্ষণ করার সময় তার দূরবীক্ষণ এবং সূর্য মাঝে যাপাতেকাস ( Zapatecas) এর কাছে দীর্ঘ এবং কিছু সংখ্যক রঙিন মণিরমত বস্তু দেখে পেয়েছেন। উড়ন্ত বস্তু অস্তিত্বের কথা বিজ্ঞানীর দ্বারা তোলা একটি ছবিতে প্রমাণ করেছিল, যেমন অতীতের ছবি গুলোতে উড়ন্ত বস্তু অস্তিত্বের কথা প্রমাণ করেছিল। ২৮শে ফেব্রুয়ারি ১৯০৪, সান ফ্রান্সিসকো হতে ৩০০ মাইল পশ্চিমে তিন আমেরিকান নাবিক UFO দেখেছে, লে. ফ্রানক স্কলফিল্ড দ্বারা বর্ণনা করা হয়েছে। পরবর্তী কালে তিনি প্রশান্ত মহাসাগরের চিফ কমান্ডার হয়েছেন। স্কলফিল্ড লিখেছেন, গোলাক আকৃতির তিনটি উজ্জল বস্তু মেঘের নিচ দিয়ে যাচ্ছছিলো, পরে গোলাকটি তার পথ পরিবর্তন করে মেঘের উপর ওঠে, দুই-তিন মিনিট পর পৃথিবী ত্যাগ করে। বড় গোলাকটি প্রায় ছয়টা সূর্যের আকার ছিল। ৩১শে জানুয়ারি ১৯১৬ তে, একজন যুক্তরাজ্য বিমানচালক রিপোর্ট করেছিল যে, রোচফোড এর কাছে এক সারি আলো দেখতে পেয়েছে, যেন একটি জানালা রেলপথকে আলোকিত করেছে, পরে আলোটি আরো উজ্জল হয় এবং নাই হয়ে যায়। জানুয়ারি ১৯২৬ তে, একটি বিমানচালক প্রতিবেদন করেছিল যে, সে ছয়টি "ম্যানহোলের ঢাকনা উড়চ্ছে" উইচিতা , কানসাস এবং কোলোরাড স্প্রিংস শহরের মাঝে উড়তে দেখছে। একই বছর সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে, একটি বড়, উড়ন্ত পাখাহীন নলাওলা মত বস্তু একজন বিমানবাহিত ডাক পাইলটকে অবতরণ করতে বাধ্য করা হয়েছিল নেভাডাতে। ৫ই আগস্ট ১৯২৬, তিব্বতের কোকোনর অঞ্চলের হুম্বলডত (Humboldt) পর্বতমালা ভ্রমণের সময়, নিকোলাস রএরীচ প্রতিবেদন করেছিল যে, তার ভ্রমণের সাথীরা "কিছু একটা বড়, সচ্ছ এবং সূর্যের আলো প্রতিফলন করে, একটা বড় ডিম্বাকারের মত যা নড়াচরা করছে প্রচণ্ড গতিতে। আমাদের শিবির অতিক্রম করে জিনিষটা দিক পরিবর্তন করছিল দক্ষিণ থেকে দক্ষিণপশ্চিমে দিকে এবং আমারা দেখেছিলাম গাড় নীল আকাশে হারিয়ে যেতে। এমনকি আমাদের সময়ও ছিল আমাদের মাঠ চশমা নেওয়ার জন্য এবং আমি দেখেছিলাম যথেষ্ট দূরে, উপরিভাগ উজ্জল ডিম্বাকার আকৃতি, তার একপাশে সূর্যের মত উজ্জল।" নিকোলাসের অন্য একটি বর্ণনায় ছিল, ".......... একটি দেহ উজ্জল দক্ষিণ থেকে উত্তরে উড়ছিলো। এইটি একটি বিশাল আকৃতির। এক পাশ সূর্যের নিচে উজ্জল হয় এবং ডিম্বাকার আকৃতির। তারপর এইটি দিক পরিবর্তন করে এবং দক্ষিণপশ্চিমে হারিয়ে যায়।" দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রশান্ত এবং ইউরোপীয় থিয়েটারগুলোতে, "ফো-ফাইটারস " (ধাতব গোলক, আলোর বল এবং অন্যান্য আকৃতির জিনিস যা বিমানকে অনুসরণ করেছিল) প্রতিবেদন করা হয়েছিল এবং বিমানচালক ও তাদের অণুসারিদের দ্বারা ছবি তোলা হয়েছে। ২৫শে ফেব্রুয়ারি ১৯৪২, আমেরিকার সৈন্যবাহিনী পর্যবেক্ষণের প্রতিবেদন করেছিল, লস অ্যাঞ্জেলেস, ক্যালিফোর্নিয়া অঞ্চলের ওপর অশনাক্ত বিমান দৃশ্যমান হয়েছে এবং রাডারে ধরা পড়েছে। জাপানি বিমান মনে করে তারা এন্টিএয়ারক্রপ্ট মিসাইল নিক্ষেপণ করে। পরিষ্কার ব্যাখ্যা না দেওয়ায়, কিছু কর্মকর্তা নাকোচ দিয়েছে বিমানের প্রতিবেদনটি। তারা ওই সময় ক্যালিফোর্নিয়াতে জাপানী বিমান আক্রমণের বিষয় নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিল। যাইহক, সৈন্যবাহিনী প্রধান জেন.জর্জ সি. মার্শালএবং যুদ্ধের সচিব হেনরি স্টিমসন মনে করেন যে, জাপান এই অশনাক্ত বিমানের ব্যাপারের সাথে জরিত। এই ঘটনার পরবর্তী কালে, এটা লস অ্যাঞ্জেলিসের যুদ্ধ হিসেবে পরিচিত হয়েছিল, অথবা প্রাশ্চাত্ত্য দেশের উপকূলীয় বিমান আক্রমণ। ১৯৪৬ সালে, ২০০০ এরও বেশি রিপোর্ট করা হয়েছে। এগুলোর বেশির ভাগ সুইডীস সৈন্যবাহিনী থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। স্ক্যাডিনাভানীতে অশনাক্ত আকাশীক বস্তু দেখা গিয়েছে, কেবল ফ্রান্স, পর্তুগাল, গ্রিস, এবং ইতালি রিপোর্ট আলাদা করে রাখা হয়েছে। এগুলোকে তারা প্রথমে "রাশিয়ান হেল" এবং পরবর্তী কালে "ভূত রকেট " হিসেবে উল্লেখ করেছিল। কারণ তারা চিন্তা করেছিল যে, এগুলো সম্ভবত জার্মানীর V1 অথবা V2 রকেট ধার রাশিয়ান রহস্যময় টেষ্টের বস্তু। যদিও অনেকেই ভেবেছিল এটা হবে উল্কার মত প্রাকৃতিক ঘটনা। রাডারের মাধ্যমে ২০০ টির ওপর ধরা পড়েছে এবং সুইডীস সৈন্যবাহিনী দ্বারা "প্রকৃত ভৌত বস্তু" হিসাবে গণ্য করেছিল। ১৯৪৮ সালে, একটি top secret ফাইলে সুইডীস সৈন্যবাহিনী ইউরোপের আমেরিকান সৈন্যবাহিনীকে বলেছে যে, "তাদের তদন্তকারী ভিন্ন গ্রহের জীব বলে বিশ্বাস করেছিল।" হোয়াইটভিল, ভার্জিনিয়া এর ঘটনাঃ ১৯৮৭ সাল।হোয়াইটভিল, ভার্জিনিয়া এর একটি ছোট ,শান্ত , ছিমছাম শহর। WYVE নামের একটি রেডিও স্টেশনে কাজ করেন ড্যানি গরডন নামের এক যুবক। প্রতি রাতের মতো রেডিও বার্তা চেক করতে যেয়ে তিনি বেশ কিছু অস্বাভাবিক রিপোর্ট পান। এই রিপোর্ট কারীদের মধ্যে তিন জন ছিলেন আবার শেরিফ। তারা সবাই হোয়াইটভিল এর আকাশে একগুচ্ছ অদ্ভুত আলো দেখতে পান বলে দাবী করেন। ড্যানি প্রথমে এটি হেসে উড়িয়ে দিলেও মুহূর্তের মধ্যেই হোয়াইটভিল থেকে আরও অনেক তাদের তাৎক্ষনিক প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করেন যে এটি তাদের চোখে পড়েছে। ড্যানি এটিকে ভার্জিনিয়া এয়ার বেস এর কোন এক্সপেরিমেন্ট ভাবলেও তাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানিয়ে দেন , সে রাতে এমন কিছু পরীক্ষা করা হয়নি। ব্যাপারটা ধীরে ধীরে সবার মনেই একটা খটকা তৈরি করে। এর প্রায় দু সপ্তাহ পর, ড্যানি এবং তার বন্ধু রজার হল দুজনেই খুব কাছে থেকে ইউ.এফ.ও দেখতে পান বলে জানান। “আমরা তখন কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলাম। হঠাৎ করেই গাড়ির বা দিকে আমার চোখ গেলো এবং আমি ভুমির সরলরেখা বরাবর একটি খুব ই অস্বাভাবিক বস্তু লক্ষ্য করলাম। সাথে সাথেই গাড়িটা ডান পাশে রেখে আমরা লাফ দিয়ে গাড়ি থেকে বের হয়ে আসি। আমরা দেখতে পাই , যে আকাশযানটি আমাদের দিকে আসছে , সেটি আকৃতিতে বিশাল এবং তার মাথার দিকে একটি ডোম আছে এবং কোন পাখা অনুপস্থিত। আকাশ যানটির ডান দিক থেকে বিভিন্ন ধরনের উজ্জ্বল আলো বিচ্ছুরিত হচ্ছিল, সেটি যত দ্রুতই আমাদের দিকে ধাবিত হচ্ছিল, ঠিক ততো দ্রুতই আমাদের থেকে দূরে চলে গেলো, এবং একটা সময় মিলিয়ে গেলো।” এ ঘটনার তিন মাসের মধ্যেই প্রায় শতাধিক লোক ইউ.এফ.ও গুলোকে বার বার দেখতে পান। কয়েকটি ছবি ও তোলা হয় যার মধ্যে এগুলো উল্লেখযোগ্য হোয়াইটভিল এর এই অদ্ভুত ঘটনার কোন ব্যাখাই পায়নি হোয়াইটভিলবাসী। মেক্সিকো এর ঘটনাঃ ১৯৯১ সালের পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণের কথা বোধহয় সবারই মনে আছে। সমস্ত পৃথিবী যেন সূর্যগ্রহণ অবলোকন উৎসবে মেতে উঠেছিলো। মেক্সিকো ও ব্যাতিক্রম ছিলনা। কিন্তু কেউ তখন ও ভাবেনি তাদের পুরো দেশকেই এই দিনটা বদলে দিবে ইউ.এফ.ও এর হিস্টিরিয়াতে। সেই দুপুরে, Guillermo Arragin, নামের একজন টেলিভিশন এক্সিকিউটিভ ছাদের উপরে বসে সূর্যগ্রহণের ভিডিও ধারন করছিলেন। জিনিসটা ঠিক তখনই তার দৃষ্টিগোচর হয়। Jaime Maussan তখন কাজ করছিলেন Arragin, এর সাথে। তারা পরবর্তীতে সূর্যগ্রহণের ভিডিও টেপটি মেক্সিকান টিভি চ্যানেলে সম্প্রচার করেন, সূর্যগ্রহণের ৮ দিন পরে। এই টেপ টির সাথে তারা ইউ.এফ.ও এর ফুটেজটিও সম্প্রচার করে। মুহূর্তের মধ্যে তারা ৪০০০০ ফোন পান প্রায় একই সাথে। এটা এতোটাই দ্রুত ছিল যে সমস্ত নেটওয়ার্ক বিকল হয়ে যায়। বহু প্রত্যক্ষদর্শী তাদের জানায় , যে তারা ঠিক একই বস্তু দেখেছেন মেক্সিকো এর আকাশে। পরবর্তীতে তারা মেক্সিকান দের ধারণকৃত কমপক্ষে ১৫ টি ভিডিও পান যার সাথে Arragin, এর ভিডিও এর কোন পার্থক্য নেই। ২ মাস পরে ঠিক একই রকম ভাবে আরও অনেক গুলো ইউ.এফ.ও দেখা যায় মেক্সিকোর আকাশে। ফিনিক্স রহস্যঃ মার্চ ১৩, ১৯৯৭ এর রাত। অ্যারিজোনা এর অধিবাসী Michael Krzyston এর অপটু লেন্স এ ধরা পড়লো “v” আকৃতির এক অদ্ভুত আলোক গুচ্ছ। শুধু Krzyston ই নন, অ্যারিজোনার কমপক্ষে হাজার খানেক মানুষ সে রাতে এক ই আলো দেখেছেন এবং এগুলো যে ইউ.এফ.ও, এ সম্পর্কে তারা প্রায় নিঃসন্দেহ । রসওয়েল এর অমীমাংসিত রহস্যঃ এটি ইউ.এফ.ও এর সাথে সম্পর্কযুক্ত খুব বেশি আলোচিত একটা ঘটনা। ঘটনার সুত্রপাত ১৯৪৭ সালে একটি বজ্রপাত সহ ঝড়ের মাধ্যমে। ‘ম্যাক’ নামের এক ভদ্রলোক তখন তার ঘরে বসেই ঝড় দেখছিলেন। হঠাৎ তার বাড়ির সংলগ্ন বড় ক্ষেতে তিনি বেশ বড়সড় এবং অস্বাভাবিক এক বজ্রপাতের শব্দ পান। পরেরদিন তিনি যখন তার ছেলেকে নিয়ে তার ক্ষেত এর ক্ষয় ক্ষতি দেখতে গেলেন তখন অবাক হয়ে দেখলেন, বজ্রপাতের কোন চিহ্নই নেই। বরং সারা মাঠ জুড়ে পড়ে রয়েছে কোন কিছুর ধ্বংসাবশেষ। প্রায় তিন মাইলের ও বেশি লম্বা এবং দুই তিনশত ফুট প্রস্থ জুড়ে ধ্বংসাবশেষ গুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল। ম্যাক এর ভাষ্য অনুসারে, উদ্ধারকৃত টুকরো গুলিকে এককথায় ধাতু বলা যায়না। টুকরোগুলি ছিল বেশ মজবুত, এবং প্লাস্টিক এর মতো হালকা অথচ প্লাস্টিক নয়। দুই তিন ফুট লম্বা টুকরো গুলিও খবরের কাগজের মতোই হালকা ছিল, বলেন ম্যাক। তবে এই টুকরো গুলোকে তিনি কাটতে পারেননি এবং আগুনেও পোড়াতে পারেন নি বলে জানান তিনি। পরেরদিন রসওয়েল আর্মি এয়ার বেস এ ঘটনাটি জানানো হয়। সেদিন বিকেলেই আর্মি ইন্টেলিজেন্স এর কিছু কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করতে আসেন। তাদের মধ্যে একজন ছিলেন মেজর জেসি মারসেল যার উপরে এই ঘটনাটি তদন্তের মুল দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিলো। তিনিও টুকরো গুলি দেখে হতভম্ব হয়ে যান। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বলে গেছেন যে এটি তার জীবনে দেখা সবচেয়ে বেশি অস্বাভাবিক ঘটনা। তিনিও টুকরো গুলিকে আগুনে পোড়াতে পারেন নি। তিনি দৃঢ় ভাবেই দাবী করেন, এটি কোন ভাবেই এয়ার বেলুন, অথবা পৃথিবীতে তৈরি কোন আকাশ যান এর ধ্বংসাবশেষ নয়। তার কাছে সবচেয়ে আশ্চর্য লেগেছে যে টুকরোটি সেটি একটি ছোট এল বিম এর টুকরো যেটি এর উপরে কিছু অদ্ভুত চিহ্ন এবং অক্ষর খোদাই করা ছিল। এটা থেকে তার মনে বিশ্বাস আরও প্রবল হয় যে এটি পৃথিবীর বাইরের কোন একটা স্থানে তৈরি কোন আকাশযান। খবরটা নিউজপেপারে চলে আসে মুহূর্তের মাঝেই। ঠিক ওইদিন সক্করো, মেক্সিকো থেকেও ইউ.এফ.ও দর্শনের কিছু রিপোর্ট পাওয়া যায়। এই ঘটনাগুলি রসওয়েল এ বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্টি করে। তবে রসওয়েল এয়ার বেস কোন এক অজ্ঞাত কারনে খবরটা ধামাচাপা দেওয়ার প্রানপন চেষ্টা করে। গ্লেন ডেনিস নামের ২২ বছরের এক ছেলেও ম্যাক এর মাঠ টি পর্যবেক্ষণ করেছিলেন। পরবর্তীতে তাকেও মিলিটারি ক্যাম্প এ নিয়ে যাওয়া হয় এবং টাকে বলা হয়, এটি নিয়ে আর কোন রকম উচ্চ্যবাচ্চ্য না করার জন্য। এছাড়া ঠিক ওই সময়ে একজন নার্স দাবী করেন, তাকে এয়ার বেস ক্যাম্প এ নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তিনটি বডি অটোপসি করার জন্য। তিনি বলেন, তিনটি প্রাণীর কোনটি ই পৃথিবীর নয় এ ব্যাপারে তিনি শতভাগ নিশ্চিত। তিনি প্রানীগুলির বর্ণনা দেন এভাবে- “তারা আমাকে ডেকেছিল partial autopsy এর জন্য। তাদের ওখানে একটা বড় ক্রাশ ব্যাগ ছিল যেটির মধ্যে দোমড়ানো মোচড়ানো খুব ছোট দুটি বডি ছিল যাদের মাথা ছিল দেহের তুলনায় অনেক বড়। তাদের কোন কান ছিল না, বরং তাদের কানের দুটি ক্যানাল ছিল। তাদের বিবর ছিল দুটি ,এবং তাতে কোন দাত ছিলনা।” পরবর্তীতে গ্লেন অবশ্য নার্সটিকে অনেক খুজতে চেষ্টা করেছিল , যদিও তাকে আর কখনোই খুজে পাওয়া যায়নি। এটি প্রমানিত হলে এয়ার বেস মিলিটারি তাদের বিবৃতি দান করে বলেন, তাদের প্রাপ্ত প্রাণীগুলো আসলে একটি এয়ার বেলুনের ডামি ছিল। যদিও তাতে সন্দেহ দূরীভূত না হয়ে উল্টো সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়। টেক্সাস ইউ.এফ.ওঃ ডিসেম্বর এর ২৯ তারিখ, ১৯৮০ সাল। ডিনার শেষে গাড়িতে করে বাড়ি ফিরছিলেন বিটি ক্যাশ, ভিকি ল্যান্ড্রাম ও তাদের ৭ বছরের নাতি কলবি। টেক্সাসে -ডেয়টন এর কাছাকাছি স্টেট রোড থেকে তারা যখন যাচ্ছিলেন তখন রাত প্রায় ৯ টা। ঠিক এসময় আকাশে খুব উজ্জ্বল এক আলো দেখতে পান তিনজনই। তাদের গাড়ি অগ্রসর হচ্ছিল এবং এ অবস্থাতেই গাছের ফাক থেকে তারা বস্তুটিকে দেখতে পাচ্ছিলেন। বিটি ক্যাশ তার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন এভাবেই- “আমরা তখনো জানতাম না এটা কি, শুধু এটাই বুঝেছিলাম যে এটি প্লেন নয়। আকাশ তখন অত্যাধিক উজ্জ্বল হয়ে পড়েছিলো। একটা সময় ভিকি এর চিৎকারে আমি গাড়ি থামাই এবং বস্তুটিকে দেখার জন্য দরজা খুলে বের হয়ে আসি। বের হওয়ার সাথে সাথেই আমি প্রচণ্ড তাপ অনুভব করি এবং যান টিকে ভালভাবে দেখতে পাই। এটি ছিল অনেকটা ডায়মন্ড এর আকৃতির, যেটার নিচ থেকে প্রচণ্ড ভাবে তাপ নির্গত হচ্ছিল। মুহূর্তের মাঝে আমি পালাতে চাইলাম ওই জায়গা ছেড়ে। গাড়ির হ্যান্ডেল এ যখন হাত দিলাম তখন সেটি পুরোপুরি তপ্ত একটা ধাতু। আমার শুধু মনে হচ্ছিল , আমরা এখান থেকে জীবিত ফেরত যেতে পারবো তো? ভিকি বলেন - এর কিছুক্ষনের মধ্যেই বহু হেলিকপ্টার জায়গাটিকে কভার করে ফেলে। পরেরদিন তিনজনই মারাত্মক ভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। দ্রুত তাদের হাসপাতালে নেওয়া হলে ডাক্তাররা জানান, তারা রেডিয়েশন পয়জনিং এ আক্রান্ত হয়েছেন।পরবর্তীতে ক্যাশ এবং ভিকি সরকারের কাছ থেকে সদুত্তর পাওয়ার আশায় অনেক চেষ্টা করেও সফল হতে পারেন নি। এখানেও টেক্সাস সরকার ধামাচাপা দিয়ে ফেলে ব্যাপারটিকে। পুড়ে যাওয়া রাস্তার ওই অংশটুকু অতি দ্রুত খুড়ে নতুন করে রাস্তা করে দেওয়া হয় যাতে ওটা লোকচক্ষুর দৃষ্টি গোচর না হয়। ইউ.এফ.ও দেখা যাওয়ার কিছু স্থান ও বছরঃ 1883-08-12 – জাকাটেকাস ,মেক্সিকো । 1886-10-24- মারাকাইবো , ভেনেজুয়েলা। 1897-04-17- অরোরা , টেক্সাস। 1908-06-30- পডকামেনায়া টুনগুস্কা নদী , রাশিয়া। 1917-08-13, 09-13, 10-13 – ফাতিমা , পর্তুগাল। 1926- হিমালয় ,নেপাল। 1942- হোপেহ , চীন। 1942-02-24- লস অ্যাঞ্জেলস , ক্যালিফোর্নিয়া। 1946 – স্ক্যান্ডিনেভিয়া। 1946-05-18 – এঞ্জেলহোম মিউনিসিপালিটি , সুইডেন। 1947-06-21 – ওয়াশিংটন , ইউ এস। 1947-06-24-ওয়াশিংটন , ইউ এস। 1947-07-08 – রসওয়েল ,ইউ এস। 1947-10- ফিনিক্স , অ্যারিজোনা। 1948-01-07- কেন্টাকি , ইউ এস। 1948-07-24- আলাবামা , ইউ এস। 1948-10-01- নর্থ ডাকোটা , ইউ এস। 1950-03-22- নিউ মেক্সিকো , ইউ এস। 1950-05-11- ম্যাকমিনভেল। 1951-08-25- লুব্বক , টেক্সাস। 1952-07-13- ওয়াশিংটন , ইউ এস। 1952-07-24 – নেভাডা। 1952-09-12- ফ্লাটউডস, পশ্চিম ভার্জিনিয়া। 1953-05-21- প্রেসকট, ভার্জিনিয়া। 1953-08-12- বিসমার্ক , ডাকোটা। 1953-11-23- লেক সুপিরিয়র , কানাডা। 1955-08-21-কেন্টাকি। 1957-05-20- পূর্ব আংগ্লিয়া, যুক্তরাজ্য। 1957-11-02- লেভেলান্ড , টেক্সাস। 1959- সোভিয়েত ইউনিয়ন। 1959-06-26&27- পপুয়া নিউগিনি। 1961-09-19- নিউ হ্যাম্পশায়ার। 1964-04-24- সরক্কো , নিউ মেক্সিকো। 1964-09-04-সিস্কো গ্রুভ , ক্যালিফোর্নিয়া। 1965-12-01- সান মিগুয়েল , আর্জেন্টিনা। 1965-12-09- পেন্সিলভেনিয়া। 1966-01-11-ওয়ানাক , নিউ জার্সি। 1966-04-06- ক্লেয়টন , অস্ট্রেলিয়া। 1966-04-17- ওহাইও , ইউ এস। 1966-08-25- মিনোট , ডাকোটা। 1966-10-11- এলিজাবেথ , নিউ জার্সি। 1967-03-05- মিনোট , ডাকোটা। 1967-03-20-মাল্ম স্ট্রম, ইউ এস। 1967-05-20- ফ্যালকন লেক , কানাডা। 1967-08-29- কুসাক , ফ্রান্স। 1967-09-01- সেন্ট লুইস ভ্যালি, কলোরাডো। 1967-10-04- শ্যাগ হারবার, কানাডা। 1967-12-03-অ্যাশল্যান্ড ,নেবরাস্কা। 1969-01-01- প্রিন্স জর্জ , কলোম্বিয়া। 1971-09-04- অ্যারেনাল , কোস্টারিকা। 1973-10-11- মিসিসিপি , ইউ এস। 1974-01-23- নর্থ ওয়েলস যুক্তরাজ্য। 1975-01-12-নর্থ বারজেন , নিউ জার্সি। 1976-06-22-ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জ, স্পেন। 1976-09-19- তেহরান , ইরান। 1977-01-06- মন্ট্রিল , কুইবেক। 1978-05-10-এমিলসিন , পোল্যান্ড। 1978-10-21-ভিক্টোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া। 1978-12-21- নিউজিল্যান্ড। 1979-08-27- মিনেসোটা। 1979-11-09- লিভিংস্টোন ,স্কটল্যান্ড। 1979-11-11-ভ্যালেন্সিয়া ,স্পেন। 1980-12-28-সাফফোল্ক,ইংল্যান্ড। 1980-12-29-নিউ ক্যানি , টেক্সাস। 1986-11-17-আলাস্কা। 1990-03-30- ওয়ালোনিয়া, বেলজিয়াম। 1990-11-07-মন্ট্রিল , কুইবেক। 1991-04-21-লন্ডন , ইংল্যান্ড। 1991-09-15- স্পেস শাটল ডিসকভারি , মহাকাশ। 1993-08-08- ভিক্টোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া। 1996-01-20- মিনাস জেরাইস, ব্রাজিল। 1996-12-02-স্পেস শাটল ডিসকভারি , মহাকাশ। 1997-03-13-ফিনিক্স ,অ্যারিজোনা। 1997-08-06- মেক্সিকো সিটি। 2001-03-19-স্পেস শাটল ডিসকভারি , অরবিট। 2001-07-15-নিউ জার্সি। 2005-04-27 -ওয়াশিংটন , ইউ এস। 2007-02-02- লন্ডন , ইংল্যান্ড। 2007-02-16-কালিনিনগ্রাদ, রাশিয়া। 2007-03-03- নিউ দিল্লী , ইন্ডিয়া। 2007-03-10 -ওহাইও 2007-05-02- সাট্টন , ইংল্যান্ড। 2007-05-12 -আয়ারল্যান্ড। 2007-05-27 -কানাডা 2007-05-28- বাঙ্গালোর, ইন্ডিয়া। 2007-09-25-কোডিয়াক , আলাস্কা। 2007-10-30 -কলকাতা , ইন্ডিয়া। 2007-11-08- ল্যারনাকা, সাইপ্রাস। 2008-01-01-সান ডিয়েগো 2008-01-08 to 2008-02-09- স্টিফেনভিল, টেক্সাস, ডাবলিন। 2008-05 to 2008-09- ইস্তানবুল , তুরস্ক। 2008-06-20- যুক্তরাজ্য। 2008-06-21- মস্কো , রাশিয়া। 2008-12-10 -জাগরিব, ক্রোয়েশিয়া। 2009-05-31- কলকাতা , ইন্ডিয়া। 2009- নেভাডা , মেক্সিকো সিটি। 2009-08-16- উরাল , রাশিয়া। 2009-10-20- ফ্লোরিডা, ইউ এস। 2009-12-09- ফিনমার্ক, নরওয়ে এবং সুইডেন। 2010-05 to 2010-12- ইস্তানবুল , তুরস্ক। 2010-07-09 -হেজিয়াং, চীন। 2010-10-13- চেলসি , নিউ ইয়র্ক। 2011-01-26- কলকাতা, পশ্চিম বাংলা। 2011-02-20- ভ্যাঙ্কুভার। 2011-03-28- কলোরাডো। 2011-05-16- লি’স সামিট , মিসিসিপি। 26-06-2011-সিয়াটল, ওয়াশিংটন। প্রথম আধুনিক প্রতিবেদন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে থেকে UFO দেখা শুরু হয়েছিল, একজন বিখ্যাত মার্কিন ব্যবসায়ী ক্যননেথ আরনোড এর মধ্যে ২৪শে জুন ১৯৪৭ থেকে, যখন তার ব্যক্তিগত প্লেন ওয়াশিংটন এর রাইনার পর্বতমালা কাছে দিয়ে উড়ছিল। সে বলেছিলেন, নয়টা অতি উজ্জ্বল বস্তু রাইনারের দিকে মুখ করে উল্ট পাশে উড়ছিল। যদিও অনুরুপ বস্তু ১৯৪৭ সালে আমেরিকাতে আরো দেখা গিয়েছিল।এমন উড়ন্ত বস্তুু বর্তমানে দেখাগেছে বলে জানা গেছে। আরনোডর এই বিষয়টিতে প্রথম মিডিয়া মনোযোগ গ্রহণ এবং জনগণের দৃষ্টি আর্কষন করেছিল। আরনোড বর্ণনা করেছিল যা দেখেছিল "একটি পিঠার মত চ্যাপ্টা", "প্লিচের মত অকৃতির এবং এতো পাতলা ছিল যে ঠিকমত দেখা যাচ্ছিল না", "অর্ধেক চাঁদ অকৃতি, পিছের দিক চ্যাপ্টা ডিম্বাকার এবং সামনের দিক উত্তল। ..... মনে হচ্ছিল একটা বড় ফ্লাট ডিস্ক এবং এমন ভাবে উড়েছে যেন একটা চারা পানির উপর লাফাচ্ছে।" অল্প দিনের মধ্যে আরনোডের উড়ন্ত বস্তু বা উড়ন্ত প্লিচের বিষয়টি অনেক দূর পর্যন্ত চলে গিয়েছিল। আরনোডের দেখা অনুসরণ করে, অন্যানরাও দেখেছে বলে কয়েক সপ্তাহ শতশত রিপোর্ট করেছিল, বেশির ভাগ আমেরিকাতে। কিন্তু অন্যান্য দেশসমূহেতে দেখেছিল বলে রিপোর্ট করেছিল।এ ধরনের অন্যান বিষয়ে রিপোর্টের সংখ্যা বৃদ্ধি হতে শুরু করেছিল। যেমন, ৪ঠা জুলাই, সন্ধ্যাবেলা যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিমান দল ইদাহোর উপর নয়টাও বেশি একই রকম ডিস্ক দেখেছিল। আমেরিকান UFO গবেষক টেড ব্লোচার, তার সংবাদপত্র প্রতিবেদনে ব্যাপক পর্যালোচনা করেন (আরনোডর বর্ণনাসহ), সে ৬-৮ জুলাই সাথে ৪ঠা জুলাই, এর বিষয়ের উপর হঠাৎ অপ্রত্যশিত বৃদ্ধি খুজে পেয়েছিল। ব্লোচার লক্ষ্য করেছিল যে, পরবর্তী কয়েক দিন সর্বাপেক্ষা মার্কিন সংবাদপত্রের প্রথম পাতায় "উড়ন্ত প্লিচ" অথবা "উড়ন্ত ডিস্ক" এর ঘটনা ভরা ছিল। ৮ই জুলাই, এরপর যখন কর্মকর্তা রোসওয়েলের UFO এর ঘটনাটি সাংবাদিকদের কাছে প্রকাশ করতে শুরু করেছিল, তারা একে একটি পরীহ্মার বস্তুর ধ্বংসাবশেষ হিসাবে ব্যাখ্যা করেছিল। প্রাচীনকাল হতেই আকাশে অদ্ভুত অদ্ভুত সব বস্তু দেখার খবর শোনা গেলেও ১৯৪৭ সালে যখন আমেরিকাতে প্রথম UFO দেখা যাবার খবর ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়, তারপর থেকে এটিই হয়ে ওঠে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়। এরপর আরো কয়েক হাজার UFO দেখার খবর পাওয়া যায় এবং এর মধ্যে প্রায় শতকরা ৯০ ভাগই মিথ্যা। সাধারণ মানুষ প্রায়ই উজ্জ্বল কোন গ্রহ কিংবা তারা , বিমান , পাখি , বেলুন , ঘুড়ি , ডিম্বাকার আকৃতির মেঘ দেখে তা UFO ভেবে ভুল করেছে। তবে এর জন্য প্রয়োজন সময় সাপেক্ষ তদন্ত। জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকী বিবেচনা করে মার্কিন বিমানবাহিনী ১৯৪৭ সালে UFO তদন্তে নামে। তদন্তের কাজ শেষ হয় ১৯৬৯ সালে । এ সময়ে প্রাপ্ত সর্বমোট ১২,৬১৮ টি ঘটনার মধ্যে ৭০১ টি ঘটনার কোন ব্যাখ্যা তারা দিতে পারেনি। মার্কিন বিমানবাহিনী তাদের তদন্ত শেষ করে এই বলে যে "বিমান বাহিনীর তদন্তে কোন UFO এর প্রতিবেদন করেনি এবং আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ভয়ের কোন ইঙ্গিত দেয়নি।” ১৯৬৯ সালের পর আর কোন মার্কিন সংস্থা UFO তদন্ত কাজে সরাসরি হাত দেয়নি। এরপর ১৯৯৭ সালে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা মার্কিন সামরিক বাহিনীর উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন গোয়েন্দা বিমান ব্যবহারের কথা ফাঁস করে দেয়। ১৯৫০ হতে ১৯৬০ সাল পর্যন্ত যতগুলো UFO দেখা গেছে তার মধ্যে শতকরা ৫০ ভাগ ঘটনার জন্য দায়ী Lockheed U-2A এবং Lockheed SR-71 নামের এই বিমান দুটি। যদিও কোন বৈজ্ঞানিক প্রমাণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি, তারপরও অনেকেই এটিকে ভিন্ন গ্রহের বাসিন্দাদের আকাশযান বলে মনে করেন। আর বিষয়টিকে উড়িয়ে দেবার উপায় নেই। অধিকাংশ বিজ্ঞানীই এই মহাশুন্যে কোথাও না কোথায় অতিমানবীয় বুদ্ধিমান প্রানীর অস্তিত্ব থাকার সম্ভাবনার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। ইউ.এফ.ও যে শুধু পৃথিবীর আকাশে কিংবা মাটিতে দেখা গেছে , তা কিন্তু নয়। বরং পানিতেও ইউ এফ ও দর্শনের নজির মেলে। বিমিনির উত্তরে আইজাক লাইট আর মিয়ামি এর মধ্যেখানে গালফ স্ট্রিমের জলের তলায় বার বার দেখা গেছে সিগার আকৃতির ইউ.এফ.ও। ডেলমনিকো নামের এক ক্যাপ্টেন পানির নিচে এই সাদাটে ধূসর বস্তুটি দেখতে পান। তার দাবী, এটি কোনভাবে পানিতে আলোড়ন তৈরি না করে চলাফেরা করছিল। ইউ.এফ.ও যে শুধু পৃথিবীর আকাশে কিংবা মাটিতে দেখা গেছে , তা কিন্তু নয়। বরং পানিতেও ইউ এফ ও দর্শনের নজির মেলে। বিমিনির উত্তরে আইজাক লাইট আর মিয়ামি এর মধ্যেখানে গালফ স্ট্রিমের জলের তলায় বার বার দেখা গেছে সিগার আকৃতির ইউ.এফ.ও। ডেলমনিকো নামের এক ক্যাপ্টেন পানির নিচে এই সাদাটে ধূসর বস্তুটি দেখতে পান। তার দাবী, এটি কোনভাবে পানিতে আলোড়ন তৈরি না করে চলাফেরা করছিল। পুয়ের্টোরিকো এর কাছের সাগরেও ইউ.এফ.ও এর দেখা মেলে একবার। মার্কিন নৌবাহিনীর কোন একটা মহড়া চলাকালীন সময়ে তাতে অংশগ্রহণকারী সকল জাহাজ এবং সাবমেরিন এই জলের নিচে ইউ.এফ.ও টা দেখতে পান। সাবমেরিন একে ধাওয়া করলেও বস্তুটি নিমিষেই সাতাশ হাজার ফুট গভীর পর্যন্ত নেমে ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে গিয়েছিলো। এর গতিও ছিল অস্বাভাবিক এবং আলোড়ন বিহীন। (যেসব অশনাক্ত উড়ন্ত বস্তু বা ইউএফও গুলো সমুদ্রপৃষ্ঠের উপর দেখতে পাওয়া যায় তাকে অশনাক্ত ভাসমান বস্তু (অভাব) বা Unidentified Submerged Objects (USO) বলা হয় যা শুরুতে উল্লেখ করেছি।) তথ্যসূত্রঃ 1. https://bn.m.wikipedia.org/wiki/অশনাক্ত_উড়ন্ত_বস্তু (Copy) 2. https://www.bigganbangla.com/u-f-o-%E0%A6%B0%E0%A6%B9%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%AC%E0%A6%A1%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87-%E0%A6%98%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%BE-%E0%A6%AF%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%B8/ (Copy)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ UFO রহস্য

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now