বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

তুষার কবিরের কবিতা

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ননাম বলার জন্য কি গেস্ট হয়ে লিখছি???(guest) (০ পয়েন্ট)

X তুষার কবিরের ৫ কবিতা -------------------------------- প্রথম দশকের মেধাবী কবি তুষার কবিরের জন্ম ১৯৭৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি । এম.বি.এ. (মেজর ইন মার্কেটিং), সম্মানসহ স্নাতকোত্তর (ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্জন করেন । প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ১২।। কাব্যগ্রন্থ— বাগ্দেবী আমার দরজায় (২০০৬) মেঘের পিয়ানো (২০০৭) ছাপচিত্রে প্রজাপতি (২০০৮) যোগিনীর ডেরা (২০০৯) উড়ে যাচ্ছে প্রেমপাণ্ডুলিপি (২০১০) কুহক বেহালা (২০১২) রক্তকোরকের ওম (২০১৪) ঘুঙুর ছড়ানো ঘুম (২০১৫) তিয়াসার তৃণলিপি (২০১৬) হাওয়াহরিৎ গান (২০১৭) ধূলি সারগাম (২০১৮) কবিতা-বিষয়ক প্রবন্ধ— কুঠুরির স্বর (২০১৬) সম্মাননা— ‘কালি ও কলম তরুণ কবি ও লেখক পুরস্কার ২০১৬’ ‘দেশ পাণ্ডুলিপি পুরস্কার পেয়েছেন, কালি ও কলম তরুণ কবি ও লেখক পুরস্কার ২০১৬’ ‘দেশ পাণ্ডুলিপি পুরস্কার। তুষার কবিরের উল্লেখযোগ্য কিছু কবিতা নিচে উপস্থাপন করা হলো: ক্যাফে বর্ষা বৃষ্টির মাতাল শব্দ এ রেস্তোরাঁয় গান হয়ে বাজে! ধোঁয়াওড়া কফি পেয়ালায় এ রেস্তোরাঁ মেঘের ঘুঙুরে নাচে। কামিনী ফুলের ঘ্রাণে সন্ধ্যার আলোআঁধারে প্রেমিকারা এ রেস্তোরাঁয় সুনসান বসে থাকে। পিয়ানোর টুংটাং সুরে তাদের হৃদয় ডুবে যায় কাচঘেরা জলের প্রপাতে। জানালায় জলের প্রিজম কণা তাদের আঙুলগুলোতে বিভোর বেহালা হয়ে কাঁদে। বৃষ্টির মাতাল শব্দে এ রেস্তোরাঁয় জলের লিরিক শুধু বাজে! নাবিক ও গণিকা যে নাবিকেরা নতুন নতুন গণিকার খোঁজে নেমে যেত গন্তব্যে পৌঁছার আগেই কোনো আলোআঁধারিময় বন্দরে— দ্যাখো তারা আজ লাল পেনশন বই আর খোঁচা খোঁচা দাড়ি নিয়ে জবুথবু হেঁটে যাচ্ছে এক শস্তা সরাইখানার পাশ ঘেঁষে! শহরের যেকোনো প্রাচীন কয়েদিঘরেও ঠাঁই হতে পারত তাদের— অথচ তাদের মাথাভর্তি সমুদ্রের শব্দ আর তেল চিটচিটে অন্তর্বাসের ঘ্রাণ! মাঝরাতে কতিপয় কয়েদী নাবিক হেঁটে যায়— জাহাজের সাইরেনে চাপা পড়ে যায় পাপ ও পতনের দাগ! ডালিম কথন ডালিম যৌবনা হয়ে ওঠে— যখন তুমি দাঁড়াও তার পাশে! ডালিম কোরক হয়ে ফোটে— যখন তুমি ছড়াও তার কাছে! ডালিম স্তনের মতো হাসে— যখন তুমি হারাও সোঁদা ঘাসে! ডালিম লিরিক হয়ে বাজে— যখন তুমি মেলাও দূরভাষে! মাদল দূরের মাদল সুরে দ্যাখো ফিরে আসে রাতের অপেরা! বাইজির ছেঁড়া ছেঁড়া জরির কাঁচুলি ঘিরে জেগে ওঠে মহুয়া মাদক নাচ। মল্লিকা অপেরা থেকে এক পিয়ন আমাকে আজ মুঠোভরা রঙিন টিকিট দিয়ে গেছে! এ শরতে অপেরায় তুমুল বাইজি নাচ হবে; দ্যাখো নটীর নাটাই ঘোরে জমিদার বাড়ির পুরনো ছাদে। এ শারদ সন্ধ্যায় এসো, মাদলের সুরে সুরে হাত ধরে নাচি, রাত জেগে অপেরায় চোখ খুলে বাঁচি! সমুদ্র ও সরাইখানা মাঝরাতে সমুদ্র আর সরাইখানাকে আমার কাছে একই বলে মনে হয়—একই রকম কলরব, একই রকম গান ও ঘ্রাণ, একই রকম ঢেউ! সমুদ্রের উপচানো ফেনাকে মনে হয় গেলাসে গেলাসে জমা তরল আরক! এক সমুদ্রসারস ধীর লয়ে ডানা মেলে উড়ে যায় মাস্তুলের ফুঁসে ওঠা গ্রীবা চিরে—নীল জলরাশি ছুঁয়ে তার রৌদ্রঘ্রাণ যেনবা আছ্ড়ে পড়ে মর্চে পড়া ডকইয়ার্ডের তীরে! বাইরে সৈকত থেকে কিছুটা দূরেই এক সহিস আমার জন্যে অপেক্ষা করছে তার রোমশ শ্বেতাভ ঘোড়া নিয়ে—সে আমাকে পৌঁছে দিবে লণ্ঠন জ্বালানো এক পানশালায়—যেখানে ক্রিস্টাল লবণের ঘ্রাণে আর স্ফটিক নারীর শাদা অন্তর্বাসে ভেসে বেড়ায় শুধু সমুদ্রের স্রোতকান্না! ----------------সংগৃহীত ----------------


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১০৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ তুষার কবিরের কবিতা

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now