বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

তুমি তো শুধুই আমার(পর্ব৮)

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Eshrat Jahan (০ পয়েন্ট)

X রনি একটা মুচকি হেসে ইভার দিকে তাকিয়ে বলল,"দুষ্টমীর কি দেখছ তুমি?আমি থ্রি ফোরে থাকতে এত দুষ্ট ছিলাম যে প্রতিদিনই আমার বাবা মার কাছে বিচার।ফাইভেও বিচার যেত।" "এত কি দুষ্টমী করতেন যে প্রতিদিনই বিচার যেত?" "আমি প্রতিদিন চার পাঁচ চুইমগাম খেতাম।খেয়ে মেয়েদের ব্রেনসে লাগিয়ে দিতাম।এ নিয়ে কেউ কেউ বিচার দিত বাবা মার কাছে।তারপরে মারামারিও করতাম।কিন্তু পড়ালেখায় ছোটবেলা থেকেই ভালো।তারপর হাইস্কুলে গেলে কারো কারো জিনিস লুকে রাখতাম।কেউ বুঝতো না।যার জিনিস নিয়েছি সে তো খুঁজে খুঁজে হয়রান হত।আবার না বলে রেখে দিতাম।" ইভা হেসে উঠতো।ইভা বলল,"এ কথা শুনে আমার হাইস্কুলের এক ক্লাসমেটের কথা মনে পড়লো।তার জিনিস আমি লুকিয়ে রাখতাম।আবার দিয়ে দিতাম।বলুন আর কি কি।" "তেলাপকা ধরতাম।ধরে একটা বাটির মধ্যে নিয়ে যেতাম।যে মেয়েটা আমার সাথে কেমন জানি করে তার গায়ের উপর ছাড়িয়ে দিতাম।আর লুকিয়ে লুকিয়ে টিফিন খেতাম।এ নিয়ে অনেকবার বিচার গেল।আমি তো আগেই জানতাম বাবার কাছে বিচার গেলে বাবা আমাকে মারবে না হয় কিছু একটা করবে।তাই বাবা আসার আগে সব কিছু রেডি করতাম।খাওয়ার কিছু জিনিস নিয়ে যেটাম।পানি নিতাম।যদি খেয়ে মন চাই খাবো।আরো কিছু রেডি করতাম।বাবা আসার সঙ্গে সঙ্গে আমার রুমের দরজা লাগিয়ে দিতাম।বাবা এসে দরজার সামনে দাঁড়িয়ে সুন্দর করে ডাক দিত।কিন্তু আমি খুলতাম না।তারপর যখন খুলতাম না তখন বাবা গালি দিত?" চিত্রা আর দীপা আড়াল থেকে দেখতে লাগলো রনি আর ইভা একসাথে গল্প করছে।চিত্রা বলল,"দেখ দেখ দীপা।ইভা কিন্তু রনিকে ঠিকই ইয়া করে।কিন্তু আসলে আমাদের দেখাচ্ছে যে ভালোবাসে না।বিয়ে ঠিকই করবে।" দীপা বলল,"হ্যারে ঠিক বলেছিস রে।দেখ ইভাকে কিন্তু রনির সাথেই ভালো মানায়।আর রনিকে ইভার সাথে ভালো মানায়।" "হুম ঠিক বলেছিস রে দীপা।হাইটের দিক দিয়েও ঠিক আছে।" দীপা আর চিত্রা দেখতে লাগলো রনি আর ইভা আর কি কি করে।ইভা বলল,"আপনি এরকম?আরো বলেন।" রনি আবারো বলতে লাগলো।বলল"তখন ক্লাস নাইনে পড়ি।একজনের সাথে মারামারি করছি।মারামারিতে আমি জিতে ছিলাম।বাড়িতে এসে ছাদে দাঁড়িয়ে আছি।আর বাবা একটা লাঠি নিয়ে এলো।আর ছাদের গেট তালা দিয়ে দিল।চাবিটা বাবার পকেটে রাখলো।আমি শুধু ভাবতে লাগলাম কোথায় থেকে পালাই।আজকে কি তাহলে মার খাবো?এই ভাবতে ভাবতে দেখলাম একটা গাছ।আর কোনো কিছু ভাবলাম না।তাড়াতাড়ি গাছের কাছে যেয়ে গাছ বেয়ে নীচে নামলাম।বাবা সেদিন আর মারলো না।তারপর ইন্টারে।একটা নতুন মেয়ে আমাদের ক্লাসে ভর্তি হয়েছে।এখন প্ৰথম দিন থেকে আনার দিকে তাকিয়ে থাকে।আমার আবার এটা পছন্দ হলো না।একদিন সেন্টারফ্রুট খেলাম।তারপর মেয়েটার ব্রেনসে লাগিয়ে দিলাম।মেয়েটা না দেখেই জামাটা নষ্ট করলো।তারপর মেয়েটা জানতে পারলো আমি এরকম করেছি।" ইভা বলল,"আপনি আসলেই দুষ্ট।আপনার মুখ দেখেই বোঝা যায়।"


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৩ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now