বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

তোরে_কতো_ভালোবাসি (দ্বিতীয় পর্ব )

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Merina Afrin Mou (০ পয়েন্ট)

X আবির বাইরে চলে গেছে। সুপ্তির চোখে আবার পানি চলে এসেছে। একটুপর ভাবি এসে বলে আবির কই রে? সুপ্তি জবাব দেয় না। ভাবি ওর চোখ দেখেই বুঝতে পারে কিছু হয়েছে। ভাবি ওর কাছে আসে। মাথায় হাত বুলিয়ে বলে মন খারাপ করিস না বোন। ও তোকে ভালোবাসলে তোর ই হবে। আর যদি তোর জন্য ওর ভালোবাসা না থাকে শত চেষ্টা করেও পারবি না ওর ভালোবাসা পেতে। তুই একটু দেখ ও কোথায় গেলো। সুপ্তি বাইরে চলে যায়। আবিরকে কোথাও দেখা যায় না। গেইট খুলে বাইরে গিয়ে রাস্তার দুপাশে চোখ রাখে কোথাও নাই আবির। সুপ্তি আবিরের নাম্বারে কল দেয়... কোথায় তুমি? -এইতো বাজারে এসেছি। রান্না হোক দুপুরের আগেই ফিরবো। -ওকে তাড়াতাড়ি আসো... সুপ্তি ভাবির কাছে এসে বলে ও বাজারে গেছে দুপুরের আগেই ফিরবে। সুপ্তি ঘরে এসে শুয়ে পড়ে। আবিরের কথা ভাবে.... কতো ভালোবাসি ওকে আর ও বুঝলোই না। সুপ্তি ঘুমিয়ে পড়েছে। আবির এসে ঘরে ঢোকে... দেখে সুপ্তি ঘুমিয়ে আছে। আবির এসে ওর পাশে বসে। চেয়ে চেখে সুপ্তির মায়াবী মুখটা। ভাবে পাগলিটা খুব ভালোবাসে। কিন্তু এই ভালোবাসা ওকে শুধুই কাঁদাবে হয়তো। আবির সুপ্তির মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়। বুকের ওড়নাটা একটু সরে গেছে। ঠিক করে দিতে যায় আবির... ওমনি সুপ্তির ঘুম ভেংগে যায়। চেয়ে দেখে আবির ওড়নাটা বুকে রেখে হাত সরাচ্ছে। অবাক হওয়ার মতো তাকায় সুপ্তি! আবির মাথা নিচু করে... -কি হইলো? আমাকে বললে তো এমনেই আমার দেহ সপে দিতে পারি আপনাকে। ঘুমের মধ্যে চুপ করে এসে এসব করার কি দরকার? (মুচকি হেসে) -না না সুপ্তি এমনটা নয়। আমি তোর ওড়নাটা ঠিক করে দিলাম। -ওকে। এবার গোসল করে আসেন সাহেব। আবির অপরাধির মতো মাথা নিচু করে আছে। সুপ্তি হাতটা ধরে বলে সরি... তুমি এমনটা না আমি জানি। আমি তোমাকে খুব বেশি ভালোবাসি। তাইতো পাগলামি করে তোমায় জড়িয়ে ধরি, বুকে টেনে নেই। এসব ঠিক না জানি। তবুও তোমাকে খুব আপন মনে করেই এসব করি। আবির তাকায় সুপ্তির দিকে। দেখে ওর চোখে আবার ও পানি। -এই ছেমরি... তোর চোখে কি ঝরনা আছে নাকি? কিছু বললতেই পানি বের হয়ে যায়। এই বলেই আবির সুপ্তিকে টেনে নেয় বুকে। মাথায় আর পিঠে হাত বুলিয়ে দেয়। বলে এই পাগলি... জানি তুই আমাকে পাগলের মতো ভালোবাসিস। কিন্তু ১০ তারিখের আগে তোকে আমার কথা জানাতে পারবো না। তাই তোর এই পাগলামিতে, ভালোবাসার আদরেতে নিজেকে মিশাই না। আগে ১০ তারিখ আসুক জানিয়ে দেবো। -ঠিকাছে। তবে আমাকে এভাবে কিছুক্ষন জড়িয়ে ধরে রাখো। তোমার বুকে মাথা রাখলে আমার মনে হয় আমি আমার ভালোবাসার মানুষের বুকে আছি। মনে হয় জনম-জনম এভাবেই থাকি। আবির সুপ্তির মাথাটাকে বুকের সাথে চাপ দিয়ে ধরে... -কি হচ্ছে আপনাদের মাঝে..? (ভাবির আগমন) ভাবিকে দেখেই দুজন-দুজন কে ছেড়ে দেয়। ভাবি মুচকি হেসে বলে পরে এসব কইরেন আপনারা.. এখন দুজন গোসল করে খেয়ে নেন। আবির গোসল করতে বাথরুমে যায়। ভাবিকে বলে একটা লুঙ্গি আর গামছা দিতে। ভাবি সুপ্তি কে বলে যা তো এগুলা দিয়ে আয় আবিরকে। গোসল খানায় লুঙ্গি নিয়ে ঢুকেই সুপ্তি ভিতর থেকে আটকে দেয় দরজা! আবির অবাক হয়ে বলে কি হলো? সুপ্তি এগিয়ে যায় আবিরের কাছে। দুই হাত দিয়ে আবিরের মুখটা ধরে। কপালে একটা চুমু দিয়ে এক ঝটকায় টেনে নেয় বুকের সাথে। -আমি তোমাকে ভালোবাসি আবির ভাইয়া। আমি তোমাকে ছাড়া বাঁচবো না। কেনো আমাকে এড়িয়ে চলো? বলো... এই বলে হাউমাউ করে কেঁদে ওঠে সুপ্তি। আবির এই প্রথম চোখদুটোকে বাধা দিতে পারেনি... টুপ করে গড়িয়ে পড়ে দু-চোখে দু-ফোটা জল। সুপ্তি কে বুকের সাথে খুব ঘনিষ্ঠভাবে জড়িয়ে ধরে। থুতনিটা তুলে ঠোটে একটা ভালোবাসার চুমু একে দেয়। বলে এই পাগলি আমাকে এতো পাগল করিস না। আমি তো তোকে কথা দিতে পারি না ১০ তারিখের আগে। তবে এটা শুনে রাখ.. যদি কোনদিন কেউ আমার বউ হয়, কাউকে ভালোবাসি সেই মেয়ে হবি তুই। আর যদি কোনদিন হারিয়ে যাই তবে হারিয়ে যাবো সবার থেকে দূরে। কেউ আমার হবে না। আমিও কারো হবো না। তবে ১০ তারিখ পর্যন্ত আমায় সময় দে। এর আগে তোর কোন প্রশ্নের জবাব দিতে পারবো না রে পাগলি...। -ঠিকাছে... জানিনা ১০ তারিখে কি হবে। কি জন্য তুমি ১০ তারিখের অপেক্ষায়... তবে এটা জেনে রেখো... এই সুপ্তি তোমার ভালোবাসা না পেলে, তুমি অন্য কারো হলে বা তোমার কিছু হয়ে গেলে বাঁচবে না এই পাগলিটা। আবির আবারো থুতনিটা তুলে কপালে একটা চুমু দিয়ে ওর চোখের পানি মুছে দিয়ে বলে ওকে যা...। যদি কারো হই তবে তোর ই হবো।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ তোরে_কতো_ভালোবাসি (দ্বিতীয় পর্ব )

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now