বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
গ্রাম্য পরিবেশে সেই চাঁদনী রাতটা যেন জীবনানন্দের কবিতার মতই সুন্দর ছিল। পূর্ণিমার আলো সবুজ ধানক্ষেতের রঙের সাথে মিলে অভূতপূর্ব এক রঙ তৈরি করেছিল। যে রঙের সাথে মিশে আছে হাজারো মানুষের সোনালী স্বাদ। যে স্বাদের শেষ নেই কিন্তু শুরু আছে। যে স্বাদ কখনো পুরনো হয়না।
আমার অবচেতন মন নিজের অজান্তেই পড়ে গিয়েছিল সেই রঙের প্রেমে।কারণ আমার মন এই পূর্ণিমার আলোয় স্পষ্ট দেখতে পেয়েছিল তোমার দুর্গম দূর্লভ মনকে। তোমার যে মন আমার জন্য নয়। আমার অস্তিত্ব থেকে শতসহস্র মাইল দূরে ধূ ধূ মরূভুমির পর আটলান্টিক আর প্রশান্ত মহাসাগরকে পেছনে ফেলে এন্টার্কটিকার ওপারে জায়গা করে নিয়েছে যে মন।যেখানে আমার মতো ক্ষুদ্র প্রাণের গমন অসম্ভব। কোন উদ্দেশ্যে আমার স্পর্শের অযোগ্য তোমার এই মন উঁকি দিল আমার অজপাড়াগাঁয়ে এই রহস্যভেদ করার সৎ সাহস আমি কখনোই দেখাইনি। দেখালেই বা কি হতো! পেঁয়াজের খোসা ছাড়াতে ছাড়াতে শেষে তো সেই শুন্যই। সর্বত্রই বৃথাচেষ্টার গন্ধ পাই। তাই এই অপচেষ্টা থেকে আমি সর্বদাই নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখেছি। কিন্তু জোৎস্নার আলোয় তোমার মনকে দেখেছিলাম ক্ষীণ দিপ্তীর লজ্জার ভারে নুয়ে পড়তে।
সে রাতের পর তোমাকে দেখেছিলাম অমাবস্যার নিকষ কালো অন্ধকারে পূর্ণ অন্য এক রাতে। ঘনীভূত আঁধারের মাঝে তোমার মনকে সেদিন দেখেছিলাম জ্যোতির্ময় শিখার মতো প্রখর।এই দুই পরিবেশে তোমার মনের ভিন্নতার কারণ অন্বেষণের চেষ্টাও আমি কখনো করিনি।
কিন্তু এতকিছুর পরেও বহুকাল ধরে আটকে থাকা একটা প্রশ্ন আজ তোমার দিকে আমি ছুড়ে দিব আমি। ' আমাকে অমাবস্যার রাতের মতোই কি ভেবেছিলে তুমি?' যদি তাই হয় দেখো তাহলে জোৎস্নায় তুমি কেমন!
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now