বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ইদানীং ইমন বেশ হাসিখুশি থাকে। সবার আদেশ পালন করার চেষ্টা করে। তার হাসিখুশি থাকার প্রধান কারণ হচ্ছে তাদের পরিবারে আসতে চলেছে এক নতুন সদস্য। ইমনদের পরিবার এমনিতে অনেক ছোট। ইমন, বাবা, মা আর দাদি। এবার সে একজন খেলার সাথি পাবে। এসব ভাবতে ভাবতে ইমন খেয়াল করলো তার পিছনে দাদি দাড়িয়ে আছে।
"কিরে, এখন একা একা দাড়িয়ে আছিস কেন?"
"এমনি দাদি, আচ্ছা দাদি আমার বোন হবে না ভাই?"
"তোর কি মনে হয়, কি হলে তোর ভালো লাগবে?"
"আমার তো একটা খেলার সাথী পেলেই হয়, মেয়ে আর ছেলে যাই হোক"
দাদি হাসতে হাসতে বললেন, "তোর বোন হবে"
"দাদি আমি বোনের জন্য একটা নাম ঠিক করেছি।"
"কি নাম, শুনি।"
"তনয়া"
"তনয়া, এইটা আবার কি নাম।নাম হবে মারজানা অথবা মেহেরুন্নেসা এইগুলো।"
দাদির কথা শুনে ইমনের মনটাই খারাপ হয়ে গেলো।তার বোনের নাকি এমন নাম হবে।
রাতের খাবার খেয়ে ইমন দাদির কাছে ঘুমাতে গেলো। আনন্দে তার ঘুমও আসছে না।
সকালের মিষ্টি রোদে যখন তার ঘুম ভাঙ্গলো, তখন সে কান্নার শব্দ শুনতে পেলো।
নিশ্চয়ই বড়ো ফুফু এসেছে, বড়ো ফুফু এসেই কেমন মরা কান্না জুড়ে দেয়।
সামনে গিয়ে দেখলো, কাঁদছে ইমনের মা। আর তার পাশেই সাদা কাপড়ে মোড়ানো ফুটফুটে একখানি শীতল দেহ।সেই দেহটিকে ঘিরে রয়েছে অনেক চেনা-অচেনা মুখ।ইমন সেখানে যাওয়ার পর সাদা কাপড়টা একটু মুখ থেকে সরিয়ে দেওয়া হলো। কেমন সুন্দর গোলগাল মুখ।
ইমনের আর বুঝতে বাকি রইলো না, তার বোন পৃথিবী দেখার পূর্বেই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেলো।
সন্ধ্যায় সবাই চলে যাওয়ার পর ইমন কবরের সামনে গিয়ে দাড়িয়ে রইলো আর তার দুচোখ বেয়ে পানি পরতে লাগলো।
দাদি পিছনে দাড়িয়ে বললো, "তুই তো তোর বোনকে তোর দেয়া নামে একবারও ডাকতে পারলি না।"
সে তনয়া বলে একবার ডাক দিলো
বাতাসে সেই শব্দ আবার উচ্চারণ হলো
হলো,
তনয়া, তনয়া।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now