♦টক খোর♦ "মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মফিজুল (০ পয়েন্ট)
X
বিয়ের দুই বছরে প্রায় আট মাস পর শশুর বাড়িতে বেড়াতে গেলাম আমার বউ ডেইজিকে নিয়ে। এবারের প্ল্যান এক সপ্তাহ থাকবো আর খাবো কারন অফিস থেকে এক সপ্তাহ ছুটি পেয়েছি। এক সপ্তাহ থাকার প্ল্যান আবার বউকে বলিনি। অবশ্য ডেইজি শশুরের ছোট মেয়ে। সে হিসেবে জামাই আদর অনেকটা বেশি পায়। শাশুড়ি, দুই মেয়ে, এক ছেলে নিয়ে শশুরের পরিবার। আমার একমাত্র শালা ব্যবসা করে, খুব টাকা।
শশুর বাড়ি গেলাম। প্রথমদিনই গরু ভুনা, মুরগির রোস্ট ভুনা, কলিজা, চিংড়ি ভুনা সহ শাকসবজি ভরপুর রান্না করেছে। রাতে আরামসে তাদের সাথে খেলাম। এত মজার খাবার খাওয়ার জন্যই তো আসা।
খেয়ে রুমে এসে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুললাম। ছোট করে বললাম, "আহা কি শান্তি!"
ডেইজি বললো, "খুব তো খেয়েছো তা কতদিন থাকার মতলব নিয়ে এসেছো শুনি?"
মুচকি হেসে আঙুল দিয়ে গুনতে গুনতে বললাম, "এই তো বউ মাত্র ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭ দিন বেশি না।"
বউ আঁড়চোখে তাকিয়ে বললো, "এতদিন তার মানে তুমি আমার বাপের বাড়ি জোঁকের মতো চুষে খাওয়ার প্ল্যান করে আসছো?"
"ছিঃ বউ এসব কি বলো? তুমি আমাকে জোঁকের সাথে তুলনা করো?"
"করবো না তো কি হা।"
একটু অভিমান করে বউকে বললাম, "ছিঃ ছিঃ আমার শশুর আব্বা কে কত ভালোবাসি আমি। ভালোবেসে এটুকু কি খেতে পারিনা। শশুর বাড়িতে থাকতে পারিনা। কালই চলে যাবো আমি। এই অপমান সহ্য করার নয়। আর আসবো না তোমার বাপের বাড়ি।"
বউ তাল মিলিয়ে বলছে, "আরে যাও যাও আমার বাপের টাকা বাঁচবে। তোমার মতো হাঁদারাম জামাইকে না খাইয়ে একটা গরুকে খাওয়ালেও চলবে।"
"ছিঃ বউ এটা তুমি বলতে পারলা?"
এমন সময় আমার শশুর আব্বার ডাক পড়লো, "এই কইরে আমার জামাই? ও ডেইজি জামাইকে নিয়ে আয় খাবার টেবিলে।"
ডেইজি জবাব দিলো, "জি আব্বা আসতেছি।"
ইশ! শশুর আব্বার ডাক শুনে মন মেজাজ আবার ফুরফুরে হয়ে গেল। মুখে হাসি ফুটলো আমার। আবার কি খেতে ডাকছে। আহা খালি খাওন আর খাওন! ডেইজি আমার দিকে তাকালো। আমিও হাসিটা লুকিয়ে মুখটাকে আঁধার করে রাখলাম। ডেইজি বললো, "চলো বাবা ডাকে।"
হুড়মুড় করে খাটে বসা থেকে উঠে বেশ একটা ভাব নিয়ে বললাম, "হ্যা চলো চলো।"
খাবার টেবিলে গিয়ে দেখি, জলপাই, বরই ও তেঁতুলের আচারে ভরা তিনটা কাচের বয়াম। আচারে সরিষার তৈল দেখেই তো আমার জিভে জল এসে পড়লো। সামলে নিলাম। শশুর আব্বা আমার দিকে তাকালো। একটা মুচকি হাসি দিলাম। শশুর আব্বা বললো, "বসো জামাই চেয়ারে। এই মাঝে মধ্যে আমরা একটু টক খায়। তাই এগুলো রাখা। তুমি আসছো ভাবলাম তোমাকে একটু খাওয়ায়। সেই যে ৮ মাস পর আসলে।"
মনে মনে বলি, 'আমি তো শুধু খাবো না সুযোগ পেলে বয়াম সহ বাসায় নিয়ে যাবো।'
আমি যে টক কি পরিমাণ পছন্দ করি তা বলে বোঝাতে পারবো না। কিছু টক খোর মেয়ের চাইতেও বেশি আমি খায়। সারাদিন আমি টক খেতে পারবো আর কিছু খায় বা না খায়। টক দেখলেই আমার জিভে গন্ধ টের পায়। শশুর আব্বা ছোট একটা প্লেটে তুলে দিতে দিতে বললো, "তোমার শাশুড়ী নিজের হাতে বানিয়েছে, সেই মজা হয়েছে খেলে ভুলবে না। স্বাদ মুখে লেগে থাকবে।"
আমিও একটু পাম দিয়ে বললাম, "হ্যা শাশুড়ী আম্মার হাতের রান্না তো দারুণ। সো এটাও প্রশ্নই আসে না। হেব্বি তো হবেই।"
"বাহ! এই ডেইজি তুইও নে, হাত দে, হাতে দেয়।"
ডেইজির হাতে দেওয়ার পর শশুর আব্বা খুশি হয়ে আরো দুইটা করে বাড়িয়ে দিলো আমাকে। হাত দিয়ে খেতে লাগলাম। উফ মুখে দিতেই মন চাচ্ছে আচারের বয়াম তিনটা কোথাও নিয়ে একা বসে বসে খায়। এত মজা আমার প্রচুর হিংসা হচ্ছে এগুলো দেখে। যা দিয়েছে তাই খেয়ে ঘুমাতে আসলাম। লজ্জা শরম রেখে আর চাইতে পারিনা।
ডেইজি আর আমি দুজনে শুয়ে পড়লাম। ডেইজির ঘুম চলে এসেছে শুয়ে পড়তেই। কিন্তু আমার ঘুম আসছে না, ঐ টকের স্বাদ এখনো যেন মুখে লেগে রয়েছে। মোবাইলে সময় দেখলাম রাত একটা বেজে তেইশ মিনিট! হঠাৎ মাথায় বাজে বুদ্ধি ভর করলো। এই টক আচার আমার শেষ করা চাই-ই চাই! সবাই যেহেতু ঘুমিয়ে পড়েছে। মোবাইল টা সাইলেন্ট মোডে রেখে উঠে আস্তে আস্তে করে খালি পায়ে এগোচ্ছিলাম। আমার ছোটকালে এভাবে চুরি করে হাঁটার প্র্যাকটিস আছে। রুমের দরজা খুলে রান্না ঘরের দিকে এগিয়ে গেলাম। রান্না ঘরের দরজা খুলে মোবাইলের লাইট জ্বালিয়ে খুঁজতে লাগলাম কই রাখা আছে। প্রায় দশ মিনিট খুঁজলাম কিন্তু কোথাও পাচ্ছি না। না পেয়ে মাথা খারাপ হয়ে যাচ্ছিলো। হঠাৎ মনে পড়লো রাতে তো আচার ঠান্ডা খেয়েছিলাম।
ফ্রিজ খুলতেই পেয়ে গেলাম আমার সেই মূল্যবান রত্ন। আগে তেঁতুলের আচারের বয়াম টা নিলাম। ওটাতে অর্ধেকই আছে। বয়াম টা নিয়ে হেঁটে হেঁটে শোবার রুমে চলে এসে খাটে সুন্দর করে বসে খেতে শুরু করলাম। ডেইজি ঘুমে মগ্ন, রাতে খুব ঘুমায়। কোনো হুশ থাকে না। সাথে একটা বাটি আনলাম। খেয়ে বিচি গুলো বাটিতে রাখছি। আহা! সেই স্বাদ।
খেতেই আছি খেতেই আছি। খাওয়ায় আমি পুরো মগ্ন। হঠাৎ ডেইজি নড়েচড়ে উঠলো। আমি ধপাধপ শুয়ে পড়লাম বয়াম টা কাঁথার ভেতর লুকিয়ে।
প্রায় এক ঘন্টা ধরে খেতে খেতে বয়ামের তলায় সামান্য রেখে বয়ামের ঢাকনা লাগিয়ে আবার উঠে পড়লাম। গিয়ে হঠাৎ মাথার বুদ্ধি লোপ পেল। এখন কি করা যায়? চোখে পড়লো রান্না ঘরের জানালা। বয়ামটার ঢাকনা খুলে জানালার সাথে বয়ামটা রাখলাম। বয়ামের ঢাকনা টা ফ্লোরে ফেলে রাখলাম যাতে বুঝতে পারে জানালা দিয়ে কিছু এসে খেয়েছে। বিচিগুলো জানালার পাশে কিছু বাইরে কিছু ফ্লোরে ছিটিয়ে দিয়ে বাটিটা ধুয়ে রেখে আমি কেটে পড়লাম। তারপর আরামের ঘুম।
সকাল সাড়ে আটটার দিকে ঘুম ভাঙলো। পাশে ডেইজি নেই। আমি উঠে পরিস্কার হয়ে লিভিং রুমের দিকে গেলাম। শশুর আব্বা পেপার পড়ছিলো। আমাকে দেখে বললো, "জামাই উঠেছো, জামাই জানো কাল রাতে কে যেন তেঁতুলের আচার সামান্য তলানিতে রেখে বাকি সব খেয়ে ফেলেছে?"
আমি অবাক হওয়ার ভান করে বললাম, "কি বলেন শশুর আব্বা! এ আবার কেমন কথা! এ কাজ কে করতে পারে!"
"হ্যা জামাই, খুব খারাপ লাগলো। বাট বাড়িতে এমন খাওয়ার কেউ নেই। কে খাবে এভাবে? নিশ্চয় জ্বিন ঢুকেছে। একমাত্র জ্বিনের দ্বারাই এভাবে খাওয়া সম্ভব!"
"চলেন শশুর আব্বা গিয়ে দেখি একটু। আমাকে একটু দেখান কিভাবে কি পেয়েছেন। আমি এসব ভালো বুঝি, বাড়িতে ছোটকালের আমার অভিজ্ঞতা আছে।"
শশুর আব্বা আমাকে রান্না ঘরে নিয়ে গিয়ে বুঝালো এভাবে ওভাবে। আমিও তারপর তাল মিলিয়ে বলতে লাগলাম, "শশুর আব্বা আপনি সঠিক বলেছেন। এভাবে একমাত্র জ্বিন এসে খেয়েছে। একদম মিলে গেছে।"
শাশুড়ী আম্মা কপাল কুঁচকে জিজ্ঞেস করলো, "কিন্তু জামাই জানালা তো বন্ধ ছিলো। জ্বিন ঢুকবে কিভাবে?"
জানি আচার সরিয়ে ফেলতে পারে, তাই বুদ্ধি করে বললাম, "হয়তো কাল জানালা খোলা রেখেছিলেন ভুলক্রমে শুধু টেনে রেখেছিলেন জানালাগুলি। লক লাগাননি। তাই জ্বিন ঢুকতে পেরেছে। এরকম ঢুকে আমি আগেও শুনেছি এমন। আশা করি আর ঢুকবে না। টেনশন করার দরকার নাই শাশুড়ী আম্মা।"
শশুর আব্বা বললো, "আর বলো না জামাই। তোমার শাশুড়ী একটু বেশিই চিন্তা করছিলো। যাই হোক তোমার কথায় আশ্বাস পেলাম।"
আমার কথায় শশুর শাশুড়ি শান্ত হলো। তারা জানে আমি অনেকটা সৎ ও অনেক কিছু জানি এসবে। তাই তাদের বোকা বানানো হলো। আসলে বাটপার হলাম এই টক জিনিস দেখে। লোভ সামলাতে পারিনা আচার জাতীয় জিনিস দেখলেই। এদিকে আমার বউ ডেইজি আবার অনেক ভদ্র। আমার নামে বদনামি কখনো করেনি বা কিছু বলে না মানে যা ঘটবে সব আমি আর তার মাঝে মিটমাট হবে সব কিছুতে। যা বলে আমাকেই বলবে রুমে। তাই হলো। রুমে এসে দরজা লক করে বললো, "বাহ! কি নায়ক আমার জামাই। কত কিছু জানে। শশুর বাড়িতে হিরো হয়ে গেছে।"
ডেইজির মুখ চেপে ধরে বললাম, "আরে জান আস্তে বলো শুনতে পাবে তো। এত সুনাম করতে নেই, হার্ট অ্যাটাক করবো তো।"
শশুর আব্বার সাথে বাইরে ঘুরলাম, খেলাম, রেস্ট করলাম। রাতে খাওয়ার সময় হলো। আজকে আমার টার্গেট জলপাই আচারের বয়াম, ওটা শেষ করবো। রাতের খাওয়া সেরে ঘুমাতে আসলাম। খাটে শোয়ার পর ডেইজি বললো, "আচ্ছা এটা কেমন কথা? টক জিনিস জ্বিনে এসে খায় বুঝলাম না কিছু?"
"আরে ঘুমাও সেটা পরে বুঝাবো বাড়ি গেলে।"
ডেইজি আর কিছু না বলে শুয়ে পড়লো লাইট নিভিয়ে। আমি তো আজ সজাগ। জলপাই আচার শেষ করবো। ডেইজি ঘুমিয়ে পড়লে কিছুক্ষণ ফেসবুকিং করি। রাত ১২ টা বাজলে উঠে পরি। তারপর আস্তে আস্তে আবার জায়গামতো গিয়ে রান্নাঘরের দরজা খোলা রেখে জলপাই আচারের বয়াম বের করে রান্না ঘরের দরজার সাথে হেলান দিয়ে বসেই খেতে শুরু করেছি। খাচ্ছি খুব মন দিয়ে। ৭-৮ মিনিট পর আওয়াজ আসলো, "এই কে? কে ওখানে?"
বুকটা কেঁপে উঠলো। কারন শাশুড়ী আম্মা দূরে দাড়িয়ে আছে। আজকে আমি শেষ। আমি দাড়িয়ে গেলাম, মুখ আর নড়ে না। আধারের মধ্যে শাশুড়ী আম্মা আমাকে দেখতে পাচ্ছেন না। হাত থেকে ধপাস করে বয়ামটা পড়ে ভেঙে আচার যা ছিলো পড়ে গেল। শাশুড়ী আম্মা চিল্লাচ্ছে, "এই জ্বিন জ্বিন আবার জ্বিন ঢুকেছে।"
এই যে ডাক শুনলাম এক দৌড়ে শাশুড়ী আম্মার পাশ কাটিয়ে রুমের দরজা খুলে লক দিয়ে ওয়াশরুমে ঢুকে টয়লেটে বসে পড়লাম। এদিকে শশুর শাশুড়ী দুজনেই রুমের দরজা ধাক্কাচ্ছে। ডেইজিকে ডাকছে, "ডেইজি এই ডেইজি দরজা খোল তোর রুমে জ্বিন ঢুকেছে।"
ডেইজি উঠে দরজা খুলে বলে, "কি বলছো আম্মা?"
শাশুড়ী আম্মার কাঁপা গলায় বলছে, "হ্যা হ্যা আমি দেখেছি জ্বিনটাকে। আজকেও জ্বিনটা আচার খাচ্ছে। আমি বাথরুমে যাওয়ার জন্য উঠে দেখি জ্বিনটাকে। তারপর চিৎকার করলে সে তোর রুমে ঢুকে পড়ে বাতাসের মতো।"
আমি ওয়াশরুম থেকে সব শুনতে পাচ্ছি, ওয়াশরুমে পানির কল ছেড়ে মুখ ধুচ্ছি। শশুর আব্বা বললো,
"কিরে তোর জামাই কই?"
আমি ওয়াশরুম থেকে ঠান্ডা মাথায় আওয়াজ দিলাম,
"এই তো শশুর আব্বা আমি ওয়াশরুমে।"
মুখ ধুয়ে সাবান দিয়ে ভালো করে হাত ধুয়ে বের হলাম। শশুর আব্বা বললো, "ও জামাই আবার নাকি জ্বিন এসেছে ঘরে।"
"কি বলেন শশুর আব্বা এসব? আবার কিভাবে?"
"তোমার শাশুড়ী মা দেখেছে জ্বিনকে। সে নাকি এ রুমে দৌড় দিয়ে ঢুকে পড়েছে।"
শাশুড়ী আম্মা বললো, "আমার সন্দেহ লাগছে। জামাই ঠিক তোমার মতোই লেগেছে। জামাই এটা আবার তুমি নাতো?"
শশুর আব্বা বললো, "কি বলো এসব ছিঃ আমার জামাইকে? আক্কেল জ্ঞান কিছু নাই তোমার?"
এদিকে বুক কাঁপতেছে আমার। তারপরও খুব ঠান্ডা মাথায় জবাব দিচ্ছি, "আরে কি যে বলেন শাশুড়ী আম্মা আমি কেনো হবো। রাতে খেয়ে খুব পেটে মোচড়ানি দিলো তাই বাথরুম সারলাম।"
শশুর আব্বা আমাকে সাপোর্ট দিয়ে বললো, "কিছু মনে করো না জামাই, আশংকা করে বলেছে। আচ্ছা আমরা যায় ঘুমাও।"
"জি শশুর আব্বা কিছু মনে করবো কেনো? আচ্ছা ঠিক আছে।"
ডেইজি কথা বলতে চাইলেও না বলে শুয়ে পড়লাম লাইট নিভিয়ে। মনে মনে তখনি ভাবি নাহ কালই চলে যাবো সকাল সকাল। আর থাকা যাবে না। হঠাৎ আবার দরজায় ঠুকা পড়লো শশুর আব্বার, "জামাই দরজাটা খুলো। তোমার মোবাইল পাওয়া গেছে আচারের তেল মাখানো অবস্থায়।"
আমি তো জায়গায় ফিট। আর নড়াচড়া নাই আমার। আচার খাওয়ার সময় মোবাইল ফ্লোরে রেখেছিলাম। নিয়ে আসতে আর মনে ছিলো না। শাশুড়ী আম্মা তখন বললো, "আমি না তোমাকে বলেছি। এটা জামাইয়ের মতো লাগছিলো।"
ডেইজি আমাকে ধাক্কা দিয়ে ডাকছে। আমি তো নড়ছি না। মরার মতো হয়ে আছি চোখ বন্ধ করে। শেষ আজ আমার মানইজ্জত সব গেছে। আমি এভাবে শুধু আচার চুরি করে খাওয়ার জন্য এত তামাশা করে ফেললাম, পাড়ার লোকেদের কাছে এই কথা গেলে কি হবে তা ভাবতে পারছি না। মরে যায় মরে যায় অবস্থা। ভাবতেই পারছি না আর। মন চাচ্ছে এখনি ধুম টু-র হৃত্বিকের মতো মাটির নিচে ঢুকে পড়ি।
হাত পা ঠান্ডা হয়ে গেছে! বিদায় পিতিবি!
টক খোর
©anayet ullah Raihan
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now