বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
মেয়েটি তৃতীয় শ্রেনীতে পড়ে।দেখতে যেমন কিউউট ঠিক ততটাই ইচড়ে পাকা।প্রথম দিন মেয়েটির মা সর্তক করে দিলেন তার মেয়ে গুচ্ছিয়ে মিথ্যা বলতে পারে এবং সহজে কাউকে বিপদে ফেলতে পারে।মেয়েটির বাবা বাইরে থাকেন এখানে মেয়েটি তার নানু ও মায়ের সাথে থাকে।হঠাৎ ৩ মাস পর মেয়েটি মা বললেন তাসনিন তোমার আংকেল এ মাসে আসবেন সে আসলেই তোমার সম্মানিটা দিবো।আমি বললাম ঠিক আছে আন্টি।
.
.
আমিঃ সে দিন পড়াতে গেলাম দরজা নক করার পর একজন হুজুর টাইপের লোক দরজা খুললেন।আমি তাকে সালাম দিয়ে ছাত্রীর কথা বললাম।
হুজুরঃ জি তুবা আছে। আপনি আসুন আমি ডেকে দিচ্ছি।
ছাত্রীঃ কিছু ক্ষন পর ছাত্রীর আগমন।সে আজ অনেক খুশি।আমি তাকে বললাম যে দরজা খুললেন সে তোমার কি হয়?? (আমি ভেবেছি লোক টা ছাত্রীর বাবা)।
ছাত্রীঃ আমার ছোট মামা একটি মসজিদের ইমাম এখনো পড়ছেন।যানেন ম্যাম মামা এখনো বিয়ে করেনি মামা না প্রেম ও করে না।মামা খুব সুন্দর কিন্তু এই বিকালে রোদ বেশি তো তাই কালো লাগছে।
আমিঃ এই বার থামো অনেক কথা হয়ছে।পড়া শুরু করো।
ছাত্রীঃ কিছুক্ষণ পর ম্যাম আমার মামার নাম কি জানেন??? আমার মামার নাম তাহসান আর আপনার নাম তাসনিন দেখছেন কত মিল??
আমিঃ খুব রেগে এবার পড়বা না লাঠির পিটান খাবা??
ছাত্রীঃ ২৫ মিনিট পর ছাত্রী বললো ম্যাম একটু ভিতরে যাবো পানি খাবো??
আমিঃ যাও তারাতারি আসবে।
মেয়েটার পড়ার রুম ও তাদের রান্না ঘর পাশেই।আমি তাদের সব কথা শুনছি
ছাত্রীঃ যানো মা কি হয়েছে??
হুজুরঃ কি হয়ছে আম্মু??
ছাত্রীঃ যানো মামা ম্যাম না তোমার কথা জানতে চেয়েছে।
ছাত্রীর মাঃ কি হয়ছে তাতে??
ছত্রীঃ যানো মা ম্যাম জানতে চেয়েছেন মামা বিয়ে করছে কি না,মামা কি প্রেম করে কি,,ম্যাম এই সব জানতে চেয়েছেন।
আমিঃ স্তব্দ হয়ে বসে রইলাম এই টুকু মেয়ে এত মিথ্যা কথা বলে কি করে?? সে দিন অপমানে, না বলেই চলে এলাম।
পরের দুদিন আর পড়াতে যায়নি তৃতীয় দিন আন্টি ফোন দিয়ে যেতে বললেন আমি গেলাম।ছাত্রী ক্ষমাও চাইলো আমি সব ভুলে মেয়েটি কে পড়াচ্ছি।এর পর থেকে হুজুরের সামনে পড়লেই লজ্জা আর অসস্থি লাগতো।
বেশ কিছু দিন পর আন্টি বেশ গম্ভীর মুখে এসে বললেন তাসনিন তুমি না কি বলেছো আমার ভাই তোমাকে দেখে চোখ টিপ দেয়??
তখনই আন্টির সামনেই কেঁদে ফেলে এবং বলি আন্টি আমি আর তুবা কে পড়াবো না।আন্টি অনেক ডেকে ছিলেন আর পিছনে ফিরিনি।৩ দিন পর গভীর রাতে ফোন এলো আমি চোখ বন্ধ রেখেই ফোন রিসিভ করেই বললাম কে??? ফোনের অপর পাশ থেকে একটি ভারি কন্ঠ সালাম দিয়ে বলেন বোরকাওয়ালি দেখি সালাম দিতে ভুলে গেছেন।ভুল ধরিয়ে দেওয়ার জন্য তাকে ধন্যবাদ দিয়ে পরিচয় জানতে চাইলাম কন্ঠ টি বললো আমি তাহসান তুবার পক্ষ থেকে আমি ক্ষমা চাইতেছি ও তো বাচ্চা ওকে মাপ করে দিয়ে আবার পড়াতে আসবেন অনুরোধ রইলো।
আমিঃ তুবা কে ক্ষমা অনেক আগেই করেছি কিন্তু আমি আর ওকে পড়াবো না।
হুজুরঃ বললো আচ্ছা।
.
সেই থেকে শুরু...
আজ তুবার বিয়ে আমার ছেলের সাথে(আমার ভাসুরের ছেলে আমি তাকে বড় করেছি আমাকে মা ডাকে)।হুম সেই হুজুর টি এখন আমার পাঞ্জাবীওয়ালা।আর ছোট তুবা যা যা করেছিলো সব আমার হুজুর চকলেট ও আইসক্রিমের লোভ দেখিয়ে তুবা কে দিয়ে করিয়েছেন।আমার ৪ ছেলে ২ মেয়ে তবুও আমার হুজুর টা এখনো বদলাইনি।এখনো মাঝে মাঝে সাদে গিয়ে আমায় ফোন করে বলবে আমার বোরকাওয়ালী একটু নীল সাড়িটা পরে সাদে আসবে?? তোমার সাথে জোসনা বিলাস করবো??
.
.
.
টিউশনি.......
তৈয়েবা তাসনিন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now