বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
তিতুনি এবং তিতুনি পার্ট ৮২
"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ʀɪᴍᴜ (০ পয়েন্ট)
X
আব্বু বললেন, “বাইরে কোথায় যাব? জার্নি করে এসেছি, হাত মুখ ধুয়ে ফ্রেশ হওয়ার ব্যাপার আছে। বাচ্চারা কিছু খায়নি।” নাহার বলল, “পাশে আরেকটা ট্রেইলার আছে, সেখানে বাথরুম আছে, স্ন্যাকস আছে, চা-কফি আছে, রেস্ট নেয়ার ব্যবস্থা আছে, দরকার হলে শুতেও পারবেন। আপনাদের সেখানে রেস্ট নেয়ার ব্যবস্থা করে দিচ্ছি।”
জটিল যন্ত্রপাতি বোঝাই একটা চেয়ারে তিতুনিকে রীতিমতো বেঁধে আটকে রাখা হয়েছে, সেখান থেকে তিতুনি করুণ চোখে আব্বু আম্মু আর টোটনের দিকে তাকাল। এলিয়েন তিতুনি তার দিকে তাকিয়ে ছিল, তার মুখে একটা ফিচলে হাসি। তিতুনির মনে হলো এই হইচইয়ের মাঝেই সে সূক্ষ্মভাবে একবার চোখ টিপে দিয়েছে সেটাই ভরসা। দরকার হলে এই ধুরন্ধর মেয়েটা নিশ্চয়ই তাকে উদ্ধার করবে।
ট্রেইলার থেকে বের হয়ে যখন আব্বু, আম্মু, টোটন আর এলিয়েন তিতুনি পাশের ট্রেইলারের দিকে যাচ্ছে তখন টোটন গলা নামিয়ে এলিয়েন তিতুনিকে বলল, “তিতুনি—”
“বলো ভাইয়া ।
“আমি কি তোর সাথে একটু নিরিবিলি কথা বলতে পারি?” “আমার সাথে?” এলিয়ে তিতুনি একটু অবাক হয়ে টোটনের দিকে তাকাল ৷
“হ্যা। আয় আমাদের বাসার সিঁড়িতে গিয়ে বসি।”
“চলো।” তখন দুইজন হেঁটে হেঁটে গিয়ে তাদের সিঁড়িতে গিয়ে বসল। টোটন কিছুক্ষণ চুপ করে বসে রইল, তার আঙুলগুলো পরীক্ষা করে বলল, “এই যে পৃথিবীতে একটা এলিয়েন চলে এসেছে এইটা অনেক বড় একটা ঘটনা, চিন্তার বাইরের ঘটনা। তুই ছাড়া দুনিয়ার আর কেউ সেটা জানত না। তুই নিশ্চয়ই খুব ভালো করে সবকিছু করেছিস, সে জন্যে এলিয়েনের সাথে তোর এত খাতির হয়েছে। এত বন্ধুত্ব হয়েছে।”
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now