বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
তিতুনি এবং তিতুনি পার্ট ৭৩
"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ʀɪᴍᴜ (০ পয়েন্ট)
X
অন্য-তিতুনি মাথা নাড়ল, বলল, “হ্যা। যখন তোমরা সবাই ভেতরে খুঁজতে গেছ তখন এলিয়েনটা সিলিং ফ্যানের পাখাটার উপর বসে ছিল, সে জন্যে কেউ খুঁজে পায় নাই।"
বিদেশি দুইজন যেহেতু অন্য তিতুনির কথা বুঝতে পারছিল না তাই তাকে সব কথা অনুবাদ করে শোনানো হচ্ছিল। তারা টিশটাশ মেয়েটিকে দিয়ে অনেক রকম প্রশ্ন করে যাচ্ছিল কিন্তু অন্য -তিতুনি কথাবার্তা বলছিল আম্মু, আব্বু আর টোটনের সাথে।
আম্মু বললেন, “তার মানে মাঝরাতে যে ফ্রিজ খুলে খাচ্ছিল সেটি এলিয়েন?" অন্য-তিতুনি মাথা নাড়ল, “হ্যা আম্মু। ঠিক আমার মতো হয়েছে বলে তার মানুষের মতো খিদে পায়।”
আম্মু বললেন, “ওমা! সে তো একেবারে তোর মতো। আসলে
তোর মতো না, আসলে তুই।"
“হ্যা মা! আরেকজন আমি।”
“তুই আমাকে একবার বললি না? বেচারি কোথা থেকে এসে একা একা এই পৃথিবীতে কত না জানি মন খারাপ করেছে। পৃথিবীর মানুষ নিয়ে একটা ভুল ধারণা নিয়ে যাবে না? ভাববে যে এখানে কারো ভেতরে কোনো মায়া নেই?"
বিদেশি দুইজন এবং তার সাথে সাথে তাদের টিমের সবাই এতক্ষণে একেবারে অধৈর্য হয়ে উঠেছিল, এবারে রীতিমতো জোর করে তারা অন্য-তিতুনির সাথে কথা বলার চেষ্টা করল। জিন্স, টি-শার্ট পরা শামীম বেশ গলা উঁচিয়ে বলল, “তিতুনি, তুমি আগে আমাদের কয়েকটা প্রশ্নের উত্তর দাও।”
অন্য-তিতুনি ঘুরে এবারে তার দিকে তাকাল, বলল, “কী প্রশ্ন?” শামীম কঠিন মুখে জিজ্ঞেস করল, “তুমি ঠিক ঠিক বলছ যে এলিয়েনটা দেখতে একেবারে হুবহু তোমার মতো?” অন্য-তিতুনির একটু হাসি পেয়ে গেল, বলল, “আমি এই মাত্র
আমার আম্মুকে সেটা বলেছি, আপনি শুনেননি?”
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now