বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
তিতুনি এবং তিতুনি পার্ট ৬১
"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ʀɪᴍᴜ (০ পয়েন্ট)
X
ঢাকায় বড় ফুপুর ফ্ল্যাটটা বড় রাস্তার উপরে, ফ্ল্যাটের বারান্দায় দাঁড়িয়ে দেখা যায় রাস্তা দিয়ে বাস, গাড়ি, টেম্পো যাচ্ছে এবং আসছে। অন্য-তিতুনি প্রায় পুরো সময়টাই বারান্দায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে বাস, গাড়ি, টেম্পো আর মানুষ দেখল। রাস্তার দুই পাশে ফুটপাথ, বেশিরভাগই নানা ধরনের হকাররা দখল করে রেখেছে, যেটুকু ফাঁকা আছে সেখান দিয়ে পিলপিল করে মানুষ যাচ্ছে আসছে। প্রত্যেকটা মানুষেরই নিজের একটা জীবন আছে এবং সবাই নিজের মতো কিছু একটা ভাবতে ভাবতে যাচ্ছে-আসছে, সেটা অন্য তিতুনি খুবই মনোযোগ দিয়ে দেখল। সন্ধ্যেবেলা যখন একটা একটা করে বাতি জ্বলে উঠল, নিয়ন আলো দিয়ে রাস্তার দুই পাশ আলো ঝলমল করতে লাগল, সেটাও অন্য তিতুনি খুব মনোযোগ দিয়ে দেখল। তাকে এ রকম গভীর মনোযোগ দিয়ে রাস্তার দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখে একসময় মিলু জিজ্ঞেস করল, “তিতুনি আপু, তুমি কী দেখো?”
অন্য-তিতুনি বলল, “মানুষ দেখি।” “তুমি আগে মানুষ দেখো নাই?"
অন্য-তিতুনি ফিক করে হেসে ফেলল, বলল, “দেখব না কেন? দেখেছি। কিন্তু এই উপর থেকে পিলপিল করে হাজার হাজার মানুষ হেঁটে যাচ্ছে দেখতে খুব ভালো লাগে।”
মিলু কিছুক্ষণ এই খুব ভালোলাগার দৃশ্যটা দেখার চেষ্টা করল কিন্তু কিছুক্ষণেই তার ধৈর্য ফুরিয়ে গেল। মানুষদের দেখার কী আছে কে জানে?
সন্ধ্যেবেলা আম্মু বড় ফুপুকে নিয়ে একটু কেনাকাটা করতে বের হলেন। আম্মু যখনই ঢাকা আসেন তখনই একটু কেনাকাটা করে নিয়ে
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now