বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
তিতুনি এবং তিতুনি পার্ট ৩৬
"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ʀɪᴍᴜ (০ পয়েন্ট)
X
অন্য-তিতুনি বলল, “ভাইয়ার কম্পিউটার গেমের মতো।”
টোটন না শোনার ভান করে সামনে তাকিয়ে রইল। শেষ পর্যন্ত ভিড়টা পার হয়ে মাইক্রোবাসটা বড় রাস্তায় উঠে পড়ল এবং তখন হঠাৎ করে সবাই বুঝতে পারল এই ড্রাইভার একেবারে পাগলের মতো গাড়ি চালায়। আব্বু কয়েক মিনিট সহ্য করার চেষ্টা করলেন, তারপর বললেন, “ড্রাইভার সাহেব, করছেন কী? আস্তে গাড়ি চালান অ্যাক্সিডেন্ট হবে তো।"
ড্রাইভার গাড়ির স্পিড কমানোর কোনো নিশানা দেখাল না, গুলির মতো ছুটিয়ে নিতে নিতে বলল, “আমি মতি ড্রাইভার, সতের বছর থেকে গাড়ি চালাই, কুনোদিন এসকিডেন্ট হয় নাইক্কা।"
আব্বু ‘এসকিডেন্ট' শব্দটাকে শুদ্ধ করার কোনো চেষ্টা করলেন না, বললেন, “আগে কখনো এসকিডেন্ট হয় নাই মানে না যে এখন হতে পারে না। আস্তে চালান।”
মতি ড্রাইভাই বলল, “আমি আস্তেই চালাবার লাগছি বস।
আপনারা বাচ্চাকাচ্চা নিয়া উঠছেন তাই পুরা স্পিড এখনো
দেই নাইক্কা।” কথা বলতে বলতে সে বিপজ্জনকভাবে একটা ট্রাককে ওভারটেক করে সামনের দিক থেকে ছুটে আসা একটা বাসের মুখোমুখি হয়ে গেল, একেবারে কপাল জোরে মুখোমুখি অ্যাক্সিডেন্ট থেকে বের হয়ে রাস্তা থেকে ছিটকে বের হতে হতে আবার রাস্তায় চলে এলো। মতি ড্রাইভার হা হা করে হেসে বলল, “দেখলেন বস? হইচে এসকিডেন্ট? হইচে?”
আব্বু নিঃশ্বাস আটকে রেখে বললেন, “না হয় নাই। কিন্তু হতে পারত।”
“হবে নাইক্কা। কুনোদিন হয় নাই।”
মতি ড্রাইভার বিকট স্বরে হর্ন বাজাতে বাজাতে রাস্তা দিয়ে প্রায় উড়ে যেতে লাগল। বাস-ট্রাক ওভারটেক করে যখন খুশি রাস্তার অন্য পাশে যেতে থাকল এবং উল্টো দিক থেকে আসা গাড়িগুলোকে
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now