বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
তিতুনি এবং তিতুনি পার্ট ২৯
"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ʀɪᴍᴜ (০ পয়েন্ট)
X
“অনেক তাড়াতাড়ি সরে গেছি তো, তাই।” “অনেক তাড়াতাড়ি সরেছ তো কী হয়েছে? সরতে দেখা যাবে
না কেন?”
“যখন ফ্যানের পাখা ঘুরতে থাকে তখন তুমি সেটা দেখো?” তিতুনি চোখ বড় বড় করে বলল, “তুমি ফ্যানের পাখার মতো তাড়াতাড়ি যেতে পারো?”
অন্য-তিতুনি প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে কেমন জানি ঘাড় ঝাঁকাল। উত্তর দিতে না চাইলে আসল তিতুনি যেভাবে ঘাড় ঝাঁকায়। চাদরের নিচ থেকে বের হয়ে মেয়েটা ফিসফিস করে জিজ্ঞেস
করল, “তুমি কাল ঢাকা যাচ্ছ?”
তিতুনি একটা নিঃশ্বাস ফেলে বলল, “আমি যেতে চাই না।” মেয়েটা মাথা নাড়ল, বলল, “জানি।”
“কিন্তু না যেয়ে উপায় কী? যেতেই হবে।” মেয়েটা আবার মাথা নাড়ল, বলল, “জানি।”
“তোমাকে এই দুই দিন একা একা থাকতে হবে। তুমি তো আর
আমাদের সাথে মাইক্রোবাসে ঢাকা যেতে পারবে না।"
মেয়েটা একটা নিঃশ্বাস ফেলে বলল, “জানি।” “যখন আমি নাই তখন তোমার বাইরে ঘোরাঘুরি করা ঠিক হবে
না। পরিচিত কেউ দেখে ফেললে অবাক হয়ে যাবে।”
মেয়েটা আবার একটা নিঃশ্বাস ফেলে বলল, “জানি।” তিতুনির তখন তাদের স্কুল এবং ফাক্কু স্যারের কথা মনে পড়ল। জিজ্ঞেস করল, “আচ্ছা, আজকে ক্লাশে কী হয়েছিল? তুমি ফাক্কু স্যারকে টাইট করেছ?”
“নাহ্ সে রকম কিছু না। শুধু ব্রেনের ভেতর আকার-উকার বলার অংশটা মুছে দিয়েছি। এখন ঠিক করে কথা বলতে পারছে না।”
তিতুনি বলল, “আমি যখন বললাম হোম ওয়ার্কের কথাটা ব্রেন থেকে মুছে দিতে তখন রাজি হলে না, এখন পুরো আকার-উকার মুছে দিয়েছ? এখন কোনো দোষ হয়নি?”
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now