বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

তিনি আক্ষেপের সাথে বলেন

"ছোটদের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান নাসরুল্লাহ (০ পয়েন্ট)

X তিনি আক্ষেপের সাথে বলেন, কে বা আর এখন স্মরণ রাখে আমার কথা। এখন স্বাধীনতা ও বিজয় দিবসের মতো মহান দিনগুলোর রাষ্ট্রীয় কর্মসূচীতে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক হিসেবে আমাকে কেউ ডাকেন না। যদিও ডাকে তাও স্থানীয় শিশু নিকেতনের অধ্যক্ষ হিসেবে। তাই আমি নিজের মতো করে শহীদ মিনারে যাই এবং ঘরে ফিরে এসে স্মরণ করি সেই দিনগুলি। নানা জটিলতার কারনে যুদ্ধকালীন তার সহযোগিদের অনেকেই এখনও মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি না পাওয়ায় তিনি ক্ষুব্ধ। রাষ্ট্রের কাছে তার দাবি, জীবনের শেষ ক্ষণে সকল সহযোদ্ধাদের মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে দেখতে চান তিনি। হাতীবান্ধা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ফজলুল হক বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার নজরুল ইসলাম আমাদেরকে মুক্তিযুদ্ধের জন্য উৎসাহিত করার পাশাপাশি ভারতের শীতলকুচিতে নিয়ে গিয়ে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছিলেন। তিনি পাকিস্থানি পতাকা পুড়িয়ে হাতীবান্ধার ডাকাবাংলা মাঠে প্রথম বাংলার পতাকা তুলেছিলেন। এছাড়াও যুদ্ধকালীন সময়ে পাকিস্তানী সেনাদের প্রবেশে বাঁধা দিতে তার নেতৃত্বে লালমনিরহাট-বুড়িমারী রেলপথের অন্যতম ভাকারি ব্রীজটি উড়িয়ে দেয়া হয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধে তার এই অনন্য অবদান দেশ ও জাতি কখনই ভুলবে না।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ তিনি আক্ষেপের সাথে বলেন

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now