বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৭

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ʀɪᴍᴜ (০ পয়েন্ট)

X ঝাঁকা চিনেবাদাম। দেখে বোঝা যাচ্ছে কোন চিনেবাদামওয়ালার কাছ থেকে ঝাঁকাসহ কিনে নেয়া হয়েছে। রিকশাওয়ালা খুব উৎসাহ নিয়ে জিনিসপত্র নামিয়ে দিল, কথা শুনে বুঝতে পারলাম সকালে যে রিকশাওয়ালাকে নিয়ে বের হয়েছেন, সেই সারাদিন মা আর খালেদকে নিয়ে ঘুরেছে। বড় চাচ। খুব রেগে আছেন, আমি জানি পারলে আমার মাকে একেবারে চিবিয়ে খেয়ে ফেলতেন, কিন্তু মায়ের সাথে কারো রেগে কথা বলার সাহস নেই। শুধু ছোট চাচা বললেন, ভাবী, এতো দেরি হল, কোন অসুবিধে হয় নি তো? না। আজকাল মানুষজন অনেক ভাল হয়ে গেছে। নিজে থেকে এসে সাহায্য করে। ব্যাঙ্কের ম্যানেজার অনেক সাহায্য করলেন। মায়ের কথা শুনে বড় চাচ৷ চোখ কপালে তুললেন, তাঁর ধারণা পৃথিবীতে সব মানুষ চোর আর বদমাইস, সবাই একে অন্যকে ঠকানোর চেষ্টা করে, তার মাঝে খুব সাবধানে থাকতে হয়। শুকনে৷ গলায় মা'কে জিজ্ঞেস করলেন, ডলারে কত রেট পেয়েছ? তা তো জানি না। ম্যানেজার যা দিল। বড় চাচাকে দেখে মনে হল তাঁর হার্ট অ্যাটাক হয়ে যাচ্ছে। খাবি খেয়ে বললেন, দে-দে-দেখি। খালেদের কাছে পাসবই আছে। বাচ্চা ছেলে তাই আমার সাথে জয়েন্ট একাউন্ট করতে হল। তো তো তোমার সাথে? বড় চাচা ভাঙা গলায় বললেন, আর কারো সাথে করলে ভাল ছিল না? কোন পুরুষ মানুষ দরকার পড়লে যেন যেতে পারে। দায়িত্বশীল কেউ দরকার হবে না। আমি পুরো চেকবইয়ে সাইন করে খালেদকে দিয়ে দিয়েছি। এখন তার যখন দরকার, সাইন করে তুলে নেবে চে-চে-চেক সাহন করে দিয়েছ? স-স-সব চেক? হ্যাঁ, মা গলা নামিয়ে বললেন, ব্যাঙ্কে অবশ্য কোন টাকা আছে কিনা জানি না। টাকা তুলে যা একটা কাণ্ড করল ! বড় চাচা সাবধানে একটা চেয়ারে বসে দুর্বল গলায় বললেন, কি কাণ্ড? নিউমার্কেটে যে বাচ্চা ছেলেরা মিস্তির কাজ করে, সেরকম একজন ছিল সাথে। দুপুরে যখন খাওয়ার সময় হল খালেদ বলল, তাকে নিয়ে খাবে। সেই মিস্তির আবার অনেক সঙ্গী সাথী। সবাইকে নিয়ে এক চাইনিজ রেস্টুরেন্টে— চা-চা-চাইনিজ রেস্টুরেন্টে? হ্যা, প্রথমে তো আমাদের ঢুকতেই দেবে না, গরিব ছেলেপুলে খালি পা, খালি গা, হাতে ঝাকা, কেন ঢুকতে দেবে? তখন কয়েকটা কলেজের ছেলে ছিল তারা হৈ চৈ শুরু করে দিল। বলল, ঢুকতে না দিলে ওরা পুরো রেস্টুরেন্ট জ্বালিয়ে দেবে!


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫২
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫১
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৫০
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৯
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৬
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৮
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৭
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৪৫
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩২
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩১
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ৩০
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৭
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৮
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ১৯
→ টি-রেক্স এর সন্ধানে পার্ট ২০

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now