বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
নেবেন।
খালেদ সব কথাবার্তা বুঝতে পারছিল বলে মনে হয় না তবু আন্দাজে ধরে নিল, মাকে নিয়েই কথা হচ্ছে। হাতে একটা কিল দিয়ে বলল, সুপার লেডি। দিনরাত বই পড়েন। কী সাংঘাতিক!
সবাই অবাক হয়ে খালেদের দিকে তাকাল। বই পড়া জিনিসটাকে এই বাসায় সময় নষ্ট বলে ধরা হয়। পাঠ্যবই না হলে সেটাকে 'আউট বই' বলা হয়। কম বয়সীরা ‘আউট বই' পড়লে নষ্ট হয়ে যায় বলে এই বাসায় 'আউট বই' পড়া নিষেধ। আমরা যদি পড়তে চাই লুকিয়ে পড়ি। ধরা পড়লে শক্ত মার খেতে হয়।
রাত্রে মানোর সময় আমি মা'কে জিজ্ঞেস করলাম, মা, তুমি ব্যাঙ্কে গিয়ে টাকা ভাঙাতে পারবে?
মা বই থেকে মুখ না তুলেই বললেন, কি টাকা?
খালেদ যে টাকা দিয়েছে।
মা অন্যমনস্ক গলায় বললেন, কোন খালেদ?
আমি বুঝতে পারলাম মা আমার কথা ঠিক শুনছেন না, তাঁর বইয়ে ডুবে আছেন।
আমি তাকে আর ঘাটালাম না।
পরদিন ভোরে সারা বাসায় একটা চাপা উত্তেজনা। আমার সন্দেহ ছিল যে, মা
হয়তো ভুলে গেছেন কিন্তু দেখলাম যা ভোলেন নি। ঘুম থেকে উঠে চা খেয়ে আলমারি
খুলে একটা ভাল শাড়ি বের করে পরলেন। আয়নার সামনে দাড়িয়ে চুল ঠিক করলেন, তাঁর হাতঘড়িটা বের করে সেটা চাবি দিয়ে চালানোর চেষ্টা করলেন, কিন্তু যে ঘড়ি দশ বছর চালানো হয় নি, সেটা চলতে রাজি হল না। মা ছোট চাচাকে ডেকে বললেন, তোমার ঘড়িটা দাও দেখি। ছোট চাচা তাড়াতাড়ি তাঁর ঘড়িটা খুলে দিলেন। মায়ের সুন্দর হাতে ছোট চাচার গোবদা ঘড়িটা খুব খারাপ দেখাতে লাগল কিন্তু মায়ের সেটা নিয়ে কোন মাথা ব্যথা হল
বলে মনে হল না। ছোট চাচা জিজ্ঞেস করলেন, আর কিছু লাগবে ভাবী?
না।
খুচরা টাকা আছে?
আছে। যা খালেদকে বললেন, চল বাবা। খালেদ আজকে কমলা রঙের একটা টি শার্ট পরেছে। বুকে লেখা 'সেভ দা
ট্রীজ’ – গাছকে বাঁচাও। গাছকে কেমন করে বাঁচায় কে জানে। তার ক্যাটক্যাটে সবুজ রঙের ব্যাগটা ঘাড়ে নিয়ে সে মায়ের সাথে রওনা দিল। মা যখন সিঁড়ি দিয়ে নামছিলেন তখন পিছু পিছু বাসার সবাই হেঁটে হেঁটে নামতে
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now