বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এখনো ঘুম লেগে আছে। হাত মুখ ধুয়ে কিছু একটা খাওয়া দরকার। আমাদের জন্যে কোন অসুবিধে নেই, কিন্তু খালেদের খাওয়া নিয়ে অনেক যন্ত্রণা ফোটানো পানি ছাড় কিছু খাওয়া নিষেধ, ভাল করে রান্না না করে খাওয়া নিষেধ। খোঁজাখুঁজি করে স্টেশনের বাইরে একটা রেস্টুরেন্ট বের করা হল, বাইরে তাওয়ায় পরোটা ভাজা হচ্ছে, গনগনে আগুন, কোন জীবাণু থাকার কথা নয়। আমরা সেই রেস্টুরেন্টে ঢুকে গেলাম।
কক্সবাজারের বাসে যখন উঠেছি তখন বেলা দশটা বেজে গেছে। বাসটা ছাড়তে একটু দেরি হল। বাসের ছাদে বস্তায় করে নানা রকম জিনিসপত্র তোলা হচ্ছে, বড় বড় টায়ার, কার্ডবোর্ডের বাক্স বোঝাই রঙচঙে জিনিস, তেলের টিন, কি নেই! বাস ছাড়ার কিছুক্ষণের মাঝেই শহর থেকে বের হয়ে এলাম, দু পাশে বিস্তীর্ণ মাঠ, বেশ লাগে তখন দেখতে। আমি খালেদকে জিজ্ঞেস করলাম, কেমন লাগছে খালেদ?
ভালই। তবে তবে কি?
মনে হচ্ছে শরীরের পার্টস সব খুলে আসবে।
কেন? ঝাঁকুনি দেখছ না?
আমি বেশ অবাক হলাম। চমৎকার রাস্তা, ঝাঁকুনির এমন কিছু চিহ্ন নেই। আমেরিকার রাস্তা কি মাখন দিয়ে তৈরি?
ভেবেছিলাম অভ্যেস নেই বলে এই ঝাঁকুনিতেই খালেদের শরীর খারাপ হয়ে যাবে। কিন্তু অবাক ব্যাপার, তার কিছু হল না, ঘণ্টা দুয়েক পর কথা নেই বার্তা নেই রাজু হড় হড় করে তার সামনে বসে থাকা মানুষটার ঘাড়ে বমি করে দিল। বমিতে আধা হজম হওয়া পরোটা, সবজি সব আলাদা আলাদা করে চেনা যায়। সামনের মানুষটি খুব বিরক্ত হল সত্যি কিন্তু বাচ্চা একটা ছেলে যদি শরীর খারাপ করে বমি করে দেয় তাহলে তো তার ওপরে বাগ করা যায় না। বাসটা থামানো হল একটু পরেই। একটা ছোট বাজারের মতন জায়গা। কয়েকটা দোকান, কিছু ফেরিওয়ালা, মাইক লাগানো একটা মসজিদ। বাসের সব মানুষ নেমে গেল, হাত পা ছড়িয়ে একটু হাঁটাহাঁটি করবে। রাজু যার ঘাড়ে বমি করে দিয়েছে সেই মানুষটিকে দেখলাম তার শাট খুলে খুব ভালো করে টিউবওয়েলে ধোয়ার চেষ্টা করছে।
বমি করার পর বোধ হয় রাজুর শরীর একটু ভাল লাগতে থাকে। দেখলাম সে কথাবার্তা বলা শুরু করেছে, বাসে এতক্ষণ চুপ করে বসেছিল। বাসের ওপর থেকে কিছু জিনিসপত্র নামিয়ে আবার অন্য জিনিসপত্র তোলা শুরু করেছে, মনে হয় বাস ছাড়তে একটু দেরি হবে। ছোট চাচা একটা সিগারেট ধরালেন এবং খালেদ সাথে সাথে তার লেকচার শুরু করল, বলল, সিগারেট খাওয়া আর নিজের মাথায় গুলি করার
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now