বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

The Adventure of All GJ's(7 and last)

"রোমাঞ্চকর গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান হৃদয় (০ পয়েন্ট)

X লেখক:::অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় MH2 অামি,মফিজুল অার তুষার ভাই বসে ভাবছি কী করা যায়।এমনসময় শুনলাম ঘরের ভিতর কীসের যেন চিৎকার হলো।আমরা স্থান কাল চিন্তা ভুলে ঘরে দৌড় দিলাম,ঘরে ঢুকেই দেখলাম কাব্য ভাই,অানিছ ভাই,শুভ্র ভাই,মাঝি ভাই অারও ৫ জন ওই লোকদের সাথে লড়াই করছে।লোকগুলোর অস্ত্রগুলো ছিলো দূরে,তারা সেগুলো অানতে চাইল,অামরা পরিস্থিতি বুঝে চিন্তা করতে লাগলাম।বুঝলাম অস্ত্রগুলো ফেলে দেওয়ার দরকার।তাই দ্রুত দৌড়ে গিয়ে অস্ত্রগুলো জানলা দিয়ে বাইরে ফেলে দিলাম।অামি শুধু হাতে একটা বন্দুক রাখলাম,অামি বুঝলাম ওই বিজ্ঞানী ব্যাটাই এদের গুরু।তাই ওর দিকে বন্দুক তদক করে ওর লোকদের থামতে বললাম,তারা থামল,অামি অন্যদের বললাম এদের বাধন খুল,বাঁধন খুলল ওরা।সাইম ভাই খুব খুশি হলো কারণ বাধা থাকার ফলে তার নাকি রক্তচলাচল বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল।ফারহান অার হৃদয় ভাইও খুব খুশি।ফারহান ভাবল কী তিক্ত অভিজ্ঞতাই না হল।অামি ওদেড কথা শুনছিলাম,এমন সময় মাথার পিছনে বাড়ি খেলাম,সব অন্ধকার হয়ে এল,অামি পরে গেলাম।কিছু মনে নেই।বেশিক্ষণ অজ্ঞান থাকি নি,১/২ মিনিট পর চোখ খুলে দেখলাম আবারও মারামারি শুরু হয়েছে,তবে অামাদের লোক বেশি,ওরা টিকতে পারছে না।ধীরে ধীরে লোকগুলো কাবু হয়ে গেল।সব ধরাশায়ী হয়ে গেছে।বিজ্ঞানীটা এইসময় বন্দুকটা তাক করল,অামি লক্ষ করলাম অামার কাছ থেকে ও বন্দুক নিয়ে নিয়েছে। সব কিছু নিস্তব্ধ হয়ে গেছে।বিজ্ঞানী বজ্রকন্ঠে বলল,"এবার কী করবে তোমরা,অামি চলে যাব এখান থেকে,কেউ নড়বে তো তার খুলি উড়িয়ে দিব।তারপর বাইরে গিয়ে এইঘরটাকে উড়িয়ে দিব,কেমন মজা?আমার সাথে লাগা,এর মজা টের পাবে।" সবাই ভয় পেয়ে গেল।ঘর নীরব,হঠাৎ সবাই লক্ষ্য করল বিজ্ঞানী পরে যাচ্ছে,আমি অবাক চোখে তাকিয়ে দেখলাম শুভ বিজ্ঞানীর হাতে বাড়ি মেরে তার বন্দুক ফেলে দিল।বিজ্ঞানী ওকে দেখে নি,সুযুগের সৎব্যাবহার করল ও।অামি হাফ ছেড়ে বাচলাম।হৃদয় ভাই অার মফিজুল অামার কাছে অাসল।সবাই বিজ্ঞানীকে নিরস্ত্র করল।ওই বিজ্ঞানী অামার দিকে কটমট করে তাকাল।তারপর তার অাঙ্গুলের অাঙটিতে একটা ক্লিক করল,আর অামরা তলিয়ে গেলাম নিচের কোনো গহ্বরে।কাব্য ভাই অার রনি ভাই বিজ্ঞানীকে ধরে পিছমোড়া করে বাঁধল।তারপর রেগে জিজ্ঞেস করল আমাদের কোথায় পাঠিয়েছে।বিজ্ঞানী বলল ওদের কুমিরের কাছে পাঠালাম।নিচেই একটা কুয়া অাছে,আর ওখানেই অাছে বিশাল কুমির। ওরা আমাদের জন্য হায়হুতাস করতে লাগল। এদিকে অামরা নিচে নামছি তো নামছি,পিছলিয়ে চলছি,কোথাও গড়িয়ে চলছি,শেষে একটা গর্তে পড়ে যেতে লাগলাম,দ্রুত গর্তের পারটায় ধরলাম,অামার হাটুতে ধরে মফিজুল ঝুলে অাছে,হৃদয় কোথায়?মফিজুল তাকে ডাকল,তার সাড়া নেই।আমরা ৩জন নিচে পড়েছি।অাধারে চোখ সয়ে অাসার পর বুঝলাম অামরা কোনো কুয়ায় পড়েছি,মফিজুলকে বললাম।হৃদয়কে ডাকতে লাগলাম,ও উত্তর দিচ্ছে না,নিচে কুয়ায় শব্দের প্রতিধ্বনি পরিবেশকে আরও ভূতুরে করে তুলল।কুয়ার পিচ্ছিল পরিবেশে অামার হাত ফসকে গেল।গভীর কুয়ায় আবার অামরা তলিয়ে যেতে লাগলাম,পাশে কয়েকটা লম্বা লতা দেখে তাতে ঝুলে পড়লাম।মফিজুলও দেখলাম ঝুলে অাছে। বললাম ওকে এভাবে লতা বেয়েই উঠতে হবে।হৃদয়কে ডাকলাম,এবার সারা পেলাম,ওকে বললাম অামাদের টেনে তুলতে,ও টানতে শুরু করল,নিয়মিত ব্যায়াম করায় ওর গায়ে অনেক জোর অাছে।ও দূরে পরেছিল,আমাদের ডাক শুনে কাছে আসল।আমাদের ও টেনে তুলল।নিচে কী একটা প্রাণীর পানি নাড়ানোর শব্দ অাসছিল।এবার অামাদের ভাবনা আমরা কী করে উপরে যাব।সত্যিই কী অামরা উপরে যেতে পারব? এদিকে রনি ভাই পুলিশকে ফোন করেছে।কাব্য ভাই রিমুট দিয়ে চেষ্টা করছে অামাদের তুলতে,কিন্তু কোনো কাজ হচ্ছে না,একটা সুইচ দেখল ও স্পিকারের চিহ্ন,টিপ দিল,ও আামাদের কথার শব্দ শুনতে পেল,ও বলল "মফিজুল আমার কথা শুনতে পাচ্ছ?" অামরা নিচ থেকে জানালাম আমরা সব শুনতে পাচ্ছি।আমরা বললাম,"কাব্য ভাই,পথ খুব পিচ্ছিল,ওঠতে পারছি না।"বললাম একটা রশি ফেলতে,ওরা ফেলল,আমাদের টেনে তুলল।ময়লা লেগে শরীর অদ্ভূত দেখাচ্ছিল।কাব্য ভাইকে ধন্যবাদ জানালম।কিন্তু সকল খুশি দূর হয়ে গেল যখন শুনতে পেলাম আামরা কুমিরের খাবার হতে যাচ্ছিলাম,তার পর কী হতো আর ভাবতে চাইলাম না,এরই মাঝে সকাল হলো।পুলিশ অাসল।জবান বন্দী নেওয়ার পর জানতে পারলাম ওরা চোরাই শিকারী,রাতে ওরা সাইলেন্সার লাগানে বন্দুক দিয়ে পশু শিকার করত,অার গেষ্ট হাউজে যা হতো সব ওই বিজ্ঞানীটাই করাতো।রাতে ওরাই অালো জ্বালত।রহস্য সমাধান হলো,শুধু একটা বাদে।কাব্য ভাইকে বললাম,ওনি এখানে আসল কী করে?ওনি বললেন ওই রিমুট টিপার পর সুরঙ্গ অাসল,আমরা নামলাম,তারপর এখানে আসলাম।যাই হোক জমবেশ একটা অ্যাডভেঞ্চার হলো।এবার গেষ্ট হাউজে অাসলাম,সবাই চিন্তা করছিল অামাদের জন্য,এরা হাফ ছেড়ে বাঁচল।সব রহস্যর কথা বললাম ওদের।এখানে অাসাটা সত্যিই সফল হলো।অনেক ভালো একটা অ্যাডভেঞ্চার পেলাম। -------------------------------------------------------------------------- এখন ছুটির অার মাত্র ৩ দিন অাছে।সবাই বসে আড্ডা দিচ্ছি।মফিজুল অার শুভ সকলের সাথে মজা করছে,কাব্য ভাই কবিতা লিখছে,কাব্য গ্রন্থটা শেষ করেছে,অনেক সুন্দর হয়েছে,বাড়ি গিয়েই এটা সে প্রকাশ করবে।রনি ভাই অার হৃদয় ভাই বিভিন্ন বই নিয়ে বসে অালাপ করছে।ওই দিকে মেয়েরা ইভা, পুস্প,রুবাইয়্যা অাপু,সুস্মিতা, শিখা,রেহনুমা অাপু,তাহিরা অাপু,তুবা অারফা সবাই আড্ডা দিচ্ছিল।অামি একা একা বসে বনটা দেখছিলাম।এই কয়দিনে সবার প্রতি এই জায়গার প্রতি খুব মায়া জন্ম নিয়েছে। যাবার দিন, অাজ সকলের চলে যাওয়ার দিন।সকলের চোখই ভিজে যাচ্ছে,অামার গলা ছেড়ে কাঁদতে ইচ্ছা করছিল।সকলের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে চলে অাসলাম।এদের ভালোবাসা কখনও ভুলব না।ওদের বললাম,আবার কখনও দেখা হবে নতুন কোনো অভিযানে। [সুপ্রিয় পাঠক পাঠিকারা অামি চরিত্রে নিজেকে কল্পনা করে পড়েছেন গল্পটা?অার অ্যাডভেঞ্চারটা কেমন লাগল?সবগুলো সিরিজ পড়েছেন?ভালো লাগলে কমেন্টে বলবেন।নতুন অারেকটা অ্যাডভেঞ্চার জিজের সকলকে নিয়ে করতে চাই।অাপনারা এরকম অারেকটা অ্যাডভেঞ্চারের গল্প চাইলে কমেন্টে জানান,অামিও লিখতে চাই।তবে আপনাদের মতটা জরুরি।অাচ্ছা ভালো থাকবেন এবং সকলকে ভালো রাখবেন] অাল বিদা,,,


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৬ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now