বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

The Adventure of All GJ's(3)

"সাইন্স ফিকশন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান হৃদয় (০ পয়েন্ট)

X লেখক:রহস্যমময় MH2. ভাই কবিতা লিখছিলেন অার অামি চারপাশে দেখছিলাম।হঠাৎ অামার নজর পড়ল প্রায় ০.৫ কি.মি. দূরে খানিকটা অালো অাসছে অার বন্য জন্তুরা ছোটাছুটি করছে, মনে হচ্ছে কোনো কিছুর ভয়ে তারা পালাচ্ছে।কাব্য ভাইকে বিরক্ত করলাম না।তবে রনি ভাইকে অার মফিজুলকেকে বললাম।টাওয়ারটা উচু হওয়ার ফলে ভালো করেই সুন্দরবন দেখা যায়।তারাও দেখল।তবে এটা কেন হচ্ছে?বনে তো অালো জ্বলার কেউ নেই? রনি ভাই বললেন মনে হয় বাউয়ালির দল এখানে অাটকা পরেছে তাই তারা রাত কাটাচ্ছে এখানে।অামরা এট মানলাম,তবে অামার মনে কেমন যেন একটা সন্দেহ হল।তবে সব সন্দেহ দূর করে অামরা কিছুক্ষণ বসে অাড্ডা দিলাম।তারপর ছেলেদের থাকার নির্দিষ্ট যায়গায় গিয়ে শুয়ে পরলাম। সকালে, সকালে সবাই জামাতে ফজরের নামাজ পরলাম।তারপর মেয়েদের দল অার কাব্য ভাই রান্নার ব্যাবস্থা করতে শুরু করলেন।অামার ব্যায়াম করার অভ্যাস তাই অামি ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ অার ডাম্বেল দিয়ে ব্যায়াম করতে থাকলাম।সবাই তারপর ছোটকাট কিছু কাজ করে তাদের রান্নায় সহায্য করলাম।এরপর রান্না ঘরে কাব্য ভাইয়ের করুন অবস্থা অাবারও দেখলাম,কিন্তু কী অার করব ইসরাত অার তোবা ঐশিকে সাথে নিয়ে কাব্য ভাইয়াকে ধরে রাখছে।বেচারা না পারছে কিছু সইতে, না পারছে কিছু বলতে,না পারছে কাজ ছাড়তে।কাব্য ভাইয়ার হঠাৎ মনে হল এরা তাকে এভাবে রান্নার কাজে লাগচ্ছে কেন।২ বছর অাগের কথা, ইসরাত:জনেন দুলাভাই অামি অামার অাম্মুর কাছ থেকে রান্না শিখেছি। কাব্য ভাই:অারে তুমি এখন রান্না শিখেছ, অার অামি কবে থেকে ভালো রান্না করতে পারি।(ভাব নিয়ে) রনি :অারে কাব্য ভাই,অাপনাকে পেলে অাপনার হাতের রান্না করা খাবার খাব। কাব্য ভাই মনে মনে বললেন কোন কুক্ষণে যে বলতে গেলাম অাল্লাহই জানে।রনি অার সবাই রান্না পারে না বলে বেঁচে গেছে। এবার,অামাদের কথায় অাসি, তাদের কাজে সাহায্য করার পর অামি অার বেশ কয়েকজন বাইরে বের হলাম।এবার দেখতে পেলাম,গেষ্ট হাউজের নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেক ভালো।বন্য জন্তু যাতে ঢুকতে না পারে তার জন্য চারপাশে পরিকা খনন করা হয়েছে,অার চারপাশে নেট জাল দিয়ে অাটকানো।গেটের কাছে,লেখা ""দয়া করে রাতের বেলা এখান থেকে বের হবেন না"।বুঝলাম বন্য জন্তুর ভয়ে রাতে বের হতে নিষেধ করেছে। যাই হোক,বাইরে বেরিয়ে কিছুটা পথ হাটার পর কয়েকজন লোকের সাথে দেখা হল।ভাবছেন সুন্দরবনে লোক অাসল কোথা থেকে।এর মূলত বাউয়ালি।গোল পাতা, মধু ইত্যাদি সংগ্রহ করাই এদের কাজ।তাদের সাথে কথা বললাম,তারা অঞ্চলিক ভাষায় কথা বলল,অামি কিছুই বুঝলাম না।তবে দক্ষিণ বাংলায় যারা থাকে তারা কিছুটা বুঝতে পারে ভেবে সবাইকে দেখলাম,অারে অামরা সবাই তো উত্তর দিকের মানুষ।তখনই হঠাৎ অামাদের পিছনে গাছের অাড়াল থেকে একটা মেয়ে কন্ঠ হেসে দিল।তাকিয়ে দেখি এতো পুষ্প।তার বাড়ি চট্টগ্রাম, মোটামোটি সে এই ভাষা বুঝতে পারে।সে তাদের বলা কথাটা অামাদের বুঝালো। পুষ্প:অামাকে না নিয়ে অাসলে এমনই হয় হৃদয় ভাই,। হৃদয়:তুমি রান্না ছেড়ে অাসলে কিভাবে? পুষ্প:পালিয়ে চলে এসেছি। মফিজুল এতোক্ষণ চুপ ছিল,কিন্তু ব্যাটাতো ভাষা বুঝে,অাঞ্চলিক ভাষার উপর তার দক্ষতা অনেক।সে অার পুষ্প কিছুক্ষণ কথা বলল।অামি হালকা হালকা বুঝলাম। একজন প্রবীণ বাউয়ালি বলল, "এটা কোথায় উঠেছেন সাহেব,এটাতে তো ভূত অাছে" সবাই বললাম, ""কী বললেন?"" বাউয়ালি বলল, "এখানে যুদ্ধের সময় গণহত্যা হয়েছিল।তারপর কয়েকজন এখানে ফাসি নেয়।তারপর থেকে অনেকেই এখানে ভয় পায়।তবে সরকার এটাকে গুজব বলে গেষ্ট হাউজটা বানায়।তবে এখানে যারা থাকে তারা সবাই ভয় পায়।শুধু কেয়ারটেকারটা ভয়েভয়ে এখনও অাছে।তবে রাঁধুনিরা সবাই পালিয়াছে।" অামি কিংবা রনি বাই বা ফারহানসহ কয়েকজন ভূতে বয় না পেলেও মফিজুল অার পুষ্প ভয় পেল।অামরা অারও কিছু জানতে চাইলে বাউয়ালি বলল," ""সাহেব এখানে (সুন্দরবনে) যায়গায় যায়গায় ভূতের অালো জ্বলে রাতে,অামিসহ অানেকেই দেখেছে।তবে যে ওই অালোর কাছে যায় সে অার ফিরে অাসে না।" অামি রহস্যের গন্ধ পেলাম,তবে অাপাতত তা বাদ দিলাম। উল্লেখ্য বাউয়ালির কথাটাকে অামি শুদ্ধ বাংলায় লিখলেও সে অাঞ্চলিক ভাষায় বলেছিল। বাউয়ালিরা তাদের কাজ করতে লাগল।অামি কিছুক্ষণ তাদের কাজ দেখলাম।তার পর চারপাশের সবুজে ঘেরা নির্জন অারণ্য দেখে সুবাহানাল্লাহ বলে অাল্লাহর শেজদায় পড়ে যেতে ইচ্ছা করছিল। চারিপাশে সবুজ অারণ্য দেখে নির্ঘাত কাব্য ভাই অনেক সুন্দর কবিতা লিখত,তবে সে রান্নায় ব্যাস্ত,তাই অামি নিজেই বললাম দুই এক লািন কবিতা, "চারিপাশে এই সবুজ অরণ্য, সৌন্দর্যে তা অতুলঐশ্বর্য মন্ডিত শোভায় তা অনন্য, এই নির্জন কোলাহলহীন প্রকৃতি, ভাষাতীত সৌন্দর্যেপূর্ণ অাকৃতি, দিয়েছে মনের কোণে অানন্দ জ্বালিয়ে, সবুজে সবুজময় অরণ্য সবুজকে ছাড়িয়ে তো তুমি বিলীন হয়েছ সবুজময়ে, অার কী বলব তোমার শোভা, এই বিশ্মিত নয়নে।" দুপুরে সবাই নিজেরর মতো অাড্ডা দিচ্ছে,তবে অামি ঘুমিয়ে পড়লাম.।তাই বিকেলে কী হলো তা বলতে পারব না,।সন্ধ্যায় অামরা ছেলেরা একদল এবং মেয়েরা অারেক দলে ভাগাভাগি হয়ে একেকজন একেক দিকে বসে গোল হয়ে লুডু খেললাম।ছেলরা একবার জিতে তো মেয়েরা অারেকবার জিতে।হারজিত চলল অনেক্ষণ।ঠিক হলো অাগামীকাল ক্রিকেট খেলা হবে। রাতে, রাতে অাবার সবাই বসে অাছি তবে অাবারও কালকের সেই অালো দেখতে পেলাম।সন্দেহ হল,কারণ বাউয়ালিরা এমন করে রাতে সবসময় থাকে না।অার তাছাড়া তারা বন দেবীর পূজা করে এবং রাতে ভূতের ভয়ে বনে থাকে না।তাহলে কারা এরা? কিছুক্ষণ পর,সবাই মজা করছিলাম,রামিশা অাপু অার রনি ভাইয়ার তর্ক অার ওইদিকে কাব্য ভাই অার শাহীনুর ভাইয়পর তর্ক সকলকে ভালোই বিনোদন দিল।রাত ১১ টার দিকে অনেকেই ঘুমিয়ে পরল।বাকি রইলাম অামরা কয়জন।তবে কিছুক্ষণ পর যা ঘটল তাকে কী বলব বুঝতে পারছিনা।কিছুক্ষণ পর,,, [কিছুক্ষণ পর কী হল তা জানতে চোখ রাখুন পরের পর্বে।সকলের এডভেঞ্চার সবে শুরু হয়েছে।তারপর কী হয় দেখতে থাকুন।বানানে বা লেখায় ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন অাশা করি]♥ চলবে,,,, অাল্লাহ হাফেজ।অাল বিদা


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৭ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now