বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
লেখক:::অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় MH2
অামাদের পরিকল্পনা মাফিক সব ঠিক হলো।অামরা সুন্দরবনের এই রহস্য সমাধান করব ঠিক করলাম।
পরের দিন,,,
অামরা পরিকল্পনা মাফিক ১০ জন যাত্রা করলাম।এরা হলো অামি,হৃদয় ভাই,রনি ভাই,মফিজুল,ফারহান,সামির,
অারাফাত ভাই,তুষার ভাই,মোজাহিদ
ভাই অার শুভ।অামরা গত রাত্রেই কোথায় অালো জ্বলে দেখেছিলাম।বাকি সবাই গেষ্ট হাউজেই থাকল,তাদের কাজ রাতের বেলা। তাদের বলে এসেছি,অামরা অাগামীকালও যদি না ফিরি তবে তারা যেন বনে ঢুকে।অামরা টর্চ লাইট নিলাম সাথে,ছুড়িও থাকল সাথে।জঙ্গলে লক্ষ্য বরাবর অগ্রসর হচ্ছি,তবে বনের সবদিকই একই রকম লাগে,সব ঝোপই এক,অামরা দেখলাম অামরা সব জায়গা হেটে ওই একই জায়গায় অাসছি,অাবার অাধ ঘন্টা মতো হাটলাম,অাবারও একই জায়গায় এসেছি।বুঝলাম কম্পাস ছাড়া চলবে না,যতোটা কাছে দেখাচ্ছিল ঠিক ততো কাছে নয়,অামরা অর্ধেক পথ অাসতে অাসতেই দুপুর হয়ে গেল,দুপুরের খাবার সাথে নিয়ে এসেছি,রাতেরটাও,খাবার খেলাম।সামনে পথ অারও কঠিন,ঝোপে ভরা,এগুনোর জন্য ঝোপ কাটতে হলো,এখানে অনেক কিছুর ভয় অাছে,বাঘ অাসতে পারে,তার জন্য তুষার ভাই রাইফেল নিয়েছিল,মোজাহিদ ভাইয়ের কাছে জঙ্গল কাটার জিনিস অাছে।তাছাড়া সাপের ভয়ও অাছে।পানির কাছে নোলা পানির কুমির থাকতে পারে।সবদিকে খেয়াল রেখে অগ্রসর হচ্ছি,লক্ষ্যের কাছে অাসলাম,বাড়িটা দেখতে পেলাম,সামনে যাব এমন সময় সামনে একটা সাপ দেখতে পেলাম,সাপটা বেশ বিষধর,রনি ভাই সাপটাকে মারল।সাপ দেখে অামরা দুই দলে ভাগ হয়ে গেলাম,এর পিছনে অারেকটা কারণ হলো ঘরে কেউ থাকতে পারে।সামনে যাওয়ার সময় হঠাৎ একটা কীসের যেন গন্ধ অাসল,অামি অার অামার সাথের সবাই সরে গেলাম,কিন্তু মোজাহিদ সহ ৫ জন অজ্ঞান হয়ে গেল।তাদের অামরা উদ্ধার করব বলে সামনে যাচ্ছিলাম,এমন সময় ১০ জন লোক বেড়িয়ে অাসল,অামরা লুকিয়ে পড়লাম।ওরা ওই ৫ জনকে নিয়ে গেল।অামরা সতর্কভাবে মুখে মাস্ক পড়ে সামনে ধীরে ধীরে যাচ্ছি।রহস্যময় মনে হচ্ছে সব কিছু,এরা কারা?
ওদিকে রাত হয়ে গেছে।গেষ্ট হাউজের সঙ্গীরা সবাই পাহাড়া দিতে লাগল।কয়েকজন ঘরের ভিতর পাহাড়া দিচ্ছে।কাব্য ভাই,সাকিব,ডেজার্ট ভাই,তাহিরা অাপু, ইভা এরা টাওয়ারটায় বসে বনের দিকে নজর রাখছে।ওরা অপেক্ষা করছে,কিন্তু কাওকে অাসতে দেখা গেল না,অপেক্ষার সময় যেন কাটতে চাইছে না।ঘরে বসেছিলেন রামিশা, বকুল ভাই,ধ্রুব ভাই।অার রান্না ঘরে একা পাহাড়া দিচ্ছিলেন রেহনুমা অাপু।হঠাৎ তিনি দেখলেন মাটির দিক থেকে ফ্লোরের একটা অংশ সরে যাচ্ছে, একদম নিঃশব্দে।তিনি বিস্ময়ের চরমে কোনো কথা বলতে পারলেন না,তিনি ভাবছেন,এটা কী করে সম্ভব হতে পারে?
কারা অাসছে?
ওইদিকে লোকজন ওদের নিয়ে ঘরে যাওয়ার সময় অামরা পিছু নিচ্ছিলাম।অামার জুতার বাধনটা খুলে যাওয়ায় অামি তা লাগাচ্ছিলাম,মফিজুল অার তুষার ভাইও অামার জন্য দাড়ালো।হৃদয় ভাই অার মোজাহিদ ভাই সামনে যাচ্ছিল,ওরা দরজা ফাক করতেই একটা হাত ওদের দুজনকে ভিতরে টেনে নিল।মোজাহিদের কাছে থাকা দাঁ অার ছুড়ি ওপরে ছাদে অাটকে গেল।বুঝলাম, মযাগনেট লাগানো অাছে,তবে তা নিশ্চয়ই তড়িৎ চুম্বক হবে,বিদ্যুৎ প্রবাহের সাহায্যে চলছে।তড়িৎ চুম্বকের সাহায্যে অনেক ভারী জিনিসও তোলা যায়,যা অকল্পনীয় শক্তির সমান।তবে যারা এই কাজগুলো করছে তারা যে কেউ ভালোমানুষ না,তা অামরা বুঝে গেছি।ঘরটার কোনো জানাল নেই,ফলে ভিতরে কী অাছে,তা দেখতে পাচ্ছি না।দরজার কাছে গেল মফি,হালকা ফাক করল দরজা,দেখেই চলে অাসল।
মফি::ভাইয়া,ভিতরে ওদের বেধে রাখা হয়েছে,অার ১০ জন মানুষের সাথে অারও একজন অাছে,অনেকটা বৈজ্ঞানিক টাইপের।
অামি::ওরা বিপদে,কী করে সাহায্য করব?কী করা যায়।
ওইদিকে রেহনুমা অাপু দেখল,একটা লোক উঠে অাসছে।তিনি জোড়ে চিৎকার দিলেন যখন লোকটা উপরে চলে অাসল তখন।কাব্য ভাই অার সবাই এসেই একে ধরল।বেধে ফেলল।ওকে বডি তালাশ করার পর পাওয়া গেল একটা রিমুট।রিমুট টেপে দিতেই,দেখা গেল একটা সুরঙ্গ অাছে,ঘরের নিচে।
অামি,মফিজুল অার তুষার ভাই ভাবছি কী করা যায়।চারপাশটা দেখতে লাগলাম।
[অাজ এটুকুই দিলাম,অাশা করি নিজেকে অামি নামক চরিত্রে কল্পনা করেছেন।কেমন লাগল?অ্যাডভেঞ্চার এখন মাত্র শুরু হলো।ভালো থাকুন সবাই এবং সকলকে ভালো রাখুন]
চলবে,,,
অাল বিদা,,,
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now