বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

The Adventure of All GJ's (4)

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান হৃদয় (০ পয়েন্ট)

X লেখক:ভৌতিক MH2 [সুপ্রিয় পাঠক এবং পাঠিকাদেরকে বলা হচ্ছে যে এই গল্পে নিজেকে যেন কল্পনা করতে পারেন,তার জন্য কিছুটা পরিবর্তন করা হয়েছে।এই গল্পের অামি এর জায়গায় নিজেকে কল্পনা করবেন,তাহলে ভালো করে উপভোগ করতে পারবেন] কিছুক্ষণ পর সবাই ঘুমিয়ে পড়ল।অামরা কয়েকজন ছাড়া।অামরাও অাড্ডা দিতে থাকলাম।হঠাৎ মনে হল ঘরের ভিতরে কিছু শব্দ হচ্ছে।প্রথমে সবাই মনে করলাম মনের ভুল কারণ কেউ কাওকে কিছু বললাম না।এসময় হঠাৎ একটু জোরে রান্না ঘরে শব্দ হল।অামরা ৬/৭ জন ছিলাম।বাকি সবাই ঘুমিয়ে পড়েছিল।তাই এই কয়জন যখন রান্না ঘরে গেলাম,দেখলাম কেউ নাই।সবাই অবাক হলাম।কাব্য ভাই,রনি ভাই,হৃদয় এরা বিষয়টাকে তেমন গুরুত্ব দিল না,কিন্তু এবারও অামার সন্দেহ হল।ওরা বলল মনে হয়, কোনো ইঁদুর বা বন্য প্রাণীর কাজ এটা।যাই হোক যখনই রান্না ঘর থেকে বের হব তখনই হঠাৎ ওয়াশরুমের ট্যাপ হতে পানি পরার শব্দ পেলাম।সেখানে গিয়েও একই দৃশ্য দেখলাম।কেউ নেই।যারা বাস্তবতাববাদী যেমন অামি, কাব্য ভাই,রনি ভাই,হৃদয় এরা ভাবল নিশ্চয়ই কেউ না কেউ এইকাজ করছে।কিন্তু কে?কে হতে পারে? এই প্রশ্নের অার সমাধান হল না।রাতে অার কোনো শব্দ হল না, বা কিছু ঘটল না।অামরা গেলাম ঘুমুতে। সকালে, সকালে সকলকে এই বিষয়টা বললাম।কিন্তু তারা অামাদের নিয়ে মজা শুরু করে দিল।ইভাতো বলল এটা অামাদের মনের কল্পনা,কাল থেকে নাকি অামরা ভয় পাচ্ছি ওই বাউয়ালির কথা শুনে। রামিশা অাপু তো একদম কাব্য ভাই অার রনি ভাইকে নিয়ে মজা শুরু করল।ভাগ্য ভালো এই মেয়ে অামাকে নিয়ে মজা করে নি।কিন্তু কাব্য ভাই এটা মানতে পারলেন না,তিনি যত বুঝাতে চান যে তিনি এটা ভূতের কাজ বলে মনে করেন না,ততই কেউ না কেউ এসে তার কথার বিরোধীতা স্বরুপ মজা করে।এরই মাঝে মফিজুল,কাব্য ভাই,রনি ভাই,হৃদয়কে নিয়ে মজা হয়ে গেছে।অামি এককোণে বসে ভাবছি এবারই মনে হয় অামকে নিয়ে মজা শুরু হবে।এই ছেলে মেয়ে গুলো এতো মজা করতে পারে জানতাম না।এরই মাঝে সুযোগ বুঝে অামি একটা যায়গা দিয়ে পালাব ভাবছি,কারণ চাচা অাপন প্রাণ বাঁচা বলে একটা কথা অাছে।তাই অাল্লাহর নাম নিয়ে একফাকে চলে অাসছি,হঠাৎ কেউ অামাকে পিছন থেকে হাতে টান দিয়ে ধরল।দেখি হিমুখ্যাত সেই বিখ্যাত অারাফাত ভাই।একে কি এখনই অাসতে হল? হায়রে কপাল অামার। অারাফাত ভাই জোরে চিৎকার দিয়ে বলল,দেখ এই ব্যাটা(অামার নাম ধরে) ভয়ে পালিয়ে যাচ্ছে।তখনই অামকে নিয়েও মজা করা হল।ভাবলাম অাচ্ছা বাদ দিই, রাতে ওরা দেখতে পাবে,এখন যত মজা করার করে নাও। সন্ধ্যায় অাগের দিনের মতো খেলা হল,তবে অামরা যারা ওই দিন বিষয়টা প্রত্যক্ষ করেছিলাম,তারা খেলায় মন দিতে পারছিলাম না।এইসময় হঠাৎ কোথা থেকে যেন সামির ভাই অাসল,এসেই রাগ দেখানো শুরু করল, সামির: দেখ সবারই মজা করার ইচ্ছা অাছে,ভালো কথা,কিন্তু টয়লেটের দরজা বন্ধ করা লাইট অফ করা কেমন মজা? রনি:এসব কী বলছেন সামির ভাই? কিছুই তো বুঝছি না। সামির:তাহলে শুনো,অামি টয়লেটে গিয়েছিলাম।টয়লেট তো বাইরের দিকে,ওখানে লাইট জ্বালিয়ে রেখে টয়লেটে গেলাম।১/২ মিনিট পর কেউ লাইট বন্ধ করে দিল,অার দরজাও বন্ধ করে দিল,অামি চিৎকার দিলাম, কে কে ওখানে?কিন্তু কেউ কিছু বলল না।কিছুক্ষণ পর এমনিতেই দরজা খুলে গেল।বাইরে এসে দেখি কেউ নেই।নিশ্চয়ই তোমাদের কাজ এটা? অামি:অারে সামির ভাই,অামরা কী করে করব বলুন?অামরা সবাই তো এখানে খেলছি। রনি ভাই,কাব্য ভাই এর তাহিরা অাপু বোঝানোর পর সামির ভাই বুঝল এটা অামরা কেউ করি নি।কিন্তু কে এটা করতে পারে?তবে কী এখানে সত্যিই কোনো জ্বীন ভূত অাছে? রাতে অাড্ডা দেওয়ার সময়,হৃদয় ভাই অাবারও ওই অালোটা দেখল।এবার সে সবাইকে বলল যে বাউয়ালিরা তো এভাবে একটানা রাতে ওখনে থাকে না।তাহলে এরা কারা? মফিজুল বলল,এখন ঘরের চিন্তাটা করো ভইয়া,পরে না হয় বাইরেরটা করবে।হৃদয় ভাইয়ের মতো অামারও মনে কেমন যেন খটকা লাগল।তবে এটা নিয়ে ভাবার অাগেই শুনলাম,একটা মেয়ের চিৎকার।নিচে অাসতেই দেখি তুবা অাপু চিৎকার দিয়েছিল অার সে কাঁদছে,অারফা অার ইভা তুবা অাপুর কান্না থামানোর চেষ্টা করছে।তাকে জিজ্ঞেস করলেও কিছু না বলেই কাঁদছে,তাকে পানি খাওয়াতে বললাম।সে স্বাভাবিক হলে বলল, তুবা:অামি ওয়াশরুমে গিয়ে হাত মুখ পরিষ্কার করছিলাম।সোজা হয়ে দাড়াতেই মনে হল,কেউ যেন পিছন থেকে সরে গেল।মনের ভুল ভাবলাম। কিন্তু অাবার যখন এমন মনে হল তখন অায়নায় তাকালাম।দেখলাম একটা অর্ধ ঝলসানো মেয়ে মুখ অামার দিকে চেয়ে অাছে।মেয়েটার অর্ধেক মুখ পোড়া ছিল,অার চোখদুটো ছিল লাল লাল।অামি ভয় পেলাম, পিছনে ঘুরে দেখলাম,কেউ নেই, তাহলে অায়নায় এটা কে?অায়নায় তাকিয়ে দেখি,মেয়েটা অামার গলার দিকে হাত বাড়াচ্ছে,যেন অামাকে গলা টিপে মেরেই ফেলবে।অামি অার সহ্য করতে পারলাম না,অাতি কষ্টে মূর্ছা যাওয়ার কবল হতে নিজেকে বাঁচিয়ে বাইরে অাসলাম। সবাই এই ঘটনার পর রীতিমত ভয় পেলাম অার অবাক হলাম (একবার ভাবুন তো তুবা বা সামির ভাইয়ের সাথে যা ঘটল তা অাপনার সাথে ঘটলে কেমন হতো?) । সবাই বাকরুদ্ধ অবস্থায় বিরাজ করছি।এই সময় হৃদয় ভাইয়া বলল,তিনি কিছু হুযুর এবং ভূত এফ এম এর বাবু ভাইকে বলতে শুনেছে যে,টয়লেট বা ওয়াশরুম হলো জ্বীনদের প্রিয় জায়গা।তাই এটা সত্য জ্বীন হলে,অামদের সাবধান হতে হবে।অামি বললাম"তাহলে এখন থেকে টয়লেট বা ওয়াশরুমে যাওয়ার সময় কাউকে সাথে করে নিয়ে যেও।"সবাই সম্মত হল। অাবার অামরা টাওয়ারে উঠে চারপাশ দেখার সময় এই ব্যাপার নিয়ে অালোচনা করলাম।ফারহান বলল,কোথায় একটু মন ভালো করার জন্য এসেছিলাম,এখন কীসব হচ্ছে অামাদের সাথে।অামদের ব্যাপারটা ভাবিয়ে তুলল।শুভ ভাই বলল, এরকম চললে কী করে হবে।দেখলাম, কাব্য ভাই অার হৃদয় ভাই অামাদের সাথে না বসে কিছুটা দূরে বসে একমনে কী যেন ভাবছেন।তাহিরা অাপু কাব্য ভাইকে বলল,"কী এতো ভাবছেন?", কাব্য ভাই চিন্তার জগৎ থেকে চলে অাসল।তাকে এবং হৃদয়কে কেমন যেন চিন্তিত মনে হল।কাব্য ভাই বলল,কই নাতো কিছুই না।এমনি চুপচাপ বসে অাছি।তাদের চিন্তার কারণ তখন না বুঝলেও পরে অাসল সত্য বুঝতে পারতাম না,যদি না এই ঘটনাটা না ঘটত।,ঘটনাটা হলো, তাহিরা অাপু অার রামিশা অাপু অাড্ডা শেষে যখন তাদের রুমে গেল,তখনই তারা জোরে চিৎকার দেয়।অামরা নিচে নামলাম।কী হল জিজ্ঞেস করলে বলল,কিছু ছায়াকে এদের সাথে (মেয়েদের সাথে) শুয়ে থাকতে দেখলাম।অামরা চিৎকার দিতেই তারা যেন কোথায় চলে গেল।ইভা বলল",তোমরা কী পাগল নাকি?কেউ অামার পাশে শুয়ে থাকলে অামি জানব না?"।রামিশা অাপু বলল,"তুমি কেমন জানতে তা ভালোই জানতাম,কারণ তুমি ওই ছায়টাকে তোমার বালিশ ভেবে জরিয়ে ধরে অারামছে ঘুমাচ্ছিলে।" ইভা বলল",কীঈঈঈঈঈ....."।সে ভয় পেয়ে গেল।শাহী অাপু বলল,"তোমরা মনে হয় ভুল দেখেছ"।এবার কাব্য ভাই মুখ খুললেন," বললেন এরা মিথ্যা বলছে না"।হৃদয় ভাই তখন সত্যটা বলল,অার তা হল: ১ম দিন রাতে তোমরা যখন ঘুমিয়েছিলে,অামি অার কাব্য ভাই তখনও ছাদে ছিলাম।তোমরা ভেবেছিলে,অামরা চলে এসেছিলাম,কিন্তু না,অাসলে কাব্য ভাই কবিতা লেখায় এতটাই মগ্ন ছিল যে ভাইকে ফেলে অাসতে চাই নি।তাই অামি বসে বসে রাত উপভোগ করছিলাম।কিছুক্ষণ পর যখন অামরা ঘরে অাসলাম,দেখলাম প্রত্যেকের সাথে একজন করে শুয়ে অাছে।অামরা সাইডল্যাম্পের অালোয় দেখলাম যারা তোমাদের পাশে শুয়ে অাছে,তারা অার কেউ না,বরং তোমাদের মতোই দেখতে কেউ।ভাগ্য ভালো এই অাপুরা তাদের চেহারা দেখে নি।নাহলে ভয় পেত।" অামি বললাম,"তাহলে অামাদের জাগালেন না কেন?", কাব্য ভাই বলল,"তোমরা ভয় পেতে,অার ভ্রমণটা উপভোগ করতে পারতে না,তাই বলি নি।" অামরা এদের দুজনের কথা শুনে অবাক হলাম।ইভা বলল,"দুলাভাই অাপনি অাগে বললে অাপনাদের নিয়ে মজা করতাম না"।অামি বললাম"অাচ্ছা যা হওয়ার তা হয়ে গেছে,বাদ দাও।ুখন সবাই ঘুমিয়ে পর।' সকালে কেয়ারটেকার অাসলে তাকে বললাম।সে বলল,এরা এখানে থাকে,তবে কারও ক্ষতি করে না।" বাউয়ালিদেরকে হৃদয় ভাই জিজ্ঞেস করল,"তারা রাতে বনে থাকে কিনা?" তার বলল,"রাতে তারা বনের ধারেও অাসে না"।তাহলে অালো কে জ্বালায়? কারা তারা? তখনই হৃদয় ভাই অামাকে অার কাব্য বাইকে নিয়ে কিছু পরামর্শ করল। সে বলল, [ অামাদের পরিকল্পনা জানতে পরের পর্বে চোখ রাখুন।অাগে বলুন,নিজেকে কল্পনা করেছিলেন তো?এমন পরিস্থিতিতে অাপনার কেমন লাগত,কমেন্টে জানাবেন।অার নিজেকে অামি এর জায়গায় কল্পনা করে কেমন লাগল,অবশ্যই বলবেন] চলবে,,,, বিদায়


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৮ জন


এ জাতীয় গল্প

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now