বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
#তার_স্পর্শ
#পর্ব_(২)
#SaYeD CHy
পুরো কেদে আসলাম।চোখের জলগুলো নিয়ে রুমে ঢুকে গেলাম।আম্মু ডাক দিছিলো কিন্তু না রুমে গিয়ে চোখে জল গুলোকে বালিশের নিচে আশ্রয় দিলাম।
রিদা ফোন দিচ্ছে কিন্তু আমি কতক্ষণ ধরে বালিশের নিচে চোখ বুজে ছিলাম হিসাব নেই।আম্মুর স্পর্শে ওঠলাম।আম্মু কারণটা জানালে আমার ওপরই রেগে যায়।আসলেই আমার দোষ ছিল মানুষের সাথে অতিরিক্ত করা জন্য আমার দায়ী।যেভাবে হোক উজ্জ্বলের কাছে আমার ক্ষমা চাওয়া উচিত।
রিদা ফোন দিল.....
-তুই আমার ভাইকে কিছু মনে করিস না রাগের মাথায় কি করে ফেলেছে বুঝতে পারেনি আমি তার হয়ে ক্ষমা চাইছি!
-তুই ক্ষমা চাইছিস কেন? দোষ তো আমার ছিল আমি তোর ভাইয়ের অনেক ক্ষতি করেছি!
-তুই কিছু মনে করিস না!তুই যাবার পর আম্মুু ভাইয়াকে বকেছে!আম্মু সরি বলার জন্য কাল বিকালে ডেকেছে!
-আচ্ছা আমি আসবো!
কিন্তু মনে মনে ভাবছি উজ্জ্বল থেকে ক্ষমা ছেয়েনিব।আমার দোষ করে নিলে হয়তো আমাকে মাফ করে দেয়।
তাই একটা ভালো গিপ্ট দিয়ে ক্ষমা চাইলে কেমন হয়?আম্মুকে জিজ্ঞেস করলাম।আম্মু বলল ছেলেদের জন্য তার কোনো আইডিয়া নাই!
আমি মুখ বুজে ভাবছি কি হতে পারে যে সে আমাকে মাফ করে দেয়!রিদাকে জিজ্ঞেস করলে কেমন হয়?
কথাটা ভাবতে রিদাকে কল করলাম।
->হ্যালো<
->হুমম বল দোস্ত<
->তোর ভাইয়ের কাছে কি ভালো লাগে<
->কেন<
->বল না<
->ভাইয়ার পছন্দ হল শার্ট!<
->আচ্ছা<
->কিন্তু কেন বল<
- >তুই জেনে করবি<
কলটা কেটে বের হলাম মার্কেটে যাওয়ার জন্য।আম্মু ৫০০টাকার চকচকে নোট হাতে ধরিয়ে দিল। আমার কাছে আগের ৩০০টাকা আছে!
আমি মার্কেট এ গিয়ে শার্ট পছন্দ করছি। কিন্তু উজ্জ্বলের কোন রং পছন্দ? আবার রিদাকে কল দিলাম।
->হ্যালো<
->হুমম বল কি দরকার <
->তোর ভাইয়ের কোন রং পছন্দ?<
->নীল<
কলটা কেটে দিলাম রিদা কিছু বলার আগে।আমি একটা নীল শার্ট নিলাম।বাসায় এসে আম্মুকে দেখলাম।আম্মুও সুন্দর যখন বলেছে তাহলে উজ্জ্বলেরও পছন্দ হবে।
পুরো রাত যেমন তেমন করে কাটালাম।
সকালে উঠে নামাযটা পড়ার জন্য ওযু করতে গেলাম আম্মু নামায অনেক আগেই পড়ে এখন কোরান পড়ছেন।
আমি নামাজটা শেষ করে মোনাজাত ধরলাম আর বললাম আজ উজ্জ্বল আমাকে ক্ষমা করে দিক।
মোনাজাত শেষ কিচেনে গেলাম চা বানাতে।আম্মুর দেরি হবে বলে আমি চা বানিয়ে খাই।
আম্মু থেকে দেখাদেখিতে চা বানানো শিখেছি।
কিন্তু কিচেনে বেশিক্ষণ থাকা আমার জন্য বিরক্তকর।
আম্মু কখনো কখনো রাগ করে বলে বিয়ের পর আমি কি করবো?কিন্তু আম্মু তো এটা জানে না বিয়ের পর জামাইয়ের হাতে চা খাবো!
চা খানা বানিয়ে নিজের রুমে গেলাম।জানালার পাশে আমার চেয়ার। সেখানে বস চা খাচ্ছি।ফুলের ওপর পানির ফুটা দেখে বুঝতে পারলাম কাল বৃষ্টি হয়েছে।পরিবেশটা ঠান্ডায় আর নিস্তব্ধতায় ছলছল করছে।সাথে একটা চা হলে তো কথাই চলে না।
আমি চায়ের চুশকি নিতে নিতে গ্লাসের তলানি চা খাওয়ার চেষ্টা করছি।আম্মু এসে গ্লাসটা হাত থেকে নিয়ে নিলো।
->তুই কি করছিলি?<
->কই কিছু না তো!<
->গ্লাসটা মুখে পুড়ে নিচ্ছিলি!<
->ওটা তুমাকে জানতে হবে না<
চায়ের গ্লাসটা রেখে আসলাম।
->খাওয়ার জন্য কিছু বানাবে<
->ডিম আর পারুটি খাবি?<
->কি ডিম পারুটি!!!!!!!<
->তাহলে বসে থাক ঘরে কিছু নেই!<
আমি মুখ পুলিয়ে নিজের রুমে বসে আছি।
চলবে,,,,,,,
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now