বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এটি পৃথিবীর সবথেকে বড় বিপর্যয়ের ঘটনা।যখন তাইগায় এক উল্কাপিণ্ড আঘাত হানে।ষাট কিলোমিটার ব্যাস জুড়ে সকল গাছপালা উল্টে গিয়েছিল।মাটি থেক হরিন গুলো সব উড়ে গিয়েছিল।আকাশে আগুনের ঝড় উঠেছিল।এই ঘটনাটা ঘটে 1908 সালে।রেকর্ডে আছে 800 কিলোমিটার দুরে কানস্কে একটি ট্রেন থেমে গিয়েছিল।ট্রেনের চালক মনে করেছিল ট্রেনের ভিতরে কোনো বিস্ফোরণ ঘটেছে।ষাট কিলোমিটার দুরে ভানোভার ছাউনিতে লোকে অজ্ঞান হয়ে পড়ে।তাদের মনে হয়েছিল যেন কাপড় চোপড়ে আগুন ধরে গিয়েছে।এদিকে এভেঙ্ক ছাউনিতে সব ছটফট করে মারা যাচ্ছিল যেন তাদের পুড়িয়ে মারা হচ্ছে।এরপর রুশ বৈজ্ঞানিক কুলিক উল্কাপিণ্ডটার তল্লাশি করতে চান।কোনো এভেঙ্ক তার সাথে যেতে রাজি হয়না।পরে দুজন আঙ্গারা ব্যাধকে তিনি ভাড়া করেন,সাথে একজন এভেঙ্কও ছিল।তখন তিনি বিপর্যয়স্থলের কাছে পৌছাতেই তিনি হতভম্ব হয়ে যাই।তিনি দেখেন যেখানে উল্কাপিণ্ড পড়েছে সেখানকার গাছগুলো সম্পুর্ণ খাড়া হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।শুধু তাদের ডালপালা গুলো খসে গেছে।কুলিকের কাছে তা ব্যাখ্যাতীত।খাড়া হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা গাছ গুলো কিন্তু সবই মরা।গাছ গুলো দেখে মনে হচ্ছে যেন খুটি পোতা।এই গাছের বনটার মাঝখানে তিনি একটি দিঘি দেখতে পেলেন।ধরে নিলেন যে উল্কাপিণ্ড পড়াতেই এই দিঘি তৈরি হয়েছে।
পরে তিনি দিঘিটা ড্রিল করার সিদ্ধান্ত নেন।এবং কিছু লোক নিয়ে এনে ড্রিল করালেন।ড্রিল করে যা দেখা গেল তাও একটা অবিশাস্ব ব্যাপার।ড্রিল করায় যা বেরিয়ে আসছে তা হলো পানির ফোয়ারা আর অনেক বছরের পুরনো কাদা।উল্কাপিণ্ডটার কোনো পাত্তাই নেই।এই ঘটনাটা এখনও বিজ্ঞানিদের ভাবাই।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now