বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

টাকাই সুখ দিতে পারে না

"শিক্ষা উপকরন" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান EvA AhMED (০ পয়েন্ট)

X এক গ্রামে এক ধনী লোক বাস করতো।তার নাম ছিল লুকমান। তার ছিল দুই মেয়ে আর দুই ছেলে। তিনি তার বৌ ও চার ছেলে-মেয়েকে নিয়ে বিদেশে বাস করেন।তিনি ডুবাইতে তাকতেন।তার বড় মেয়ের নাম তায়্যবা, দ্বিতীয় মেয়ের নাম তাহিয়া, বড় ছেলের নাম নাহিয়ান আর পরেরটার নাম আদনান। তিনি তার ছেলের ও মেয়ের প্রতি কোনো খেয়াল ছিল না। বৌ যখন প্রথম সন্তানের মা হবেন তখন লুকমান তখন তিনি বৌকে বিদেশ নিয়ে যান।তায়্যবা হওয়ার এক বছরের মাথায় লুকমান বৌকে দেশে পাঠায়।বৌ দেশের আসার কয়েক বছর তার আরো দুই ছেলে ও মেয়ে জমজভাবে হয়। তিনি দেশে আসেন বৌকে দেখাশুনার করার জন্য!! তিনি খুশী হন।বৌ বুঝতে পারে না দেশে এসে সে প্রতিদিন পাচ বা ছয় ঘন্টার জন্য বাইরে যান আর আসার পর কাপড়গুলা লিপস্টিক এর দাগ দিয়ে ভরা থাকত। বৌ বুজলেও তার প্রতিবাদ করতো না কারন তার বাপের বাড়ী ছিল খুবই গরীব সে স্বামির টাকা থেকে তার মা ও বাবা দেয়। কখনো সে স্বামির কাপড়ে চুল,গোতাম ছেড়া দেখতো। তারপর স্বামি আবার বিদেশ চলে যায়। সে কিন্তু মন খারাপের দেশে থাকে।তারপর তিনি আর কোনো কথা বলেন না শুধু নিজের বাবা-মার আর নিজের সুখের জন্য সহ্য করতে লাগলেন। তিনবছর পর আবার আসলেন তার স্বামি এবার তো বেশি হয়ে গেল তিনি একজন অপরিচিত মেয়েকে বাড়িতে এনে দাওয়াত খাওয়ান গা ঘেষে ঘেষে বসেন,মেয়েটির শরীরে হাত দেন, মেয়েটিও তাই করে। তারপর রাতও মেয়েটির সাথে এক বিছানায় হাতাহাতি মজা করেন। বৌ সব মুখ বুঝে সহ্য কর নে। দিন দিন লুকমান তার বৌ এর সাথে খারাপ আচরন শুরু করে সে বৌকে কয়েকরি সর্ট কাপড় মেয়েদের এনে দেখিয়ে বলতো লুকমান:-এই দেখতো এই সর্ট কাপরগুলা ওকে কেমন লাগবে?? বৌ:-কার জন্য?? লুকমান:-এই তো আমার ডারলিং এর!!!আচ্ছা এগুলা বেশি শর্ট হলে ভালো হবে তাই না কারণ রাতটা রোমান্টিক হবে বেশি বৌ:-আমার আর সহ্য হচ্ছে না কিসব বলছো তুমি?? লুকমান:-এই নে তুর ডিভোর্স কার্ড আমি তুকে ছেরে দিয়েছি বৌ:-না না আআআআআআআgjgjgj তারপর মেয়েটি তার বাপের বাড়ি চলে আসে। সে খুব সুখে আছে সে বুঝতে পারে যে............ "টাকাই সুখ দিতে পারে না ""সুখ দেয় স্বাধীন জিবন""


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ টাকাই সুখ দিতে পারে না

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now