বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
সুপার গ্লু
কোন জিনিস ভেঙে গেলে প্রথমেই আমাদের মাথায়
যে জিনিসটির কথা আসে সেটি হচ্ছে সুপার গ্লু। এই সুপার
গ্লুর উদ্ভাবনও হয়েছিলো নিতান্তই কাকতালীয়ভাবে!
১৯৪২ সালের কথা, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছে তখন। ড. হ্যারি
কুভার গবেষণা করছিলেন মিত্র বাহিনীর পক্ষ নিয়ে। তিনি
এমন একটি গান সাইট বানাতে চাইছিলেন যা মিত্র বাহিনীর
সৈন্যরা ব্যবহার করতে পারবে। কাজ করতে গিয়ে তিনি এক
ধরনের আঠা তৈরি করে ফেললেন যেটি খুব দ্রুত
ভীষণ শক্তিশালী বন্ধন গড়তে সক্ষম! কিন্তু গান সাইট
তৈরি নিয়ে ব্যস্ত থাকায় ড. কুভার তখন সেই আঠাটি নিয়ে খুব
একটা মাথা ঘামালেন না।
তারপর কেটে গেলো অনেক বছর। ১৯৫১ সালে ড.
কুভার কর্মরত ছিলেন ইস্টম্যান কোডাক কোম্পানিতে।
সেখানে প্লেনের ককপিটের উপরের আবরণের
জন্য তাপ প্রতিরোধী দ্রব্য তৈরি নিয়ে কাজ করছিলেন।
সেখানেই সেই নয় বছর আগেকার আঠা আবার উদ্ভাবন
করেন তারা।
যখন আঠাটি একজোড়া রিফ্রাক্টোমিটার প্রিজমের মাঝে
লাগালেন, তখন সবাই অবাক হয়ে দেখলো সেগুলো
অত্যন্ত শক্তভাবে একে অপরের সাথে লেগে
গিয়েছে! এবার আর নিজের আবিষ্কৃত আঠা “অ্যাডহেসিভ
সায়ানোঅ্যাক্রিলেট” কে অবজ্ঞা করতে পারলেন না
কুপার। বিশ্বে ছড়িয়ে পড়লো আজকের বহুল ব্যবহৃত
সুপার গ্লু।
⊙Collected
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now