বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
অনেককাল আগের কথা। একবার দুই ভাই সুখের খোঁজে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়ল। তারা শহর থেকে শহর পেরোতে লাগল, ঘুরে বেড়াতে লাগল গ্রাম থেকে গ্রাম। অনেক ঘোরাঘুরির পর হঠাৎ পথে এক বৃদ্ধের সঙ্গে তাদের দেখা। সাদা দাড়িওয়ালা বৃদ্ধের কাঁধে একটি ঝোলা। তিনি এগিয়ে এসে জিজ্ঞেস করলেন, বাছারা, তোমরা কোথায় যাচ্ছ?
দুই ভাই জানাল, তারা অনেক দিন ধরে সুখের খোঁজ করছে। এখনো মেলেনি।
শুনে বৃদ্ধ বললেন, ‘ও এই কথা! আমি তোমাদের সাহায্য করতে পারি।’ পকেটে হাত ঢুকিয়ে একমুঠো স্বর্ণমুদ্রা বের করলেন। এরপর দুই ভাইকে উদ্দেশ করে বললেন, তোমাদের মধ্যে কার এগুলো চাই?
বড় ভাইটি চটজলদি বলে উঠল, ‘আমার চাই!
’
বৃদ্ধ মুচকি হেসে এবার অন্য পকেট থেকে দামি রত্ন বের করলেন। রত্নগুলো সূর্যের মতো আলো ছড়াচ্ছিল। তিনি ভাইদের আবার প্রশ্ন করলেন, এগুলো কার চাই?
এবার বড় ভাই বলল, ‘আমার চাই।’
বৃদ্ধ বড় ভাইয়ের হাতে রত্নগুলো দিলেন। তারপর কাঁধ থেকে ঝোলাটি নামিয়ে বললেন, ‘এখন বলো, তোমাদের মধ্যে কে এই ঝোলাটি গ্রামে পৌঁছে দিয়ে আমাকে সাহায্য করবে?’
এবার বড় ভাইটি চুপ, কোনো উত্তর দিল না। কিন্তু ছোট ভাইটি যেই না জামার হাতা গুটিয়ে ঝোলাটি তুলতে গেল তখন বৃদ্ধ মৃদু হেসে বললেন, এটা গ্রামে পৌঁছাতে হবে না। ঝোলাটি তোমার, সোনা। এর ভেতরে যা আছে সবই তোমার।
ছোট ভাইটি ইতস্তত করে বলল, ‘না, এগুলো আমার হতে পারে না!’
বৃদ্ধ আদুরে গলায় বললেন, ‘নাও নাও। এগুলো আমার তরফ থেকে তোমার জন্য উপহার।’
ছোট ভাইটি ঝোলা খুলে নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিল না। এ কী? মূল্যবান রত্নে ভর্তি পুরো ঝোলা! মুখ তুলে বৃদ্ধকে ধন্যবাদ জানাতে গিয়ে দেখে, তখন আশপাশে কোথাও সে নেই! কোথায় যেন মিলিয়ে গেছে বুড়ো।
সংগৃহীত
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now