বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

স্পন্দন -3

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Kush Gayen (guest) (০ পয়েন্ট)

X আমার এইচএসসি পরীক্ষার আর এক মাস বাকি। তাই মা বলল পূর্ণাকে আর পড়াতে হবে না। সবসময়টা নিজের পড়াশোনায় ব্যয় কর এখন। পূর্ণার মা ও বলল এখন না পড়াতে, বলল এখন পড়াতে হবে না। তোমার পরীক্ষা ভালোভাবে মিটে যাক তারপর তোমার সুবিধা অনুযায়ী পড়াতে এসো। আমি আমার পড়ায় মনোনিবেশ করলাম। ঘর থেকে অনেক দিন বের হয়নি। পূর্ণার চিন্তা মন থেকে অনেকটাই দূরীভূত হয়েছে।এখন মনে শুধু পরীক্ষার চিন্তায় আছে। হঠাৎ একদিন পূর্ণা এসেছিল আমার বাড়ি। আমায় তিনশ টাকা দিয়ে বলেছিল বাবা পাঠিয়েছে সামনে আপনার পরীক্ষা না তাই। পূর্ণা সেদিন তার কর্কশ গলায় (পূর্ণাকে দেখতে রাজকুমারী হলেও গলার স্বরটা মানানসই না কিন্তুু তার বলা কথাগুলোর সুমধুরতা তাকে আমার কাছে যথার্থই পরিপূর্ণা করে দিয়েছিল) বলেছিল ভালোভাবে পরীক্ষা দিবেন, অবশ্য আপনি যে মেধাবী ফেল করলেও ষাট সত্তুর তো এমনিতেই পাবেন ।আচ্ছা আমি বাড়ি যাই আপনার পড়ায় ব্যাঘাত ঘটল। আসলেই সেদিন পড়ায় একটু ব্যাঘাত ঘটেছিল। পায়ের কোথাও কাটলে সেই জায়গা বারবার দেখলে যেমন ব্যাধা বেড়ে যায় তেমনি পূর্ণার আগমন সেদিন খানিকটা পুরোনো ব্যাধা জাগিয়ে তুলেছিল আমার মনে। আমার পরীক্ষা ভালোভাবেই শেষ হয়েছে।আশা করি ভালোই হবে ফলাফল। তাই দুই তিনটা বই নিয়ে বেড়াতে গেলাম মামার বাড়ি ।সেখানে জুটে গেল আরেক কন্যা (রাজকন্যা বললাম না কারণ তাকে দেখে আমার একটুও রাজকন্যা মনে হয়নি)। মিম আমায় রাজকুমার মনে করেছিল সম্ভবত কারণ ও নিজেই আমার আগেপিছে ঘুরত। আমি মিমকে শুধুশুধু কষ্ট দিতে চাই না তাই ওকে প্রথমেই আমি বুঝিয়েদিয়েছিলাম এটা সম্ভব না। আমি পূর্ণাকে যে শুধু পছন্দ করি এটা আমি নিজেই বিশ্বাস করি না কারণ শুধু পছন্দ করলে আমার ওর জন্য এত কষ্ট হত না। এটা সত্য আমি ওকে খুব ভালোবাসি কিন্তুু জানি আমাদের পরিবার এটা কখনোই মানবে না ।তাই ভালো রেজাল্ট আর ভাগ্যে কুয়েট পেয়ে চলে আসলাম খুলনায় মা-বাবা , কিছু বন্ধু আর পূর্ণাকে ছেড়ে (যদিও পূর্ণা কখন আমার ছিল না।)। বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবনটা মোটামুটি ভালোই কাটছিল কারণ আমি অনেক ভাল বন্ধু পেয়েছিলাম। পূর্ণা এবার কলেজে উঠেছে।আমি এবার একটু শান্তি চাই তাই ক্যাম্পাসের ব্যবহারিকের পাশাপাশি শুরু করলাম প্রমের সাধনা। ক্যাম্পাসের মেয়েদের সৌন্দর্য আমার চেখে যেন একটু বেড়ে গেল তবে অনেক মেয়েদের দেখতে আসলেই সুন্দর বলা যায় পূর্ণার থেকেও বেশী ।বন্ধুদের মুখে শুনেছি এখন কোনো প্রেম করলে সেটা বেশিরভাগ সময় নাকি বিয়েতে গড়ায়,শুনে একটু ভয় পেয়েছিলাম । আমার প্রেমের পক্তিমালাদের মধ্যে যার নাম আলাদাভাবে উল্লেখ করা যায় তার নাম হলো জান্নাত।একবার ক্লাসে জান্নাতের দিকে কয়েক বার তাকিয়েছিলাম জান্নাত খেয়াল করেছিল(মেয়েদের দিকে ছয় সাত কি. মি আগে থেকে তাকালেও তারা ঠিক টের পায়) ।আমার কিছু বন্ধুও টের পয়েছিল, তারাই এরপর ঘটিয়েছিল মহাকান্ড।আমি এখন জান্নাতের সাথে একটা ডাল ভাত সম্পর্কে আছি। জীবনে একবার নাকি বিয়ে অথবা প্রেমের ঘটকালি করতে হল। আমিও করেছিলাম আমার বন্ধুর। একবার ক্যাম্পাসের ছুটিতে আমার তিন বন্ধুকে নিয়ে বাড়ি আসলাম সাগর, আলভি, নাহিদ।যখন বাড়িতে পৌছালাম দেখি আম্মা পূর্ণা আর পূর্ণার মায়ের সাথে গল্প করছে ।পূর্ণাকে দেখতে সুন্দর লাগছিল। পূর্ণার মা আমায় জিঙ্গেস করল- পূর্ণার মা-পরেশ কতদিন আছিস এখানে? আমি-এই দশ দিনের মতো পূর্ণার মা-এই সোমবার তোর নিমন্ত্রণ রইল। আমি-ঠিকাচ্ছে কাকিমা। রাত্রে আমি, সাগর, আলি, নাহিদ ভাত খেয়ে অনেকক্ষণ আড্ডা দিলাম তখন নাহিদ বলল নাহিদ-পরেশ, সাগর বোধহয় তোদের বাড়ি কয়েকদিন থাকবে। আমি-থাকবে তো কি হয়েছে? সাগর-নাহিদের কথায় পাত্তা দাও।ওতো যা খুশি তাই বলে। আলভি-না পরেশ আমিও সাক্ষী আছি। আমি-কি হয়েছে একটু বলবি? ‎নাহিদ-তোদের বাড়ি আজকে সকালে যে মেয়েটা আসছিল না। তার প্রমে পড়ছে আমাদের ক্যাম্পাসের ব্যাচেলর গ্রুপের লিডার সাগর ব্যানার্জী। ‎সাগর-থামবি তোরা শুধুশুধু। ‎আমি-সাগর এত ফাস্ট ভাই। ‎নাহিদ-পরেশ তোকেই কিন্তু একটা ব্যবস্থা করতে হবে। ঘটকালিটা তোকেই করতে হবে। ‎কি আর করব। সময়ে যদি ওদের পূর্ণার ব্যাপার বলে দিতাম তাহলে আর ওরা পূর্ণাকে পছন্দ করত না অথবা করলেও আমায় বলত না এবং ঘটকালি করা লাগত না অগত্যা পূর্ণাকে বলতে হলো।দেখি পূর্ণা কি জবাব দেয়।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৮১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ছাদের ফ্যান থেকে হৃদয়ের স্পন্দন
→ সৈকতের হৃদস্পন্দন
→ হৃদয়ের স্পন্দন(part 8)
→ স্পন্দন -4
→ স্পন্দন -3
→ স্পন্দন -2
→ স্পন্দন -1
→ হৃদয়ের স্পন্দন (part 7)
→ হৃদয়ের স্পন্দন (part 6)
→ স্পন্দন-১৩
→ স্পন্দন-১২
→ স্পন্দন-১১
→ স্পন্দন-১০
→ স্পন্দন-১০
→ স্পন্দন-৯

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now