বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
কি যে করি মেয়েটাকে নিয়ে যে কি করি!!!
আচ্ছা কিছু বুদ্ধি তো করতে হবে!!!কিছুক্ষণ ভাবলাম তারপর ভাব নিজেকেই এখন কাটিং মাস্টার হতে হবে।
ছোট কালে অনেক ট্রাই করেছিলাম,কাপড় সেলাইয়ে দক্ষ হতে।
আম্মু বলেছিল তোর দারা হবে না,সে থেকে আর কাপড় সেলাইয়ে মন দিনাই।
তো আজকে শ্রেয়ার জন্য না হয় আবার চেষ্টা করলাম।শ্রেয়াকে আরেকটা শাড়ি আনতে বলেছি।
শ্রেয়া সাইজ অনুসারে বানাচ্ছি,তাই আগে থেকে সব রেডি রেখেছি।শাড়িটা সেলাই করতে আমার সন্ধ্যা লেগে যায়।
কাজ সম্পূর্ণ হল,কিন্তু ভাবে বুঝবো যে কাজটা সাকসেস হয়েছে।কাউকে খোজছি কিন্তু পাচ্ছি না।এমন আমার মামাতো বোনটা এসে শাড়িটা নিয়ে চলে গেল।
আমি বুঝতে পারলাম না যে কি হল।শাড়িটা খোজছি কিন্তু পাচ্ছি না।
তারপর আমার মামাতো ভাই এসে বলল আমি এখানে সবাই তো স্টেজে।
হাই আল্লাহ তাহলে কি শয়তান্নি টা শাড়িটা পরেছে।
স্টেজে গিয়ে দেখলাম ঠিকই তো তাকে তো বেশ মানিয়েছে।আমি বেজাই টেনশন করছিলাম।
তারপর দেখি শ্রেয়া খালি হাতে ফিরে এসেছে।যাক বাচা গেল শাড়িটা ঠিক মতই হল।
শ্রেয়া আমাকে একটা দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলে থ্যাক্সং বলে।
আমিও একটু শান্ত হলাম যে অনেক জোরে বাসছি।যদি জানতো যে শাড়ির বেহাল অবস্তা তা হলে কি যে হত।
শ্রেয়া তার বান্ধবিদের নিয়ে ছবি তুলছে।আমি মোবাইলে ব্যস্ত।
বিয়েটা বেশ মানানশয় হয়েছে, তাই ভালো হয়েছে।কিন্তু আজ পর্যন্ত তারপর সবাই নিজ নিজ কাজে চলে যাবে।জীবনটা বেদনা......!!!!
আমি কথাগুলো ভাবছি!!!আর ওদিকে মিস শ্রেয়া বউয়ের পাশে ছবি তুলছে।
মেয়েটার মনেই নেই যে কিছুক্ষণ আগে তার সাথে কি হয়েছিল।আমিও আর কিছু করলাম না।
বিয়েটাকে উপবোগ করতে লাগলাম।সন্ধ্যার সময় বলে বেশ ঝাকঝমক লাগছে।বরকে একটু চিন্তিত লাগলো।কি হল আবার!!!
আমি তেমন জানার আগ্রহ প্রকাশ করিনি।কিন্তু তবুও তাকে চিন্তিত লাগছে।
আমি বিষয়টা একটু শ্রেয়াকে বললাম।কারন সেই জানতে পারবে ব্যাপারটা কি???
সে ব্যাপারটা জেনে আমার কাছে।তাকে যেন একটু খারাপ লাগলো।
ব্যাপারটা কি??
ব্যাপারটা হলো ভাইয়ের অফিসে একজন গুন্ডা ফাইলে সিগনেচার করতে বলছে!!!কিন্তু ভাইয়া করছে না তাই লোক পাঠিয়েছে তাকে মারার জন্য।
কথা গুলো শুনার পর চোখটা কপালে উঠে গেল।বুঝার চেষ্টা করলাম।কি করার।শয়তান্নির ভাই বলে কথা আর স্বামির কিছু হয়ে গেলে।
বিয়ের আসরে এমন কিছু হলে মান সম্মান সব জলে যাবে।
তাই বরের কাছে গেলাম,সব ডিটেল নিলাম।গুন্ডার সাথে কথা হল,কাল আমরা দেখা করবো আর সব জিনিস ঠিক করবো।
আমি বরকে এ আশ্বাস দিলাম যে কাল আমি তার সাথে যাব।
বরকে একটু শান্ত লাগছে।খাবার টেবিলে গিয়ে বসলাম পাশে বেন্ঞে দেকি শ্রেয়া। বাহঃ খাবার রক্ষা করতে ভালোই জানে।।একটু একটু খাচ্ছে কিন্তু গালে যেমন আটা -ময়দা লাগিয়েছে।
মুদির দোকানের সব আটা ময়দা লাগিয়েছে।খাবার সেরে উঠলাম।দেখি সবাই জড়ো হয়েছে।মামি মা কাদছে,শয়তান্নিও কাদছে!!!! আমার ও চোখে জল এসে গেল।পাশে শ্রেয়া এসে
কাদছো???কান্না পাবেই একটা ছোট শয়তান্নি চলে যাচ্ছে!!!
তুমি কেমনে জান যে আমি তাকে শয়তান্নি ডাকি???
সেটা রহস্যই থাক!!!
আচ্ছা!!!
হুমমম!!!
আমি শয়তান্নি গলা জড়িয়ে কাদি!!!আর বলি ভালো হয়ে যেন চলে!!!সবার কথা মেনে চলছে!!!তারপর তাকে গাড়িতে চড়িয়ে দিলাম তারপর যাওয়ার দিকে চেয়ে আছি......
নিজের রুমে ফিরে এলাম।কিন্তু ঘুমতো আসছেই না।তাই একটা বই পড়লাম।চোখটা আলতো আলতো করে ঝিমাচ্ছে।তাই শুয়ে পড়লাম।কখন যে ঘুমিয়ে পড়লাম মনেই নেই।
মামির ডাকে ঘুম ভাঙ্গল তিনি বললেন আমাদের নাকি আবার শ্রেয়া শশুড়বাড়ি যেতে হবে। তাই তিনি রেডি হতে বললেন।আমি ফ্রেশটা হয়েনিলাম।
এখন গন্তব্য শয়তান্নির শশুড়বাড়ি।একটা সিএনজি নিয়ে চলে গেলাম।
আমি তো বেশ খুশি শয়তান্নির সাথে একটু কথা বলতে পারবো।মামি শয়তান্নির শশুড় শাশুড়ির সাথে কথা বলছেন।আমার মনে পড়ল শয়তান্নির বরের সাথে আজ আমাকে যেতে হবে তাই বরের সাথেই বের হলাম।
শয়তান্নির জামাইয়ের নিজস্ব গাড়ি আছে বলে আমি তার সাথে গাড়িতে উঠে পড়লাম।
চলবে....
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now