বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

স্পন্দন -2

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Kush Gayen(guest) (০ পয়েন্ট)

X পূর্ণা বুদ্ধিমতী এবং সামাজিক বাধ্যবাধকতা সে জানে তাই আমার প্রতি তার আবেগ পূর্ণা প্রকাশ করেনি কখনো। পূর্ণার বাসা আমাদের বাসা থেকে দুই কি তিন মিনিটের দূরত্বে কিন্তু ওদের সঙ্গে আমাদের আনাগোনা খুব বেশী ছিল না। পূর্ণার বাবার নামে কে যেন ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছে। বুঝলাম এটা পূর্ণার কাজ, কারণ ওর বাবা এসব সাইটের সাথে পরিচিত না। আমার মন তো ওকে ডিলিট করতে সক্ষম না। তাই ফ্রেন্ড হলাম কিন্তু পনের দিন পর দেখি আমায় আনফ্রেন্ড করা হয়েছে। অবশ্য এই পনের দিনে পূর্ণা এফবিতে আছে কিনা এটা দেখা ছাড়া আর কিছুই ঘটেনি আমাদের মধ্যে। নিজে অনুধাবন করলাম ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠানোর কারণ নিজেকে সামলাতে না পারা এবং আনফ্রেন্ড করার কারণ হয়তো আমার নাম মনে পরে যাওয়া। গ্রামীণ সকল কেচ্ছার উৎস গ্রামীণ মহিলাদের কাছে শুনেছি পূর্ণা তার কোন ছেলে বন্ধুর সাথে কফিশপে বসে কথা বলেছে, গ্রামীণ মহিলাদের ভাষায় যাকে প্রেম করা বুঝায়। জানি না সঠিক বেঠিক কারণ তার কাছে এ কথা জিঙ্গেস করা আমার পক্ষে সম্ভব না। একদিন হঠাৎ শিশিরের সাথে কলেজে যাওয়ার সময় শিশির জিঙ্গেস করল- শিশির-তুই আমার বোনকে পড়াতে পারবি? আমি-কেন? মানে তুই তো পড়াতে পারিস। শিশির-ও যে চালাক আমার কাছে তো পড়াতেই চায় না। আমার পড়া নাকি বোঝে না। আমি-কালকে বলি। শিশির-ঠিকাছে। আমি কি করব ঠিক বুঝতে পারছি না। একটা হ্রদয়ের প্রবল উত্তেজনা বলছিল পূর্ণাকে প্রতিদিন দেখতে পাবি রাজি হয়ে যাও। কিন্তুু আবার ভয় হচ্ছিল ভবিষ্যদ্ এর কথা ভেবে।তাই বাড়ি গিয়ে মায়ের কাছে জিঙ্গেস করলাম কি করব।মা যেতে বলল কারণ শুনলাম পূর্ণার মা এসেছিল এ বিষয়ে কথা বলতে। আমি প্রথম যেদিন পূর্ণাকে পড়াতে গিয়েছিলাম সেদিন আমাদের মধ্যে শুধুই গম্ভীরতা ছিল। পূর্ণাকে কিছু বলার সাহস নেই আমার। কিন্তুু সেদিন পূর্ণার ঘুম থেকে উঠে পড়তে বসার পর তার সেই কিউট চেহারা। নীল জামার ভিতর থেকে বেরিয়ে থাকা ঘাড়ের কাছে কালো কাপড়ের রং আমাকে যেন পাগল করে দিয়েছিল।তাই ওর খাতায় একদিন লিখেছিলাম ডু ইউ -----মি? দেখেনি মনে হয় । কারণ তার পরের দিন পূর্ণার কোনো না বা হাঁ রিয়াকশন ছিল না । সরকারের উচিত বৃষ্টিকে ব্যান্ড করে দেওয়া কারণ বৃষ্টি জনসংখ্যা বৃদ্ধির একটা প্রধান কারণ, পূর্ণাকে সেদিন বৃষ্টিতে ভিজতে দেখে তাই মনে হল। একদিন পড়ানোর সময় ওকে জিঙ্গেস করলাম পূর্ণা তুমি কি কারো সাথে কোনো সম্পর্কে আছে? ‎ ‎পূর্ণা-কেনো বলুন তো, আর সম্পর্ক মানে কি প্রেম ? ‎ ‎আমি-হ্যাঁ। আছে? ‎ ‎পূর্ণা-না। ‎ ‎আমি-তোমার প্রতি আমার একটা গভীর ফিলিং আছে তুমি কি সেটা স্বীকার করবে? ‎ ‎পূর্ণা-আপনি তো জানেন আমাদের ধর্ম ভিন্ন? ‎ ‎আমি-জানি তাই তো এতদিন আমার অনুভূতিগুলো শুধু আমিই জেনেছি। ‎ ‎পূর্ণা-আমি আপনাকে পছন্দ করি এটা হয়তো আপনি জানেন। কিন্তুু আমি নিজেকে বুঝিয়েছি এবং আমি আমার কাছে প্রতিঙ্গাবদ্ধ। আমি বাবা মাকে কষ্ট দিতে চাই না। তাই আমায় ভুল বুঝবেন নাআমি সেদিন আর কিছু বলিনি। ‎পূর্ণার বলা কথাগুলো যে ভাবিনী তা কিন্তুু না। সেদিন ভালবাসার ওভার ডোস হয়েছিল বোধ হয়। তাই নিজেকে আটকাতে পারিনি। ‎ ‎এরপর দুদিন ওকে পড়াতে যেতে কেমন ইতস্ততঃ লাগছিল তাই যাইনি। তৃতীয় দিন থেকে আমি আর পূর্ণার দিকে পড়ানোর সময় তাকাইনি কারণ আমি জানি ওর চোখ আমায় কষ্ট দেবে। তাই পড়ার পাশাপাশি শুরু করলাম পূর্ণাকে ভোলার সাধনা। দেখা যাক কতটা সফল হই, অথবা অন্য গল্পের সৃষ্টি পূর্ণা করে কিনা। ‎দেখা যাক?


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ছাদের ফ্যান থেকে হৃদয়ের স্পন্দন
→ সৈকতের হৃদস্পন্দন
→ হৃদয়ের স্পন্দন(part 8)
→ স্পন্দন -4
→ স্পন্দন -3
→ স্পন্দন -2
→ স্পন্দন -1
→ হৃদয়ের স্পন্দন (part 7)
→ হৃদয়ের স্পন্দন (part 6)
→ স্পন্দন-১৩
→ স্পন্দন-১২
→ স্পন্দন-১১
→ স্পন্দন-১০
→ স্পন্দন-১০
→ স্পন্দন-৯

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now