বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

স্পন্দন -1

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Kush Gayen (guest) (০ পয়েন্ট)

X প্রকৃতির গল্প আমি করব না ।কারণ আমি প্রকৃতিকে আলো ছায়া নানা নামে অভিহিত করতে সক্ষম না। তাই প্রকৃতি অনুক্ত বা স্ল্প উক্ত থেকেই পূর্ণা ও পরেশের ভাববিনিময়কে সুখকর করে তুলবে। বোধ হয় সেদিন রোদ ছিল, হাঁ ছিল। গরম লাগছিল অল্প, সকালের আভায় পাঠ শেষ আড্ডা দিতে রওনা হলাম শিশিরের বাসায়। আমি আর শিশির বাল্য সঙ্গী না। এক বছর দুই তিন মাস আমাদের আলাপ, আমার শিশিরের বাসায় যাওয়ার অনুমতি খুব বেশী ছিল না কারণ আমি বাবা মায়ের বাধ্য বইয়ের পোকা। শিশিশের বাসায় গিয়ে দেখি এক মা তার পূবাহ্নের নানা কাজের মাঝে খুব দ্রুত তার মেয়ের মাথায় উঠানে বসে তেল দিচ্ছে এবং পল্লী মায়ের উক্তি, পূর্ণা এ কেমন চুল বানিয়েছো;তেল দেয় না। আমার কাছে তার চুল কিন্তু মোহময়। বেশী বার দেখিনী কিন্তু অনেক বিকেলে রাস্তা দিয়ে যেতে গিয়ে তার চুল ও তার খেলার ভঙ্গিমা আমায় আকৃষ্ট করেছে। এলোমেলো বাধা তার চুল, ঘামে ভেজা তার পিঠ ও বুক বারবার আমায় তার দিকে টেনেছে কিন্তু আমি বাধ্য তাই বইয়ের প্রেম ছাড়া অন্য কিছুর প্রমে পরা নিষেধ যদিও প্রম না করার আরো অনেক কারন আছে। সেগুলো পরে বলি, শিশির আমাকে উঠানে দেখে ঘরে ডাকল গেলাম। পূর্ণা শিশিরের বোন, ওদের অবস্থা খুব বেশী সচ্ছল না কারণ আমি অনেক বার তাদের দারিদ্র্যতা প্রত্যক্ষ করেছি। আমি এখন পূর্ণাদের ঘরে ,সে হয়তো আমায় দেখেছে অথবা না দেখার ভাব নিচ্ছে। আমার ক্ষুদ্র পরিসরের জীবনে আমি যে শুধু পূর্ণাকেই রাজকন্যা রূপে কল্পনা করেছি তা কিন্তু নয় ,আরো অনেকে আছে বা ছিল।যখন যার সামনে থাকি তাকে নিয়ে ভাবনা যেন বৃদ্ধি পায়। এটা কি আমার চরিত্রহীনতা না এটা মানুষের স্বভাব? তবে আমার অনেক রাজকন্যার মধ্যে এই রাজকন্যা একটু বেশীই জায়গা দখল করেছিল কারণ সে সুন্দরী, হাঁ ছিল বলা যায় একটু বেশীই ছিল। তবে আমিও খারাপ দেখতে নই এবং কলেজে এক রোল হওয়ায় আমার একটু নামডাকও আছে।নানা অনুষ্ঠানে পূর্ণার সাথে আমার দেখা হত। আমি পূর্ণার দিকে তাকাতাম কিন্তু লুকিয়ে কারণ আমি ভীতু। অনেক সময় মনে হত সে আমার দেখছে, সঠিক না বেঠিক জানি না। আমি কখনো বুঝিনী আমার জন্য তার মনে কিছু আছে কিনা। পূর্ণা যখন স্কুলে যেত মাঝেমধ্যে আমাদের দেখা হত, সে আমায় দেখত। পূর্ণা ছিল বুদ্ধিমতী সুন্দরী তাই তার অনুভূতি গুলো সে লুকিয়ে রাখতে সক্ষম হয়েছিল। কোনো উপন্যাস, গল্পের মতো পরেশ মানে আমি এবং পূর্ণা কখনও একা কোনো জায়গায় কোনো সময়ই ছিলাম না। তাই উপন্যাসের রোমান্টিকতা কখনো অনুভব করতে পারিনি।আমার কলেজে অন্য রাজকন্যা আছে (প্রেম নয় শুধু মেলামেশা) পূর্ণা হয়তো তা জানত তাই মাঝেমাঝে আমি তাঁর বক্রদৃষ্টি অনুভব করেছি। আমি পূর্ণাকে ভালোবাসতাম তবুও হয়তো আমাদের আগামীর প্রম কেউ মেনে নেবে না।কারণ আমার নাম মোঃ পরেশ ইসলাম


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ছাদের ফ্যান থেকে হৃদয়ের স্পন্দন
→ সৈকতের হৃদস্পন্দন
→ হৃদয়ের স্পন্দন(part 8)
→ স্পন্দন -4
→ স্পন্দন -3
→ স্পন্দন -2
→ স্পন্দন -1
→ হৃদয়ের স্পন্দন (part 7)
→ হৃদয়ের স্পন্দন (part 6)
→ স্পন্দন-১৩
→ স্পন্দন-১২
→ স্পন্দন-১১
→ স্পন্দন-১০
→ স্পন্দন-১০
→ স্পন্দন-৯

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now