বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

স্পন্দন

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান say£d (০ পয়েন্ট)

X আমাদের সবার জীবনে একজন না একজন স্পন্দন থেকে যায়। সে স্পন্দনটা সারা জীবন মনে থেকে যায়।আমার দুনিয়ায়ও এসেছিল এক স্পন্দন যে আমার পুরো স্পন্দন বন্ধ করে দিয়েছিল। তার ছোট ছোট আবদার আমি কখনো না করতে পারতাম না।তার ছোট ছোট গলায় আমি ডাকতো আমি ডাক দিয়ে পারতাম না। নিমিষে তার মায়ায় পড়ে গিয়েছিলাম।তার পাশে যেন ভালো লাগা অনুভব করছিলাম। কি অনুভূতি সৃষ্টি করে দিয়েছিল মেয়েটা।আমার সকল ঘুম কেড়েনিয়েছিল। তাকে ছাড়া একটা সেকেন্ড ও আমার চলছিল না।তাকেই হারিয়ে বসি। শুধু তাকে না তার পুরোটো স্মৃতি যা আমার সাথে জোড়ে আছে তা আমি হারিয়ে ফেলি। আমার প্রিয় একটা ছোট্ট দুনিয়া নিমিষে শেষ হয়ে গেল।তার মাঝে,তার সে খুনসুটি গুলো আর করা হবে না। এগুলো শুভ হসপিটালের বেডে।আমাকে তো চিনেন আপনার প্রিয় রাইটার SaYeD CHy কত কষ্টে গল্প লিখি আপনাদের জন্য প্লিজ সবাই আমার পেইজে লাইক দিন আর লাইক,কমেন্ট করেন।লাইক,কমেন্ট না করলে এ গল্পটা পাবেন না। আচ্চা আমি গল্প শুরু থেকে শুরু করি।প্রথমে বলে রাখতে চাই যারা এ গল্পটা সত্যিই পছন্দ করেছেন তারা কমেন্ট,লাইক অবশ্যই করবেন। কুয়াশায় ভরা সকাল,শুভ তার মামারবাড়িতে কয়দিন থাকতে এসেছে তার মামাতো বোনের বিয়েতে।সকালের শিরশিরে কণকণা ঠান্ডা,পুরোটা এখন দৃশ্যের মত লাগছে শুভর। এমনে সে কখনো এমন দৃশ্য দেখতে ভালো লাগে,কেন জানি আজ তার ঘুমটা সাত সকাল ভেঙ্গে গেল। শুভ মেডিকেল স্টুডেন্ট তাই পড়ালেখার ব্যস্তার মাঝখানে কাটছে তার।সে পড়ালেখার দুনিয়াকে সে ফেলে আসতে পারেনি। একটা বই হাতে নিয়ে পড়ছে। হঠাৎ একটা গুন্জন পড়াকো বান্দর...... শুভ প্রথমে পাত্তা দেয়নি কিন্তু পরেরবার ঠিক শুণতে পাই, কে আপনি??আমি পড়াকু বান্দর কেন হবো!!!! আরে যে ছেলে বিয়েতে এসে পড়া লেখা করে সে তো পড়াকু বান্দর হবে!!! এবার শুভ বুঝতে পারে যে দরজার পিছন থেকেই আওয়াজ আসছে!!! আপনি বের হবেন নাকি আমি বের করবো!!! না আমি বের হবো না!!! তারপর শুভ কান ধরে বের করে!!!! তাহলে আপনি!!!আপনি এখানে কেন??? জ্বি আমি!!!! এখানে আমিটা হলো শ্রেয়া,শ্রেয়া হলো শুভর মামাতো বোনের বন্ধু। ঢাকা থেকে এসেছে.... শুভকে গায়ে হলুদের দিন দেখে আর পরিচয় হয়। আপনি এখানে কি??? আমিও সকালের কুয়াশা দেখতে এসেছি!!! আচ্ছা!!!! তারপর শুভ চলে গেল।।নিচের নাস্তার টেবিলে তার মামাতো ভাই রিফাতের সাথে কথা বলছে। শ্রেয়া সিড়ি দিয়ে নামার সময় হোচট। তা শুভর চোখ এডাইনি!!! সে চুপ থেকে বসে আছে।কিছুক্ষণ বসে থাকার পর সে চলে গেল। সে তার মোবাইলে ফেসবুক টিপছে।তার মামাতো বোন আর তার বন্ধু গুলো শুভর পাশে এসে বসে। কিরে কি করসিস!!! কি আর করবো এমনে বসে আছি!! তাহলে তুই আমার বন্ধু গুলোর সাথে একটু সময় কাটা আমি ততক্ষণে আমার শাড়িটা দেখে আসি। সবগুলো আমাকে গিরে ধরে বসে আছে!!! তো তুমি চিটাগাং মেডিকেল কলেজে পড়!!! হ্যা!!! আচ্ছা তুমার কোনো গার্লফ্রেন্ড আছে??? না আমি কোনো রিলেশন রাখতে চাই না। তুমি একটা হ্যান্ডস্যাম ছেলে কোনো মেয়ে দেখলেই তুমাকে ভালোবেসে ফেলবে!!! না আমি আমার পড়ালেখা নষ্ট করতে চাই না!!! তুমি দেখি পড়া ছাড়া কিছু বুঝ না!!! এগুলো করলে পড়ার সবসময় নষ্ট হবে!!! তারপর দেখি আমার মামাতো বোন এসে গেল। কিরে তোর ফুফুতো ভাইতো তোর পড়া পাগলা!!! আরে বলিস না সে ছোট কাল থেকে হারামজাদাটা এরকম!! আমি উঠে চলে গেলাম।মেয়েদের মাঝখান থেকে মামির কাছে গেলাম। মামি পুরো কাজে ব্যস্ত।একটু নিশ্বাস ফেলার সময় নেই,মেয়ের বিয়ে বলে কথা। আমি আর মামির কাজে নাকটা গলালাম না। ভালো লাগছে না বলে একটু টিভি দেখতে যাব দেখি টিভির রিমোট নিয়ে শ্রেয়া টিভি দেখছে। কি মনোযোগ সহকারে দেখছে যে আজই যেন পুরো টিভিটা খেয়ে ফেলবে। আমি পাশে গিয়ে বসলাম।তারপর খেয়াল করি সে জিমাচ্ছে,তাই বুঝলাম কাল রাত পুরোদিন শুধু নেচেছে তাই ঘুমাইনি। আমি টিভিতে খেলা দেখছি হঠাৎ সে বলল আপনি কে??? আমি রীতিমত অবাক!!!! যে মেয়েটা কাল আমার সাথে নেচেছে হেসেছে সে মেয়েটা বলে আমি কে!!! আরে তুমি কি হুসে আছ!!! আমি তে মস্ত বড় একটা গাধা সে ঘুমে চিল্লাছে।এটা ভেবে মনের মধ্যে একটা আনমনে হাসি পেয়ে গেল। আমি তাকে শুয়ে দিলাম।আমার মামাতো ভাই আমার দিকে হা করে দেখে আছে। আমি তার সব ভুল দুর করে দিয়ে বললাম এরকম কিছু না। রুমে বসে পাবজি খেলছি!!!সে সময় কে যেন দরজা টা টোকা দিল!!! আমি অনেক কষ্টে দরজাটা খুললাম!!! এ কি দেখি শ্রেয়া!!! আমার রুমে ডুকে করুণ কন্ঠে বলল আমাকে একটু সাহায্য করতে পারবে!!! আমি বললাম কি সাহায্য??? সে কান্না কন্ঠে বলল আমার মামাতো বোন নাকি শ্রেয়াকে তার শাড়িটা স্ত্রী করার জন্য দিয়েছিল। কিন্তু ভুলে সে সেটাকে জ্বালিয়ে ফেলেছে।আর শাড়িটা অর্ডারে বানানো তাই আর আজকে বিয়ে তাই শাড়িটা লাগবেই।আর আমিই তাকে এ বিপদ থেকে বের করতে পারবো!!!!! চলবে..... #স্পন্দন #SaYeD


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ছাদের ফ্যান থেকে হৃদয়ের স্পন্দন
→ সৈকতের হৃদস্পন্দন
→ হৃদয়ের স্পন্দন(part 8)
→ স্পন্দন -4
→ স্পন্দন -3
→ স্পন্দন -2
→ স্পন্দন -1
→ হৃদয়ের স্পন্দন (part 7)
→ হৃদয়ের স্পন্দন (part 6)
→ স্পন্দন-১৩
→ স্পন্দন-১২
→ স্পন্দন-১১
→ স্পন্দন-১০
→ স্পন্দন-১০
→ স্পন্দন-৯

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now