বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এই গল্পটির আগের পর্বটা আমার টাইম লাইনে দেওয়া
আছে।সেখান থেকে পড়ে নিতে পারেন।
.
কুমিল্লা শহর থেকে আমার নানু বাড়ি ৫ কিঃমিঃ দুরে।
আমার নানু বাড়ি গ্রামের ভিতর তাই সেখানে বাস বা
সিএনজি যায় না।শহর থেকে রিক্সায় করে যেতে হয়। তাই
আমি একটা রিক্সা ডাক দিলাম।
.
--এই যে মামা যাইবেন????(আমি)
.
-- কোথায় যাইবেন????(রিক্সাওয়ালা)
.
--আমি ঠিকানা বললাম।
.
--যাবো তবে ৫০ টাকা ভাড়া লাগবে।
.
--কি মামা, ৩০ টাকার ভাড়া ৫০ টাকা।
.
--হ্যা,৫০ টাকাই লাগবে আপনি যাবেন????
.
--কি আর করার চলেন।
.
আমি রিক্সায় উঠতে যাবো এমন সময় আচমকাই সেই
বাসের মেয়েটা রিক্সায় উঠে বসলো।আমি তো পুরাই
তাশকি খাইয়া গেলাম।
.
--আপনি আমার ভাড়া করা রিক্সায় উঠলেন কেন???
(আমি)
.
-- রিক্সাটাও কি আপনার???? (মেয়ে)
.
--না।
.
--তাহলে।
.
--তাহলে কি। আপনি রিক্সা থেকে নামেন বলছি।
.
--আমি নামবো না পারলে ঠেকান।
.
--দেখুন আপনি কিন্তুু সেই প্রথম থেকেই ঝামেলা
করে আসছেন।
.
--১০০ বার করবো।আপনি রিক্সায় উঠবেন
নাকি রিক্সাটা নিয়ে চলে যাবো।
.
আমি এদিক ওদিক তাকিয়ে দেখলাম আর একটি রিক্সাও
নেই। তাই আমি রিক্সাটায় চরে বসলাম।রিক্সাটা একটা
বাড়ির সামনে গিয়ে দাড়ালো মেয়েটা সেখানে নেমে
গেল।আমার নানু বাড়ি সেই বাড়ি থেকে একটু দুরে ছিল।
তাই সেখান থেকে রিক্সাটা সোজা আমার নানুর
বাড়িতে গিয়ে দাড়ালো। আমি আমার নানু বাড়িতে
নামলাম।অনেক দিন পর নানু বাড়িতে বেড়াতে এসেছি।
সবাই আমাকে দেখে অনেক খুশি হয়েছে।নানু বাড়ির
আগের পরিবেশটা সম্পর্ণ বদলে গেছে।চারিদিক
প্রকৃতিক সোন্দর্যে ভরপুর।অনেক সুন্দর লাগছে দেখতে।
আমি ছোট বেলায় আমার নানু বাড়িতেই থাকতাম তাই
এখানে আমার চেনা জানা অনেক বন্ধুও আছে।পরের দিন
আমার কয়েকটা বন্ধুকে নিয়ে গ্রামটা ঘুরে দেখলাম।
আমি যত দেখছি গ্রামটা ততই মুদ্ধ হয়ে যাচ্ছি।তারপর
কেটে গেল বেশ কয়েটা দিন। আমার একবন্ধু একটা
মেয়েকে প্রপস করবে আজ।এরা সবাই আমার ছোট বেলার
তাই সব কথা আমার কাছে শেয়ার করে।বাজারে গেলাম
ফুল কিনতে কিন্তুু এই অসময়ে বাজারে একটা ফুলও
পেলাম না।আমরা ঘুরতে ঘুরতে সেই মেয়েটার বাড়ির
সামনে এসে পৌছালাম।দেখলাম বাড়ির সামনের
গোলাপ গাছের বাগানে অনেক বড় বড় এবং সুন্দর সুন্দর
ফুল ফুটে আছে।আমার এক বন্ধু বললো:-
.
--দোস্ত সামনে তাকিয়ে দেখ কত সুন্দর সুন্দর পোলাপ
ফুল।(রাসেল)
.
--হ্যা, তাই তো দেখছি।(আমি)
.
--দোস্ত প্লিজ একটা ফুল এনে আমাকে ।(রকি)
.
--না আমি পারবো না।(আমি)
.
--সবাই একসাথে,,,, প্লিজ দোস্ত প্লিজ।
.
--শুধুমাত্র একটা ওকে।(আমি)
.
--ওকে।
.
আমি এদিক ওদিক তাকিয়ে দেখলাম একটা মানুষও নেই।
আমি একটু সামনে এগিয়ে গিয়ে একটা ফুল ছিড়েছি।এময়
সময় দেখলাম বাসের সেই মেয়েটা আমার সামনে চোখ
বড় বড় করে দাড়িয়ে আছে।দেখে মনে হচ্ছে যেন আমাকে
তার চোখের ভিতর তুলে নেবে।আমি পিছনে তাকিয়ে
দেখলাম আমার কোন ফেন্ডই নেই হয়তো মেয়েটারে
দেখেই দৌড় দিছে।
.
--কি ব্যাপার আপনি আমার গাছের ফুল ছিড়েছেন
কেন????(মেয়ে)
.
আমি লজ্জায় কিছু বলতে পারছি না।
.
--চুপ করে আছেন কেন????
.
--ইয়ে মানে।
.
--কি হয়ে মানে ইয়ে মানে করছেন।
.
--না আসলে আমি বুঝতে পারি নি।
.
--কি বুঝতে পারেন নি। ফুল গাছ দেখলেই ফুল ছিড়তে
ইচ্ছা করে তাই না।
.
--না, সরি।
.
--কিসের সরি ,,,, আর যেন এই সব না দেখি।
.
কথাটা বলেই মেয়েটা চলে গেল।আমি লজ্জায় মাথা
নিচু করে দাড়িয়ে রইলাম।
.
------------------চলবে--------------
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now