বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

সোনার বিস্কিট পাঁচশ টাকা

"শিক্ষণীয় গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X সোনার বিস্কিট পাঁচশ টাকা ----রিয়েন সরকার বাড়ি ওঠানে একটি চেয়ার বসে অপেক্ষা করতেছিলাম আম্মা আর আন্টির আসার জন্য ৷ আসলে তাদের জন্য অপেক্ষা করতেছি বললে ভুল হবে আমি অপেক্ষাে করছিলাম তারা কি মজা আনে সেটা খাওয়ার জন্য ৷ আমার আম্মা আমার আন্টিকে নিয়ে ডাক্তার এর কাছে গেছে ৷ কি জন্য গেছে সেটা জানি না ৷ আমাদের বাড়ির ওঠান থেকে রাস্তা দেখা যায় ৷ তাই রাস্তার দিকে চেয়ারের মুখ ঘুরিয়ে বসে আছি ৷ কিছু ক্ষন বসে থাকার পর দেখলাম আম্মাকে রিক্সা থেকে নামিয়ে রিক্সা চলেছে যাচ্ছে ৷ আমার মনে হয় রিক্সায় আন্টি ছিল ৷ সে আমাদের বাড়ি আসবেনা হতে পারে,বাড়িতে কোন কাজ আছে ৷ আম্মা রিক্সা থেকে নেমে বাড়ির দিকে রওনা দিয়েছে হাতে মজার ব্যাগ দেখলাম না ৷ মনটা খুব খারাপ লাগছিল ৷ বাড়িত আসার পর দেখলাম আম্মার চেহারাটা লাল হয়ে গেছে এবং মুখটা কাঁদো কাঁদো ৷ হয়ত কোন কারনে মন রাখাপ বা কিছু একটা জামেলা হয়েছে আসার সময় ৷ এই অবস্থা দেখে বাবা আম্মাকে জিজ্ঞাসা করল কি হয়েছে ৷ তখন মা সব খুলে বলল সব শুনে আমার খুব আসি হচ্ছিল ৷ আম্মা যে ভাবে বলেছিল টিক সেই ভাবে বর্ণনা দিলাম বাস থেকে নেমে রিক্সার জন্য অপেক্ষা করছিলাম হাসপাতাল যাওয়ার জন্য ৷ কিছু ক্ষন পর একটা রিক্সা এল হাসপাতাল যাবে কীনা জিঙ্গেসা করার সে রাজি হল ৷ কত টাকায় যাবে জিজ্ঞাসা করার সে ২০টাকার জায়গায় ১০ টাকা চাওয়ায় আর অন্য রিক্সার জন্য অপেক্ষা না করে ওটাতে ওঠে যাই ৷কিছু দূর যাওয়ার পর হঠাৎ রিকশাচলক রিকশা থেকে নেমে একটা লাল ব্যাগ কুড়িয়ে নিয়ে আমাকে বলল আফা দেহেন ছেন কি আছে এডার ভিতর৷ আমি হাতে নেয়ার পর রিকশাচালক রিকশা চালু করে দিল ৷ আমি খুলব কিনা ভাবতে ভাবতে খুলে ফেললাম দেখি সোনালী কালারের বিস্কুটের মতো সাইজের কিযেন আর সাথে একটা চিঠি ৷ রিকশাচালক বলল আফা কি আছে ঐডার ভেতর ৷ তখন আমি বললাম সর্ণের মতো একটা বিস্কুট আর চিঠি ৷ রিকশাচালক বলল আফা দেহেনতো চিডিতে কি লেখছে ৷ তখন আমি চিডিডা পড়তে শুরু করলাম লিটন দা, আমার প্রণাম নিবেন ৷ এক মাস পর আমার মেয়ের বিয়ের জন্য কিছু গলার হার, বালা,হাতে আংটি,কানের দূল আর নাক ফুল বানিয়ে দেয়ার জন্য এই গোল্ড বার টি পাঠিয়ে দিলাম আমার মেয়েকে দিয়ে পাঠিয়ে দিলাম ৷ আপনি যত্ন সহকারে বানাবেন ৷ পরে একদিন এসে আমি আপনার থেকে নিয়ে যাব ৷ ইতি দেব সংকর চিঠিটা পড়ে আমি রিকশাচালক কে বলল গরিব মানুষ ভাল জিনিস পেয়েছ এটা বিক্রি করে বড়লোক হতে পারবা ৷ তখন রিকশা চালক বলল আফা আমি গরিব মানুষ এটা দোহানে নিয়া বেচতে গেলে আমারা পিডা দিব কইব এইডা আমি চুরি করছি এর চাইতে ভালা আমারে কিছু টেহা দিয়া এইডা আপনি লইয়া যান ৷ আমি না করতে যাচ্ছিলাম তখন আমার বোন বলললাম আপা দেখ কম দামে কিনতে পারকিনা ৷ আমি তখন তিনশ টাকা দিলাম ৷ রিকশাচাল তখন বলল আফারা আফনেরা আমার দাবির তলে থাকবেন ৷ গরিব মাইষেরে ঠাগাইছে আল্লাহ আপনাগো মাফ করবে না ৷ তখন আমি আরো দুইশ টাকা দিলাম ৷ তখন সে আর কিছু বললনা ৷ আমাদের হাসপাতালে নামিয়ে চলে গেল ৷ তখন আমার খুব খুশি ৪০-৫০ হাজার টাকার সোনা কিনেছি পাঁচশ টাকায় ৷ তারাতাড়ি ডাক্তার দেখিয়ে পরিচিত এক গয়না তৈরী করে এমন দোকানে গিয়ে বললাম দেখেনতো ভাই এখানে কতটুকু সোনা আছে আমার ভাই বিদেশ থেকে পাঠাইছে ৷ তখন সে এটা হাতে নিয়ে কিছুক্ষন আমাদের মুখের দেখে তাকিয়ে আবার দেখতে লাগল ৷ দেখে বলল আপনার ভাই আপনাকে পিতলে সোনালী রং করে দিছে ব্যাপারটা বুঝলাম না ৷ এই চিল আম্মার বক্তব্য ৷ আম্মার বক্তব্য শোনে বাবা হো হো করে আসতে লাগল আর বলতে লাগল সোনার বিস্কিট পাঁচশ টাকা ৷ [ভাল লাগলে রেটিং দিতে ভুলবেন না যেন]


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ সোনার বিস্কিট পাঁচশ টাকা

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now