বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
চার
একটানে গল্পটা বলে থামলো মেয়েটি।
‘তারপর?অ্যনাকে কি মেরে ফেলেছিল তার
স্বামী,মানে লিও?’চোখ বড় বড় করে প্রশ্নটা
করল ইসাবেল।
‘অ্যনা কে যদি লিও মেরেই ফেলে তবে
তোমার এই নাদুস নুদুস বাচ্চাটাকে মারবে কে,হানি?
আই লাআআআভ কিডস্,’ বলেই ছোঁ মেরে
ইসাবেলের কোল থেকে বাচ্চাটা নিয়ে জানালা
দিয়ে ছুড়ে ফেলে দিল জানালার পাশে বসা
মেয়েটি।
ইসাবেলেরও বুঝতে বাকী থাকলো না জানালার
পাশে বসা মেয়েটাই অ্যনা,নিজের গল্পই এতক্ষন
বলছিল সে।
ইসাবেল চিত্কার দিয়ে উঠলো,‘শয়তানের
বাচ্চা,তোকে আমি খুন করবো।’ বলেই নিজের
বাচ্চাটাকে ধরার জন্য হাত বাড়ালো ইসাবেল।কিন্তু
ততক্ষনে অনেক দেরী হয়ে গেছে।
কম্পার্টমেন্টের সবাই দেখলো একজন মা হাত
বাড়িয়ে জানালা দিয়ে তার বাচ্চাকে ছুড়ে ফেললো
আর বললো,“শয়তানের বাচ্চা,তোকে খুন
করবো আমি।”
কিন্তু কেউই দেখতে পেল না ঠিক পাশে বসা
অদৃশ্য অ্যনাকে।কারন সে এখন সর্ববিরাজমান,শয়
তানের আশীর্বাদধন্য ।
পাঁচ
ধড়ফড় করে বিছানা থেকে উঠে বসে লিন্ডা।খুব
বাজে একটা স্বপ্ন দেখেছে সে।স্বপ্নে
একটা বাচ্চাকে ট্রেনের জানালা দিয়ে ফেলে
দিয়েছে সে।বীভত্স দৃশ্য।বিছানা ছেড়ে উঠে
টুথব্রাশটা মুখে পুরে ডায়নিং রুমে আসে সে।প্রায়
৮টা বাজে।চুলায় চা চাপিয়ে খবরের কাগজ টা তুলে
নেয় মেঝে থেকে।প্রথম পাতার হেডলাইন
“চলন্ত ট্রেনের জানালা থেকে ৯ মাসের
বাচ্চাকে ফেলে দিলেন ডাইনী মা ।মানসিক
বিকারগ্রস্থতা নাকি অন্যকিছু?”
চোখ বড় বড় করে নিউজটার দিকে তাকিয়ে
আছে সে।প্রচন্ড অবাক এবং বিস্ময় চোখে
মুখে।তবে চোখের কোনের বিস্ময় কেটে
গিয়ে আনন্দের ক্রুর হাসি ফুটে উঠতে দেরী
হল না মোটেও।এরকম একটা নিউজ দেখার জন্য
কতকিছুই না করতে হয়েছে তাকে।এমনকি
নিজের স্বামীকে...।
আজ অনেকদিন পর ড্রয়ারের তালা খুলে ছোট্ট
একটা কাপড়ের পুটলি বের করল সে।এক এক
করে ৬টা হাড় বের করলো তার ভিতর থেকে ।
তারমধ্যে থেকে অপেক্ষাকৃত বড় হাড়টা হাতে
নিয়ে ভাবতে থাকে সে,লিওর বুড়ো আঙুলটা
একটু বেশিই বড়।কাটতে বেশ বেগ পেতে
হয়েছে!
উৎসর্গঃ আমার স্নেহের বড় ভাই "মাইনুর রহমান
মুন্না"কে ।
(কপি)
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now