বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
স্মৃতির ছোঁয়া
.
.
একটা সিগারেট ধরিয়ে টানতে
টানতে রাস্তা দিয়ে হাটতেছি! এমন
সময় পিছন থেকে একটা মেয়ে ডেকে
উঠলো, - আঙ্কেল আঙ্কেল ভালো
আছো?
.
মেয়েটা খুব মিষ্টি! বয়স আনুমানিক
চার কি পাঁচ!
আমি দাঁড়িয়ে বললাম, - হ্যা মা
ভালো আছি! কিন্তু কে তুমি?
- আমি মিথি! ক্লাস টু'তে পড়ি!
- আমাকে চিনো কিভাবে?
- ওই যে মা (হাতে দেখিয়ে) বললো,
তোমাকে আঙ্কেল ডাকতে!
.
আস্তে আস্তে মিথির মা আমার
সামনে আসলো! বোকরার মুখটা
খুলতেই চমকে গেলাম!!! এ'তো
মেঘলা!!!
- ভালো আছো অভি? (মেঘলা)
- অনেক ভালো!
- কিরকম ভালো সেতো দেখতেই
আছি! হাতে সিগারেট, মাথার চুল
এলোমেলো! মুখে বিষন্নতার ছাপ!
- হুম!
- আচ্ছা অভি জীবনটাকে একটু সুন্দর
করে সাজাতে পারো না?
- সাজিয়েছিলাম'তো, হঠাৎ একটা
ঝড় এসে সব তচনচ করে দিলো!
-
মেঘলা আর কিছু বললো না!
আসলে ওর বলার মত কিছু নেই।
ইন্টারমিডিয়েট ফাস্ট ইয়ার থেকে শুরু
করে অনার্স ফাস্ট ইয়ার পর্যন্ত
আমাদের রিলেশন ছিলো!
অনেক ভালোবাসতাম মেঘলাকে!
একদিন বৃষ্টিতে ভিজে আমার জ্বর
হয়ে যায়, ৩দিন কলেজে যেতে
পারিনি! তারপর যখন কলেজে গেলাম,
তখন মেয়েটা আমাকে আড়ালে
ডেকে নিয়ে গেল! অতঃপর এমন শক্ত
করে জড়িয়ে ধরলো যে ওর উষ্ণ পরশে
আমার জ্বর একদম ভালো হয়ে গেল!
.
জড়িয়ে ধরে মেঘলা কাঁদতে কাঁদতে
বলতে লাগলো, - এই হারামি তুমি
জানোনা, তোমাকে না দেখলে আমি
একদিনও থাকতে পারিনা!
-
সেদিনেই বুঝেছিলাম ভালবাসা
মানে কি!!!
.
.
তারপর থেকে মেঘলার প্রতি আমি
অসম্ভব দূর্বল হয়ে যায়! দুজন খুব ভালোই
ছিলাম। খুব ভালোই চলছিলো
আমাদের দিনগুলো।
হঠাৎ একদিন খবর পেলাম, মেঘলার
বিয়ে ঠিক।
ফোন দিলাম,
- মেঘলা কি শুনছি এসব? তোমার
নাকি বিয়ে ঠিক?
- হুম!
- তুমি রাজি?
- হুম রাজি! রাজি না হয়ে কি করবো
বলো?
- মানে?
- দেখো অভি এ পর্যন্ত আমি
অনেকগুলো বিয়ে ভেঙ্গেছি শুধু
তোমার জন্য! কিন্তু এখন পর্যন্ত তুমি
কোনো চাকরি যোগার করতে
পারোনি! আর কত???
- চাকরিটা ই কি সব?
- হুম চাকরিটা ই সব। কারন আবেগ আর
ভালবাসা দিয়ে জীবন চলে না।
.
ফোন রেখে দিলাম, সাথে সাথে
নাম্বারটাও ডিলিট করে দিলাম। আর
কোনোদিন মেঘলার সাথে আমি
যোগাযোগ করার চেষ্টা করিনি।
বহুদিন পর আজ হঠাৎ দেখা!!!
.
ঘোর ভেঙে দিয়ে মেঘলা বলে
উঠলো,
- ইদানিং কি করছো অভি?
- কিছুনা!
- কোনোরকম জব?
- হয়েছিলো, ছেড়ে দিয়েছি!
- কেন?
- কার জন্য করবো বলো? দুনিয়াতে মা
বাবা, বা আপন বলতে কেউ নেই!
একজন মানুষকে অনেক ভালোবাসতাম
সেও আমাকে ছেড়ে চলে গেছে।
এখন চাকরি দিয়ে কি হবে!!!
.
কথাগুলো শুনে মেঘলার চোখের
কোণে জল চলে আসলো! এমন সময় তার
স্বামীর আগমন!
পরিচিতি পর্ব শেষে বিদায়......
.
.
দোকান থেকে ২প্যাকেট সিগারেট
কিনে মেসে চলে গেলাম! আজ
সারারাত ঘুম হবে না, পূর্বের
স্মৃতিগুলো খুব বেশী মনে পড়বে!!
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now