বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
১.
লেফটেন্যান্ট কর্নেল শফি সফ্ট সাটিন নাইট ড্রেসে ঘরে আসতেই ডোনা বুঝতে পারে। সে সুইজারল্যান্ড থেকে আনা সুগন্ধি মোম জ্বেলে নেয়। বিছানায় লেফটেন্যান্ট তার পুরো শরীরটাকে আষ্টেপৃষ্ঠে ধরলে ডোনা সম্পূর্ণরূপে তাঁর শরীরের চাপ অনুভব করে। তখনো কর্নেল স্লিপিং গাউনের ফিতা উন্মুক্ত করেননি। সাধারণত সেটা আর একটু পরের পর্ব। প্রথমে চেপে থাকা ডোনার শরীর থেকে পোশাক টেনে টেনে খুলবেন তিনি; এবং নিজের গাউন উন্মুক্ত করবেন একটানে, মাত্র একটি ফিতায় হাত রেখে। কিন্তু তার আগে তিনি ডোনার ঠোঁটটা পুরে নেবেন মুখের ভেতর। ঘরে তখন সৌরভময় ধোঁয়া ছড়িয়ে গলে পড়ছে মোম। ডোনা প্রতিটি মুহূর্তকে তারিয়ে তারিয়ে অনুভব করে। ঠোঁট পিষ্ট শেষ হতে না হতেই ফোনটা বেজে ওঠে। অনায়াসে শফি উঠে পড়লেন। ডোনা শুয়ে শুয়ে অপেক্ষা করে। তার শরীর জেগে উঠেছে, তাড়া সইছে না।
লেফটেন্যান্ট বুট ছাড়াই পা ফ্লোরে দপ করে ফেলে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘ইয়েস, স্যার।’
ডোনা বিছানা থেকে দেখে বুঝতে পারছে না, শফির মুখে কোনো ভাঁজ পড়ছে কি না। মোমের আলোতে ঠিক মুখের কাছে মুখটা মুখোমুখি ঝুলে থাকলেই কেবল সে ভালো করে তাঁকে দেখতে পায়। একসময় একটি তুলতুলে পাখির ছানার মতো সে শফির বুকের সঙ্গে মিশে থাকতে থাকতে দেখত শারীরিক শ্রমের প্রতি পর্বে তাঁর মুখের ভাঁজের পরিবর্তন।
লেফটেন্যান্ট পা আরও সোজা করে বললেন, ‘ইয়েস, স্যার।’
এবং আবারও বললেন, ‘ইয়েস, স্যার।’
এবার তিনি রুম থেকে বেরিয়ে গেলেন, ডোনা অনুভব করল, তার ঠোঁট এতক্ষণে স্বাভাবিক হয়েছে এবং ঠোঁটে দাঁতের স্পর্শে মাংস উঁচু হয়ে গেছে। সে তবু একটুও নড়ে না। সে অপেক্ষা করে লেফটেন্যান্ট কর্নেলের ফিরে আসার। আর ভাবতে থাকে, ফিরে এসে তিনি কি আবার ঠোঁট থেকে শুরু করবেন নাকি পিঠের নিচে হাত দিয়ে খুলে ফেলবেন হুক? সে চোখ বন্ধ করে বিষয়টি অনুভবে আনতে চায়। ঠিক তখনই পাশের ঘর থেকে ভেসে আসে অতিপ্রিয় বুটের শব্দ। আজ রাতে সেই স্বপ্নময় আওয়াজে ডোনা চমকে ওঠে। চোখ মেলে দরজায় দেখতে পায় তাঁকে।
সেখান থেকেই লেফটেন্যান্ট শফি বলে ওঠেন, ‘গুড নাইট, সুইটহার্ট।’
বুটের আওয়াজ তুলে চলে যান শফি। ডোনার ঠোঁটে হঠাৎ ব্যথা অনুভূত হয়। মিলিয়ে যেতে থাকা বুটের শব্দকে ফিরে চলা ঘোড়ার খুরের আওয়াজ বলে মনে হয়। সে ব্যথিত হয়। সেই কবে থেকে ঘোড়ার খুরের ধুলো উড়িয়ে আসার প্রতীক্ষায় ছিল সে! আজ প্রথমবারের মতো মনে হয়, ঘোড়া চেপে নয়, ফিরে এসো রাজকুমার নগ্ন পা ফেলে।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now