বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

স্কুলের সেই মেয়েটি

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মোঃ ছহিনুর রহমান বিন মনির (০ পয়েন্ট)

X . . প্রতিদিনই দেখতাম তাকে ……… প্রতিদিন দেখতে দেখতে কখন যে মেয়েটি আমার মনে জায়গা করে নিয়েছে বুঝতেই পারিনি……… মনের সেই ছোট্ট ঘরে বাসা বেধেঁ ফেলেছে ……… . . আমি রকি…… সিভিল ডিপার্টমেন্টে ডিপ্লোমা করতেছি……… বাবা মায়ের খুব আদরের ছেলে ……আমার একটি ছোট্ট মিষ্টি বোন আছে ………এই হলো আমার পরিবার ………আর যে মেয়ের কথা বলতেছি সেই মেয়েটি হলো রিতু …… আমার মনের সেই ছোট্ট ঘরের বাসিন্দা ………এই হলো পরিচিত …… এখন গল্পে ফিরি ………… . . আমার বাসা যেখানে সেইটা একদম গ্রামও নয় আবার শহর ও নয় মাঝামাঝি কোন একটি ……… আমাদের সেই গ্রাম আর শহর এর মাঝামাঝি জায়গায় একটি হাইস্কুল আছে আর সেই স্কুলেই ক্লাস নাইনে রিতু পড়ে ……আর একি স্কুলে আমার বোনও পড়ে ক্লাস সিক্স এ …… একি স্কুল হওয়ার কারণে রিতুকে আমার বোন খুব ভালো করেই চিনতো…………খুব ভালো …………আমি এবং আমার বন্ধুরা বেশির ভাব সময় স্কুল মাঠে আড্ডা দিতাম কারণ ছিল আমার দুই বন্ধু এই স্কুলের অন্য দুই মেয়ের সাথে প্রেম করে সেই মেয়েরা ক্লাস টেনে পড়ে……… যার কারণে স্কুলেই সময় কাটতো …… ওরা করতো প্রেম আর আমি শুধু দেখেই যেতাম ……… কখনো বলার সাহস পেতাম না …… মাঝে মাঝে আমার বোনের সাথে ঘোরাঘুরি করতো …… আমি যে রিতু কে পছন্দ করি এইটা শুধু আমার মধ্যেই ছিলো……… আমার বন্ধুরা বা আমার বোন কেউ ই জানতো না ……… রিতু মোবাইল ব্যবহার করতো …… একদিন স্কুলের পাশের দোকান থেকে মোবাইলে টাকা উঠায়তে যায় …… কোনো ভাবে এইটা আমার চোখে পড়ে আর পড়তেই বসা থেকে উঠে দোকানে গেলাম …… রিতু দোকান থেকে চলে যাওয়ার পর দোকানদার এর কাছে থেকে ওর নাম্বার টা নিলাম ……… দোকানদার পরিচিত তাই নাম্বার নিতে খুব একটা সমস্যা হলোনা ……… . সেই দিন রাতেই আমি রিতু কে প্রথম ফোন দেই ……… ওই পাশে ফোনেটি ধরল রিতু …… . রিতু : হ্যালো ……… . আমি : ……… ( কি বলব ……চুপ করে আছি …… রিতুর হ্যালো শুনেই তো মনে একটা শিতল বাতাস বয়ে গেল ……) . রিতু : হ্যালো ………কে বলছেন …… . আমি : ………… ( এইবার ও চুপ) . রিতু : কে বলছেন ……… কথা বলার সাহস না থাকলে ফোন দেন কেন …… যত্তসব …… . এইবার আর চুপ থাকা যাবেনা …… . আমি : জি …… আমি বলছি …… . রিতু : আমি কে হুম্ম ……… বাবা মা কি নাম রাখেনি নাকি ……… . স্কুলে এ মেয়েটি কে প্রতিদিন দেখে যতটা শান্ত মনে হয়েছিলো আসলে এখন তার বিপরীত ……যাই হোক . আমি : আমি আপনার পরিচিত একজন …… রোজ আপনাকে দেখি ……… আর সেই রোজ দেখতে দেখতে কখন যে চুরি করে আপনি আমার মনে প্রবেশ পরেছেন তা আমি বুঝতেই পারিনি ……… আচ্ছা বলেন তো …… মনে এতো সিকুরিটি দেওয়ার পরেও কিভাবে প্রবেশ করলেন …… . রিতু : আচ্ছা আপনার মাথার কি কোনো সমস্যা আছে নাকি ……… কি সব উল্টো পাল্টা কথা বলছেন …… আমি তো আপনাকে চিনিই না তাহলে এইসব বলছেন কেন ……… . আমি : চুরি করে মনের ভিতরে বাসা বেধে এখন বলছেন চিনিনা হুম্ম …… এখন এইসব বললে হবেনা বুঝলেন ……… থানায় মামলা করবো বলে দিলাম ……… . রিতু : এই যে দেখুন …… আপনার মনে হয় পাবনা গিয়ে মাথার চিকিৎসা করানো দরকার সুতরাং দয়া করে আগে চিকিৎসা করান………… বুঝলেন ……… যত্তসব …… বলেই ফোনেটি কেটে দিলো ……… . এইদিকে আমার অনেক মজাই লাগছে …… অনেক ভালো লাগছে ……… মনের মানুষের সাথে দুষ্টামি করে ……… ওরে ভালবাসা এতো দিন কই ছিলি রে ……………… . পরেরদিন স্কুলের মাঠে আবার আড্ডা দিচ্ছিলাম ……… দিতেই দেখি ……… রিতু আর ওর কিছু বান্ধবী স্কুলের বারান্দায় বসে অনেক হাসাহাসি করতেছে ……… দেখেই মনে দুষ্টু বুদ্ধি এলো তাই বন্ধুদের থেকে একটু দূরে গিয়ে রিতু কে ফোন দিলাম …… . আমি : হ্যালো …… মনের মানুষ …… আজকে মনে হয় অনেক আনন্দে আছেন ……… . রিতু : আবার আপনি ফোন দিয়েছেন কেন হুম্ম ………… আর আমি আনন্দে থাকি আর দুঃক্ষে থাকি তাতে আপনার কি ……… . আমি : সব তো আমার ই ……… আপনি আনন্দে না থাকলে যে আমার আকাশ টা মেঘলা হয়ে যায় ……… দিন রাত সব কিছুই যে আধার হয়ে যায় ……… . রিতু : হইছে হইছে …… অযাথা প্যাচাল ছাড়েন …… কি জন্য আবার ফোন দিয়েছেন বলেন তো ……… . আমি : আপনাকে আজকে অনেক সুন্দর লাগতেছে ……… আবার নতুন করে আপনার প্রেমে পড়ে গেলাম ……… . রিতু : পাগল …… আর একবার ফোন দিলে ………ফোনের ভিতরেই আপনাকে খুন করবো বলে দিলাম ……… . এই রে খুব রেগে গেছে …… ভয়ে কেটে দিলাম ……… . . এইভাবেই আমার দুষ্টু মিষ্টি ভালবাসা চলতেছিল …… দিনের ভিতরে কয়েকবার ফোন দিয়ে রিতুর সেই ঝাড়ি গুলো না শুনলে আমার রাতে ঘুম ই আসেনি ……… আস্তে আস্তে আমার পুরো অস্তিত্ব জুরেই এখন রিতুর বসবাস ……… . কিন্তু কথায় আছে না ……যে চোরের দশ দিন আর সাধুর একদিন ……… আমার বেলায় ও তেমন ই হলো……… . এখন বিকেল ……আজকে দুপুর থেকেই অনেক বৃষ্টি হচ্ছে …… তাই স্কুল ছুটির সময় যে প্রতিদিন রিতুর সাথে দেখা হতো আজকে সেইটা আর হবেনা ……… তাই রুমে বসেই ফোন টিপতেছি ……… হটাৎ ……… রিতু ফোন দিছে …… ফোনের রিতুর ফোন আসা দেখে আমি একদম স্থির হয়ে গেছি ভাবতেই পারছিনা রিতু আমাকে ফোন দিবে ……… তারপর ভাবলাম হয়তো আজকে ছুটির পর আমাকে দেখতে না পেয়ে মনটা অস্তির হয়ে গেছে …… এইসব ভাবতেই ফোন কেটে গেলো ……… আবার ফোন দিলো ……… খুব আনন্দে ফোনটি ধরলাম ……… . আমি : হ্যালো …… মনের মানুষ ……… কিন্তু অপর পাশে থেকে যে ভয়েজ টা আসল তা শুনে আমার অবস্থা খারাপ হয়ে গেলো ……… অপর পাশে থেকে আমার বোন বলল ভাইয়া ছাতা নিয়ে আস ……… বৃষ্টির কারণে বাসায় যেতে পারছিনা ……… ফোন পেয়ে মনের ভিতরে ভোল্টেজ বেরে গিয়েছিল …… কিন্তু বুঝতে পারিনি অতিরিক্ত ভোল্টের কারণে বাল্ব কেটে যায় ……… যেমন টা আমার হলো …… . ভয়ে ভয়ে ছাতা নিয়ে যাচ্ছি …… আর ভাবতেছি……… ওর সামনে কিভাবে দাড়াবো ……… এইসব ভাবতে ভাবতে স্কুলে চলে আসলাম ……… এসে দেখি রিতু চলে গেছে ……… আমার বোন আর বোনের কয়েকজন বান্ধবী আছে …… ভালোই হলো …… রিতু নেই ……… বোন কে নিয়ে আসতেছি ……… . আমি : আচ্ছা আর কারো ফোন ছিলনা নাকি ……… ফোন করার জন্য হুম্ম ……… . বোন : কেন ভাইয়া …… কি হইছে . আমি : কিছুনা ……… . বোন : জানো ভাইয়া …… তোমার নাম্বারে ফোন করার পর রিতু আপু বলল এইটা কার নাম্বার ……আমি বললাম এইটা আমার ভাইয়ার নাম্বার …… . আমি : এই সেরেছে ………রে ……… . বোন : কেন ভাইয়া কি হইছে …… . আমি : কিছুনা ……… যা হবার তা তো হয়ে গেছে ………( মনে মনে ) . এর পর ২ দিন স্কুল মাঠে যাইনি আর ……… কিভাবে যাবো ভয় লাগছে সাথে লজ্জা ও লাগছে ……… কিভাবে দাড়াবো ওর সামনে………যদি বলে আপনি আমাকে ফোন দিয়ে বিরক্ত করেন …… আমি ভাবতাম আপনি অনেক ভালো কিন্তু আপনি যে এইরকম তা কখনো ভাবিনি ……… ধূর কি ভাবছি এইগুলা …… . আজকে সকালে শুয়ে আছি …… অনেক বেলায় হয়ে গেছে ……… মা কয়েক বার ডেকে গেলেন …… ছোট বোন স্কুলে চলে গেছে ……… হটাৎ কে যেন ফোন করল ……… মোবাইলে তাকিয়ে দেখি ……… রিতুর নাম্বার …… আবার মনে হয় ছোট বোন কিছু ছেরে গেছে …… এই মেয়েটা যে কি করে ……ফোনেটি ধরলাম …… . আমি : হ্যালো …… এই কি ছেরে গেছিস আবার আজকে হুম্ম . রিতু : হ্যালো …… আমি রিতু বলতেছি ……… . আমি : ওহ আপনি ……… বলেন …… . রিতু : কি মশাই …… এই আপনার সাহস …… আপনি তো দেখছি ভীতুর ডিম একটা ……… . আমি : এই যে দেখুন আমিও মোটেও ভীতুর ডিম নয় . রিতু : তাহলে সেইদিন আপনার বোন আমার নাম্বার দিয়ে কথা বলার পর থেকে আপনার আর কোনো খোজ নেই কেন …… নাকি পাবনা গিয়েছিলেন চিকিৎসার জন্য হুম্ম . আমি : জি না ……… . রিতু : বিকেলে স্কুল ছুটির পর একটু দেখা করিতে পারবেন …… . আমি : কেন ……… . রিতু : একটু দেখবো আপনাকে …… কিভাবে আমার প্রেমে পড়লেন …… সেই গল্প শুনবো … . আমি : পারবোনা ……… . রিতু : আচ্ছা ঠিক আছে তাহলে আপনার বোনের সাথে …… আপনাদের বাসাতেই যাবোনি ……সেখানেই সব শুনবো . আমি : এই না না ……… আমি আসবোনি …… . রিতু : আমি অপেক্ষা করিবো . আমি : ওকে . রিতু : এখন রাখি ………bye . ফোনেটি রেখে ভাবতে লাগলাম ……… আচ্ছা রিতু কি তাহলে এই কয়দিন আমাকে মিস করেছে নাকি ……… মনে হয় করেছে …… যদি না করতো তাহলে …… কেনই বা বলবে যে কয়দিন দেখিনি আর কেনই বা দেখা করতে চাইবে ……… maybe something something …… মনে লাড্ডু ফুটতেছে ………ইয়াহু . বিকেলে সঠিক সময়ে স্কুলে চলে গেলাম …… স্কুল ছুটি হলো সবাই চলে গেলো …… আর রিতু একটি গাছের নিচে দাড়িয়ে আছে …… আমি সেখানে গেলাম …… গিয়ে মাথা নিচু করে দাড়িয়ে আছি …… কি বলব বুঝতেছিনা ………রিতুই প্রথমে বলতে লাগলো …… … … রিতু : তো রকি সাহেব কেমন আছেন ……… . আমি : জি ভালো ……… আপনি …… . রিতু : আপনি! ( কিছুটা আশ্চর্য হয়ে) জি আমিও ভালো ……তো আমাকে ফোন দিয়ে বিরক্ত করেন কেন ……… . আমি : আমি মোটেও বিরক্ত করিনা …… আর কেন ফোন দেই তা আমি আগেই বলেছি আপনাকে …… . রিতু : হুম্ম জানি কিন্তু এইটা কি আসলেই ভালবাসা নাকি অন্য কিছু . আমি : অন্য কিছু মানে কি …… আমি সত্যি ই আপনাকে ভালবাসি …… . রিতু : ভালবাসার মানুষ কে কি কেউ আপনি করে বলে নাকি …… . আমি : কি করবো ……তুমি বলার অনুমতি এখনো পাইনি যে …… . রিতু : কিছু জিনিস এর অনুমতি লাগেনা ……… যেমন আমি তোমার অনুমতি ছাড়াই তোমার মনটা চুরি করেছি ( লজ্জা মাখা মুখে) . আমি : তারমানে …… তুমি রাজি ……… . রিতু : সবকিছু কি বলে বুঝাতে হবে হুম্ম ……… তুমি কি গাধা নাকি …… লেখাপড়া কর তো সিভিল নিয়ে তাই বলে কি মাথায় খালি সিমেন্ট আর বালুই আছে নাকি …… যদি তাই ই থাকে তাহলে ঝেরে ফেলে দাও আজকে থেকে ………কেননা ওইখানে এখন থেকে আমি থাকবো আর মনে তো আগে থেকেই আছি …… এখন মিষ্টার সিমেন্ট বাবু একটু রোমান্টিক ভাবে প্রোপোজ করেন তো দেখি কেমন ভালবাসা জমিয়ে রেখেছেন …………. . আমি : প্রোপোজ ও করতে হবে ……আচ্ছা ঠিক আছে ……রিতু আমি তোমাকে অনেক ভালবাসি …… যে ভালবাসা লাইলি মজনু কে বেসেছিল …… সিরি ফরহাদ কে …… তার চাইতেও বেশি ভালবাসি এবং সারাজীবন এইভাবেই ভালবাসতে চাই …… এই ভালবাসার সুযোগ টা কি দিবা আমাকে ……… . রিতু : যা ভেবে ছিলাম ঠিক তাই …… মাথায় শুধু সিমেন্ট আর বালু ই আছে …… যাই হোক এইগুলা ঝাড়ু দিয়ে বের করবো নি …… আপাতত সুযোগ টা দিলাম …… কিন্তু আরো রোমান্টিক হতে হবে বুঝলেন মিষ্টার সিমেন্ট বাবু ……… . আমি : মানে ……… . রিতু : I love u…………… . আমি : love u toooooo . . . এইভাবে শুরু হয়েছিল রকি আর রিতুর ভালবাসা …… . দীর্ঘ দিন প্রেম করার পর আজ তাদের পারিবারিক ভাবে বিয়ে……… দুইজন ই এখন ভালো চাকরি করে ……… . বাসরঘরে রিতু বসে আছে কিন্তু রকি আসার নাম ই নেই …… রিতুর মেজাজ গরম হয়ে যাচ্ছে ……কিছুক্ষণ পর রকি আসল …… … রিতু : এতোক্ষন লাগে আসতে হুম্ম . রকি : কি করবো বন্ধুরা যে ছাড়তে ছিলনা তাই একটু দেরী হলো …… . রিতু : তো বন্ধুদের জন্য যখন এতোই ভালবাসা তাহলে আমাকে এনেছ কেন . রকি : কি বলছ …… তুমি আর বন্ধুরা কি এক নাকি …… তুমি তো আমার সব . রিতু : আচ্ছা এতো দিন তো আমরা প্রেম করলাম …… আমার সাথে প্রেম করার পর কি তোমার মাথা থেকে সিমেন্ট আর বালু বের করতে পেরেছি নাকি তার প্রমাণ দাও . রকি : কি বল হুম্ম আজকে আমাদের বাসর রাত …… এইরাতে মানুষ কত কি করে আর তুমি প্রমাণ নিবা ………? . রিতু : হুম্ম নিবো …… প্রমাণ দিতে পারলেই আমাকে পাবে আর না হলে …… খাটে জায়গা নেই . রকি : কি প্রমাণ নিবা বলো . রিতু : রোমান্টিক ভাবে প্রোপোজ করতে হবে ……… . রকি : আচ্ছা ……… . আজকে রকি মোটামুটি রোমান্টিক ভাবে প্রোপোজ করে কিন্তু কথায় আছে না …… যে ………কয়লা হাজার ধুলেও ময়লা যায়না ঠিক তেমনই রকির মাথা থেকে পুরোপুরি ভাবে সিমেন্ট আর বালু বের হয়নি ……… কিন্তু রিতু আর কি করবে বিয়ে তো হয়ে গেছে …… তাই পাগল টাকে খাটেই জায়গা দিলো …… . শুরু হলো নতুন পথ চলা ……… . ………………সমাপ্ত ……………………


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৯৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ স্কুলের সেই মেয়েটি

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now