বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

স্কাইডাইভ (২য় পর্ব)

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X আমার মামির বোনের মেয়ে, মামাত ভাইবোনদের খালাত বোন অথবা আমার দূর সম্পর্কের কাজিন; যাই বলি না কেন, মিথিলা নামের ঐ মেয়েটি ছিল আমার জীবনের প্রথম আর শেষ ভালবাসা। জানি আমার মত ছেলেদের জীবনে মানায় না এসব, কিন্তু স্বপ্ন তো আর কোনো বাস্তবতা মানে না! ঐ স্বপ্নগুলিই তো আমাকে বাঁচিয়ে রাখলো পুরো বিশটা বছর জুড়ে! মিথিলা আমার এক বছরের ছোট। ক্লাস থ্রি-তে যখন পড়ত ও, তখনই ওরা সপরিবারে লন্ডন চলে যায়। কিন্তু একটা সময়ে এসে দেখা গেলো যে ওখানকার পরিবেশ বা পড়াশোনা কোনোটাই ভালো লাগছে না তার! বাবা মায়ের একমাত্র মেয়ের আবদারে তাই দেশে ফিরে এলো তারা। আমার কল্পনার রসদ যোগানো আর ধীরে ধীরে বাস্তবতায় আগমন করার জন্যই হয়ত তার এ ফিরে আসা! যাই, হোক সেদিন মিথিলার সাথে কোনো কথা হল না আমার। আকস্মিক বিবর্তনের সেই রেশটা কাটিয়ে উঠার পর ড্রইংরুম থেকে আমার রুমটাতে চলে গেলাম। এরপর প্রায়ই আসত মিথিলা, একই এলাকাতে ছিল ওদের বাসা! এ বাসাটাতে তার প্রায় নিয়মিত আসা যাওয়ার কল্যাণে তাকে “প্রথম” দেখাটির কিছুদিন পর তার সাথে কথাও হয় আমার! “হাই রিহান, আমাকে চিনতে পেরেছ?” অংক খাতা কিনে বাসায় ফিরছি তখন আমি। বুঝতে কিছুটা কষ্ট হচ্ছিলো আমার, যে এটা সত্যিই হচ্ছে কিনা! বেশ কিছুক্ষন শুধু একদৃষ্টিতে তাকিয়েই থাকলাম আমি! ইকটু পর নিজেকে সামলে নিয়ে শুধু বললাম, ”হু, পেরেছি।“ “এতক্ষন লাগলো চিনতে? তুমি কত্ত খারাপ হয়ে গেছ!” “আসলে চিনতে পারলেও বলতে পারছিলাম না!” “মানে!?” মানে অনেক কিছু। সেই অনেক কিছু বোঝানোর ভাষা আমার ছিল না। মিথ্যে করেই তাই বললাম, "মানে কিছু না! আমি রুম এ যাই, পড়তে হবে।" অরনী আপু মিথিলার পাশেই বসা ছিল, রুমে যাওয়ার সময় বেশ দূর থেকেই স্পষ্ট শুনতে পেলাম, "স্ক্রু ঢিলা ছেলে ও একটা! হাহাহাহা!" জবাবে খুব সম্ভবত কিছুই বলে নি মিথিলা। পিছনে ফিরে তাকিয়ে দেখলাম অবাক চোখে আমার দিকেই তাকিয়ে আছে ও! এভাবে প্রায় তিন বছর পার হয়ে গেলো। দূর থেকে ওকে দেখতাম লুকিয়ে লুকিয়ে।কখনো সে আমার সামনে পড়ে গেলে হয়ত কথা হত। কিন্তু আমাদের কথোপকথন কখনোই তিন-চার লাইনের সীমাখানি অতিক্রম করতে পারত না। ক্রমে ক্রমে অস্থিরতা বাড়তে থাকলো আমার মধ্যে। ওহ, মাঝখানে আমার এস.এস.সি পরীক্ষাটাতে খুব বেশি ভালো করতে পারি নি আমি। প্রায় দিনরাত বই নিয়ে পড়ে থাকা একটা ছেলের এর চেয়ে বেশি প্রত্যাশা থাকতেই পারে। কিন্তু নাহ! সবার আশা যে পূরণ হতে নেই! এর পর প্রথম সারির শেষ দিকে থাকা একটা কলেজে ভর্তি হলাম আমি! এবারো প্রতিষ্ঠানটি সরকারিই ছিল!! কলেজে ভর্তির পর মোবাইল ফোন কিনে দেওয়া হল আমাকে। একদিন সাহস করেই ওর নাম্বার চেয়ে বসলাম! নাম্বার দিয়ে দিল সে, অনেকটা যেন খুশি হয়েই! কিন্তু ওকে ফোন করার মত সাহস হচ্ছিল না আমার। ওর নাম্বার ওপেন করে পড়ার টেবিলটাতে বসে থাকতাম ঘন্টার পর ঘন্টা, কিন্তু কল বাটন আর চাপা হত না! এভাবে আরো মাস দুয়েক পার হয়ে গেলো। অর্ধেক দিন আমার কাটতো তার ভাবনায়,আর বাকি অর্ধেক দিন কাটাতাম পড়াশোনার ব্যর্থ প্রচেষ্টায়। কিন্তু একদিন রাতে হঠাৎ করেই ফোনটা তাকে করেই ফেললাম। “হ্যালো, কে?” “আমি রিহান! কেমন আছো?” “উফ, ভালো! এতদিনে ফোন করলা তুমি! কেমন আছো!?” “ভালো! আচ্ছা তোমার ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো অনেক পছন্দ না?” “হুম! কিন্তু হঠাৎ এটা আস্ক করতেসো যে!?” “ওর একটা স্কেচ আর্ট করসিলাম, তুমি নিবা!?” অনেক সাহস করেই ওকে ফোনটা করেছিলাম, তবে কি বলব তা চিন্তা করে রাখিনি! কিন্তু তাই বলে যে এরকম নির্বোধ একটা মিথ্যা কথা বলে ফেলবো কখনো ভাবিনি! কথাটা বলে ফেলার পর আমি বুঝতে পারলাম যে কি বলে ফেলেছি আমি!! খুব অবাক হল সে, হওয়ারই কথা! খুশিও হয়েছিলো নিশ্চিত ভাবেই! “আল্লাহ্‌! তাই!? নিবো না কেন!? তুমি কবে দিবা!?” মহা টেনশানে তখন আমি! কিন্তু সেই মুহূর্তের জন্য টেনশানটাকে চেপে রেখে বললাম, “পরশু? কাল কলেজ খোলা তো! আর পরশু তো শুক্রবার। ওইদিন নিতে পারবা তুমি?” “হুম! অবশ্যই!” ফোন রেখে দিলাম ইকটু পর। মিনিট দশেক কথা হয়ে গেলেও আমার মাথায় তখন চিন্তা শুধু একটাই! রোনালদোর স্কেচ!যেভাবেই হোক কিছু একটা করতেই হবে! কিন্তু কিভাবে? মোটামুটি একটা প্ল্যান দাঁড় করিয়ে ফেললাম মিনিট দশেকের মধ্যেই,যার প্রথম স্টেপ ছিল অর্ণব ভাইয়ার ল্যাপটপ চুরি করা! ভাইয়া দরজা খুলেই ঘুমায়, তাই খুব বেশি কষ্ট হল না কাজটা করতে! ল্যাপটপটা নিয়ে আমার রুমে আসলাম। মামার বাসাখানি ওয়াই-ফাই করা থাকায় খুব সহজেই ইন্টারনেট থেকে রোনালদোর ভালো কিছু ছবি সেভ করে নিয়ে আমার মোবাইল এ রাখলাম! তারপর ল্যাপটপ এ ছবিগুলো থেকে একটা দেখে স্কেচ আঁকার চেষ্টা করছিলাম! প্রায় রাতভর প্র্যাকটিস করলাম, শুরুর দিকে একদমই হচ্ছিলো না, কিন্তু রাত ঘনিয়ে আসতে আসতে টের পেলাম বেশ ভালোই হচ্ছিলো আমার আঁকা! রাত যখন প্রায় শেষের দিকে, তখন ডিলিট করে দিলাম ছবিগুলি ল্যাপটপ থেকে। তারপর যেখান থেকে এনেছিলাম সেখানেই আবার রেখে আসলাম ওটাকে, সম্পূর্ণ নিরাপদে! সকালে ছবিগুলি একটা দোকান থেকে প্রিন্ট করিয়ে আনলাম বেশ বড় সাইজের একটা কাগজে। দুই কপি প্রিন্ট নিলাম। একটা কালার সহ আর আরেকটা প্রিন্ট সাদাকালো! তারপর কিনলাম দুইটা আর্ট পেপার আর একটা করে HB,2B আর 4B পেন্সিল। বাসায় ফেরার সময় ড্রইংরুমে বসে টিভি দেখতে থাকা অরনী আপু ভুরু কুঁচকে তাকালেও সে ব্যাপারটাকে পাত্তা দিলো না তেমন একটা! কলেজে গেলাম না সেদিন। এমনিতেও তেমন একটা দরকার পড়ে না যাওয়ার, তবুও নিয়মিত ক্লাস করতাম আমি; যদিও অধিকাংশ ক্লাসমেটরাই ক্লাস না করে ঘুরে বেড়াত বিভিন্ন জায়গায়! যাই হোক,রুমে ফিরে ছবি আঁকতে লেগে গেলাম আমি! প্রিন্ট করে আনা ছবিটা দেখে ঠিকভাবে আঁকার প্রচন্ড চেষ্টা আর ইরেজার এর চূড়ান্ত সদ্ব্যবহারের পর বিকালের দিকে টের পেলাম বেশ ভালোই এঁকেছি আমি! কিন্তু নাহ,তবুও পুরোপুরি সন্তুষ্ট না আমি। মিথিলাকে দেওয়ার জন্য আরো পারফেক্ট চাই! তাই আরেকবার ছবিখানা আঁকলাম আরেকটা আর্ট পেপার এ! এবারে অনেকটাই ফ্রেশ আর আরো কিছুটা সুন্দর করে আঁকলাম আমি! রাত ৯টার দিকে আমি টের পেলাম যে মিথিলাকে দেওয়ার মত কিছু একটা সৃষ্টি করতে পেরেছি আমি! পরদিন সকালে ফোন করলাম তাকে। ওর বাসার সামনে আমাকে যেতে বলল মিথিলা। স্কেচটা দিলাম ওকে। ভীষণ খুশি হল মিথিলা! অনেকবার “থ্যাঙ্ক ইউ” বলল সে! নিঃসন্দেহে সেটি ছিল আমার জীবনের অতি সামান্য সংখ্যক সার্থক মুহূর্তগুলির একটি! এরপর মাঝেমধ্যেই কথা হত আমাদের। মিথিলাই ফোন করত। আর আমি শুধু দিনরাত ওর ফোনের জন্য অপেক্ষা করতাম! এভাবেই আরো কয়েকমাস কেটে গেলো। ধীরে ধীরে অনেক বদলে গেলাম আমি। বদলে গেলো আমার চুলের স্টাইল, পোশাক-আশাক আর বেশভূষা! নিজেকে অনেকটাই ঘুছিয়ে নিলাম আমি। এরপর বসন্তবরণের দিন ওকে আমার সাথে ঘুরতে বেরোবার জন্য বললাম! আমার সাহস সেই সময়ে আকাশচুম্বী! আকাশচুম্বি সেই সাহসে মিথিলাও বেশ ভালোভাবেই বাতাস দিচ্ছিলো! আমার সাথে ঘুরতে বেরোবার জন্য রাজি হল সে! সেদিন লাল রঙের শাড়িতে অসম্ভব সুন্দর লাগছিলো মিথিলাকে। তার রুপের ব্যাপারে বিধাতা যেন প্রচন্ড বাড়াবাড়িই করে ফেলেছে! ওর চোখ দুটি থেকে চোখ সরাতে পারছিলাম না আমি। বারবারই রবিঠাকুরের সেই লাইনদুটি মাথার মধ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছিল, “প্রহর শেষের আলোয় রাঙা, সেদিন চৈত্র মাস; তোমার চোখে দেখেছিলাম আমার সর্বনাশ।” রিক্সায় করে আর পায়ে হেঁটে সেদিন অনেক ঘুরলাম আমরা। ফিরে এলাম প্রায় চার ঘন্টা পর।রিকশায় করে মিথিলাকে ওর বাসার সামনে নামিয়ে দেওয়ার পর ওকে বললাম, “একটা কথা বলতে চাই, বলব?” “উহু, বইলো না! আমি জানি তুমি কি বলবা! ওইটা তোমাকে আগে বলতে দিব না আমি! আমি বলব আগে,আমি! কিন্তু এখন না!” অতটুকুই যথেষ্ট ছিল আমার বুঝে নেওয়ার জন্য,কখনোই হয়ত দরকার ছিল না এর চেয়ে বেশি কিছু বলার!! পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ তখন আমি!! প্রচন্ড খুশির বহিঃপ্রকাশটাকে অনেক কষ্টে নিয়ন্ত্রণ করে শুধু বললাম, "অপেক্ষা করবো আমি!" মৃদু হেসে সেদিনের মত বিদায় জানালাম তাকে। তখন দ্বিতীয়বারের মত মনে হল ,যে “আমি আর আমি নাই!” এরপর থেকে প্রায় প্রতিদিনই ফোনে কথা হত আমাদের। কথা হত রোজ ঘটে যাওয়া খুঁটিনাটি সব বিষয় নিয়ে, রাত শেষ হয়ে ভোর হয়ে যেত, কিন্তু কথার ফুলঝুড়ি ফুরোতে চাইতো না! একদিন রাতে সে বলেই ফেলল “ভালোবাসি”। সব কিছু খুব সুন্দরভাবেই চলছিলো আমাদের। আমরা কথা বলতে শুরু করলাম আমাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে, ভবিষ্যতের স্বপ্নগুলি নিয়ে। মিথিলা চাইতো খুব বড় একটা কিছু হই আমি ভবিষ্যতে। আমাকে ভালো করে পড়াশোনা করতে বলত সে।আমরা কথা বলা কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিলাম। খুব মাঝেমধ্যে দেখা হত আমাদের; আর কথাও খুব একটা হত না। দিনরাত বই নিয়ে বসে থাকতাম আমি। পড়াশোনা হয়ত খুব একটা খারাপ হত না, কিন্তু মিথিলার ভাবনাতেই আমি পরে থাকতাম তার চেয়ে বেশি সময় ধরে! পড়তে পড়তেই হঠাৎ হারিয়ে যেতাম মিথিলায়...... জ্যামিতির উপবৃত্তের দিকাক্ষ দুটিকে মনের অজান্তেই বক্ররেখায় পরিণত করে ফেলতাম আমি। আর আমার হাতের ছোঁয়ায় বক্ররেখা দুটি থেকে ক্রমেই চিকন ডালপালা গজিয়ে কখন যে সেটা মিথিলার চুলের রেখাচিত্রে পরিণত হত,তা কখনোই টের পেতাম না! আর তারপর সেই উপবৃত্তখানির ভিতর ক্রমেই চিত্রায়িত হতে থাকত তার টানা দুটি চোখ,ছোট খাড়া নাক আর চিকন দুটি ঠোঁট! আমার খাতাগুলির পৃষ্ঠায় পৃষ্ঠায় শুধু মিথিলা আর মিথিলা! প্রিটেস্ট-টেস্ট আর মডেল টেস্ট গুলিতে ধীরে ধীরে ভালো থেকে আরো ভালো করতে থাকলাম আমি, ভালোই চলছিলো সবকিছু। পড়াশোনা, প্রেম আর কল্পনার জগত মিলিয়ে ভালোই কাটছিলো জীবন। কিন্তু সবাইকে তো আর বেশিদিন ভালো থাকা মানায় না, আর আমাকে তো একদমই না! এইচ.এস.সি পরীক্ষার সময় ফিজিক্স পরীক্ষার আগে অসুস্থ হয়ে পড়লাম আমি। পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র পরীক্ষাটি আমার দিতে হয় ১০২ ডিগ্রী জ্বর নিয়ে। দ্বিতীয় পত্র ভালোভাবে দিতে পারলেও যথেষ্ট ছিল না সেটা। বাকি সব পরীক্ষা খুব ভালো করে দিতে পারলেও ঐ ফিজিক্সটাই অবিরতভাবে পোড়াচ্ছিল আমাকে... পরীক্ষা শেষ হল আমার। কিন্তু তারপরও কেনো জানি আমাকে খুব বেশি সময় দিত না তখন মিথিলা। সব সময়ই কোনো না কোনো কাজে সে ব্যস্ত থাকতো। একদিন ও বলল আমাকে ভার্সিটি অ্যাডমিশন পর্যন্ত পড়াশোনা সিরিয়াসলি করতে!! মেনে নিলাম আমি। বিশ্বাস ছিল, নিশ্চয় আমার ভালোই চাবে সে! আমাদের কথাবার্তার পরিমাণ একদমই কমে গেলো আবারো। পড়াশোনায় মনোযোগী হলাম আমি আবারো। কিছুদিন পরে রেজাল্ট দিল। ফলাফল যা হওয়ার তাই হল। ঐ এক বিষয়ের জন্যেই আমার পছন্দের কয়েকটি ভার্সিটিতে পরীক্ষা দিতে পারলাম না আমি। মিথিলার কাছ থেকে একটা মানসিক সাপোর্ট আশা করছিলাম আমি,কিন্তু আশানুরূপ কোনো প্রতিক্রিয়া দেখালো না সে। ব্যাপারটাকে পাত্তা দিলাম না আমি। ভাবলাম সে হয়ত আমার উপর ভরসা রেখেছে,তাই বিষয়টাতে এতটুকুও ভেঙে পড়েনি সে! হয়ত সে বিশ্বাস করে যে আমি পারবোই! নিজেকে বোঝাতে লাগলাম আমি! কি হবে আফসোস করে! বাকি অপশন গুলির জন্যেই পড়তে থাকলাম আমি। মিথিলার জন্যে আমি নিজেকে একটা অবস্থানে নিয়ে যাবোই, সবকিছুর পরও আমি ছিলাম দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। (চলবে)


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ স্কাইডাইভ (২য় পর্ব)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now