বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

""সিনিয়র জুনিয়র প্রেম""

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Prince(guest) (০ পয়েন্ট)

X সিনিয়র জুনিয়র প্রেম . আবির- আপু একটা কথা বলি? হুমায়রা- কি কথা? আবির- আচ্ছা তুমি আমাকে কি ভাবো? হুমায়রা- কি ভাবি মানে? তুই আমার ফ্রেন্ড আবার বয়সেও জুনিয়র তাই ছোটভাই ভাবি। আবির- কিন্তু আমি তো তোমাকে অন্যকিছু ভাবি হুমায়রা- কি ভাবিস? আবির- আচ্ছা আমাদের মাঝে অন্য কোন কিছু কি হতে পারেনা? হুমায়রা- মানে? আবির- না মানে আমাদের মাঝে প্রেমের সম্পর্ক হতে পারেনা? হুমায়রা- হোয়াট? . আবির হুমায়রার হাত ধরে বললো আপু "আমি তোমাকে ভালোবাসি" হুমায়রা আবিরকে ঠাস করে এক থাপ্পড় মেরে বললো হারামজাদা কুত্তা, আমার সাথে প্রেম করবি? দাড়া, আরেক থাপ্পড় দিতে চাইলো আবির এক ভো দোড় দিলো। সাথে সাথে ঐখান থেকে পালিয়ে গেলো। . আবির ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে পড়ে। আর হুমায়রা অনার্স সেকেন্ড ইয়ারে। দুজনের বাড়ি কাছাকাছি। প্রায় ৩০/৪০ মিটার দুরত্ব। ওরা দুজনে ছোটকাল থেকেই ভালো বন্ধু। তবে হুমায়রা আবিরের চেয়ে ৩বছরের বড় বিধায় আবির ওকে আপু ডাকে। ছোটবেলা থেকে দুজনে একসাথেই বড় হয়েছে। হুমায়রা অনেক সুন্দর। আবিরও কম নয়। দুজনের মধ্যে একটা মিল হলো কেউই এখনো রিলেশন করেনি। তবে আবির ঈদানিং হুমায়রাকে দেখলে তার মনের মধ্যে কেমন জানি অনুভূতি তৈরি হয়। ওকে আবিরের খুব ভালো লাগে। ধীরে ধীরে সে হুমায়রার প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ে। মনে মনে অনেক ভালোবেসেছে কিন্তু বয়সে ছোট হুমায়রাকে কিছু বলতে পারছেনা। তাই সুযোগ পেলেই হুমায়রার সাথে গল্প জুড়ে দেয়। আজ সাহস করে হুমায়রাকে বলেই ফেললো। কিন্তু হুমায়রা যে এমন রিএক্ট করবে তা আবির কল্পনাও করেনি। এক চড় দিয়েছে যে মনে হচ্ছে এখনও কানে শো শো করে গান বাজছে। চড় খেয়ে দৌড়াতে দৌড়াতে বাড়ি থেকে একটু দুরে ফারুক উদ্দিনের রেষ্টুরেন্টে গিয়ে বসলো। ফারুক সম্পর্কে তার ফুফা হয়। সে তার একমাত্র ফুফুর স্বামী। . ফুফা- কিরে হাপাইতাছছ কেন? আবির- আরে এমনি। খেলে আসলাম তো তাই। ফুফা- আচ্ছা তুই আসছছ ভালো হইছে, দোকানটা দেখ আমি খাইয়া আসি। আবির- ওকে। জলদি আসবা কিন্তু। তুমিতো দুপুরে খাইতে গেলে ২ঘন্টায়ও আসো না। আজকে আমার একটু কাজ আছে। তাড়াতাড়ি আসবা। ফুফা- আচ্ছা ঠিকআছে। . আবির ক্যাশ কাউন্টারে বসে আছে। কিছুক্ষণ পর ওর বন্ধু সাকিব ওখানে এলো.. . সাকিব- কিরে কেমন আছিস? আবির- হ্যা ভালই সাকিব- তোকে তো দেখে ভালো মনে হচ্ছেনা। সব ঠিক আছে তো? আবির- দোস্ত আমি একজনরে ভালোবাইসা ফেলছি! সাকিব- আরে কছ কি? কারে? ট্রিট দিবি কবে? আবির- আরে আলগার ঘরের আলগা আগে কারে ভালোবাসছি সেটা শুন, শুনলে হয়ত টাস্কি খাইতে পারছ। সাকিব- কারে? আবির- হুমায়রারে, সাকিব- কি? এইটা কি শুনলাম? সত্যি তো? আবির- হ্যা দোস্ত, একদম সত্যি। সাকিব- শালা ও তোর চেয়ে বড়। তুই আর ভালোবাসার মানুষ পাইলিনা? আবির- দোস্ত আমি এত কিছু জানিনা। ওরে আমার খুব ভালো লাগে। প্লিজ তুই কিছু কর। আমি ওরে ছাড়া ভালো থাকতে পারবো না সাকিব- তুই ওরে এ ব্যপারে কিছু বলছিলি? আবির- আর বলছিলাম তো। এমন একটা থাপ্পড় মেরেছে, এখনও কানের মধ্যে ঘন্টা বাজছে। সাকিব- ও ভাই আমি তোর এসব মামলায় জড়াইয়া থাপ্পড় খাইতে পারবো না। তুই নিজে খা.. আবির- শালা! তুই আমার এরকম দোস্ত? সাকিব- এই ভাই তুই একটা কাজ করতে পারছ, আন্টিরে মানে হুমায়রার মাকে পটা। তাহলে কাজ হয়ে যাবে। আবির- দেখি কি করা যায়। . আজ ৮দিন হলো আবির আর হুমায়রার দেখা হয়নি। হুমায়রা প্রচন্ড টেনশনে আছে। বিশেষ করে ঐদিন থাপ্পড়টা মারার পর সে এক অজানা যন্ত্রনায় ভুগছে। ছেলেটা তার সাথে হেসে খেলে বড় হয়েছে। আবির এমন খারাপ কি করেছিলো, তাকে তো খারাপ প্রস্তাবও দেয়নি, একজন মানুষের যে কোন কাউকেই ভালো লাগতে পারে। এটাতে তার দোষ কোথায়? এটা সম্পূর্ণ মনের ব্যাপার। তাকে ভালোবাসে শুধু এই কথাটাই বলেছিলো, আর এই সামান্য কথাটার জন্য তার ছোটবেলার বন্ধুর গায়ে হাত তুললো। যার সাথে কিনা কখনোই খারাপ বিহ্যাভ করেনি। নাহ থাপ্পড় মারা মোটেও উচিত হয়নি। ধুর এসব কি ভাবছি, আমি কেন তার জন্য দুঃখ প্রকাশ করছি, তার উপর দুর্বল হয়ে পড়ছিনা তো। এসব ভাবতে লাগলো হুমায়রা। না না। ও আমার জুনিয়র। নিজের মনকে অনেক বুঝিয়েও পারলোনা। আবিরের জন্য খুব খারাপ লাগছে। . আজ ভার্সিটিতে যাওয়ার জন্য বের হয়েছে রাস্তায় উঠতেই দেখলো প্রায় ২০গজ সামনে আবির কাঁধে ব্যাগ নিয়ে যাচ্ছে। মনে হয় কলেজে যাবে। হুমায়রা আবিরকে ডাক দিলো, আবির পিছনে ফিরে হুমায়রাকে দেখেই দিলো দৌড় দিলো। হুমায়রা আরো কয়েকটা ডাক দিলো কিন্তু আবিরের দৌড়ের গতি আরো বেড়ে গেলো। পরদিন আবির হুমায়রাদের বাড়িতে গেলো। ঘরে ঢোকার আগে একবার ভালো করে দেখে নিলো হুমায়রা আছে কিনা। নেই। এই সুযোগে আন্টিকে সব বলে দিবে মনস্থির করলো আবির। . আবির- আন্টি আসসালামুআলাইকুম, হুমায়রার মা- ওয়ালাইকুমুস সালাম। কিরে বাবা কেমন আছিস? আবির- এইতো ভালো আন্টি। হুমায়রার মা- এখন তো আমাদের বাড়িতে আসিস না, অনেক বড় হয়ে গেছিস তাইনা? আর আমাদেরকেও ভুলে যাচ্ছিস। আবির- ধেত্তেরি কি যে বলেন আন্টি। ওরকম কিছুনা। হুমায়রার মা- হুমায়রার সাথে কোন ঝগড়া করে আসা বন্ধ করে দিসনি তো? আবির- না আন্টি। . আবির কথা বলার সময় দেখলো হুমায়রা বাড়িতে ঢুকেছে। আবির তখনই হুমায়রার মাকে বলে চলে যেতে লাগলো। উঠোন পর্যন্ত যেতেই হুমায়রা ততক্ষণে সামনে চলে এসেছে। . হুমায়রা- আমাকে দেখে পালিয়ে যাচ্ছিস? আবির- কই নাতো হুমায়রা- তাহলে গালে হাত দিয়ে রেখেছিস কেন? আবির- ইয়ে মানে, এমনিই হুমায়রা- সেদিন খুব লেগেছিলো, তাই নারে? আবির- হুহ.. হুমায়রা- সরি। কিন্তু এতদিন কই ছিলি? আমাকে কষ্ট দিতে ভালো লাগে? আবির- আমি কি কষ্ট দিলাম? হুমায়রা- প্রতিদিন আমার সাথে দেখা করতি কিন্তু গত ৮দিন কথা বলা দুরের কথা চোখেও পড়িস নি, কালকেও দেখে পালিয়ে গেছিস। আবির- আচ্ছা বাদ দাও এসব। হুমায়রা- আচ্ছা তুই আমাকে ভালোবাসলে বিয়ে করলে এলাকার মানুষ কি বলবে? লজ্জা দিবেনা? আবির- আরে ধুর, মানুষের কথায় কান দিলে না খাইয়া মরতে হবে। হুমায়রা- হুমম.. আবির- কিন্তু তুমি এসব কেন বলছো? তার মানে তুমি আমাকে... . বাকি অংশ


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১৪৩৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ""সিনিয়র জুনিয়র প্রেম""

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now