বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
সিলেটি হোটেল
"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ARFA (০ পয়েন্ট)
X
***বাবার চাকরি সূত্রে ছোটো বেলাটা সিলেটেই কেটেছে। ৩ বছর বয়সেই বাবা-মা আমাকে নিয়ে সিলেট চলে যান।
কিন্তু নতুন পরিবেশের সাথে মানিয়ে নিতেই পারছিলাম না..এর প্রধান কারণ ছিলো আমি ওদের ভাষা বুঝতে পারতাম না। আর একারণে আমার সাথে কেউ খেলতেও চাইতো না..
যাই হোক আমার সিলেটি ইতিহাস না হয় আরেক দিন বলবো,,এখন যেটা বলার জন্য এই গল্প লেখা সেটাই বলি
যেহেতু বাবা এবং আম্মু দুজনই শিক্ষকতা করতেন আর আমিও ছোট ছিলাম তাই আমাকে দেখাশোনা করার জন্য কাউকে না কাউকে থাকতেই হতো।
একবার আমার এক মামা কে আসতে বলা হয়েছিলো। তিনি নির্ধারিত সময়ে গাড়ি তে ওঠে পড়েন এবং খুব ভোরে সিলেট বাস কাউন্টারে পৌছে যান।
আমাদের বাসা টা ছিলো সার ফ্যাক্টরির আবাসিক এলাকায়,,সিলেট বাস কাউন্টার থেকে দুরেই।
অপর দিকে আমার মামার সারা রাত বাসে এসে ওনার ক্ষুধা লেগে যায়।
তাই তিনি এক সিলেটি হোটেলে যান।
সেখানে গিয়ে বসার পর হোটেলের এক কর্মচারী এসে তাকে জিজ্ঞেস করল,,
"স্যার,,কুন গু খাইবেন"
এই কথা শুনে ত মামার মাথা 360 ডিগ্রি গরম হয়ে গেলো!!
মামা মনে মনে বলছেন,,'এত দূর আসছি,,আমারে কিনা বলে গু খাইতে' ছিহ ছিহ...আপা দুলা ভাই এ কোন রাজ্যে বসবাস করে!!!
আবারও হোটেলের বয় এসে বলল,,
"কিতা বে কন না কেনে কুন গু খাবি"[অর্থাৎ কোন জিনিস খাবেন]
এবার মামা আর নিজেকে সামলাতে পারলেন না,,তিনি রেগে গিয়ে ওঠে দাড়িয়ে বললেন,'শালা নাইলা গু নিয়ে আয়' ( বি.দ্র:কেউ এই লাইনটা কেউ অন্য ভাবে নেবেন না)
হোটেলের সবাই অবাক হয়ে মামার দিকে তাকিয়ে রইল...অবাক হয়ে মামার প্রস্থান করা দেখলো!!!
এ ঘটনা মনে পড়লে আজও আমার অনেক হাসি পায়,,
হিহিহিহিহিহিহি..............বাকি হাসি না হয় আপনারাই হাসুন!!
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now