বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

সিকান্দরা বক্স এখন আদালতে(শেস পর্ব)

"ছোট গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান muntasir al mehedi (০ পয়েন্ট)

X শেষ দৃশ্য জজ: Objection Overulled. কেডি, u may procced. কেডি: কি যেন বলছিলাম ফারুক সাহেব? ও আচ্ছা,,সিনেমার ডুরেশান!!! ফারুক: আমার ঠিক মনে নাই। আনুমানিক দুই-আড়াই ঘন্টার হবে হয়ত। কেডি: তার মানে আপনার ল্যাপটপ দুই ঘন্টার বেশি সময় ধরে অন ছিলো। অবাক ব্যাপার ফারুক সাহেব,পুলিশ এই ল্যাপটপ অন করার পর এই ল্যাপটপ 100% চার্জিত অবস্থায় পেয়েছিল। তার মানে আপনি ল্যাপটপ চালান নি, সিনেমাও দেখেন নি। মিথ্যে বলছেন আপনি!! আপনিই সিদ্দিকের খুনী। ফারুক: স্যার আমি মিথ্যা বলছি না, আমি আমার ল্যাপটপ চার্জে লাগিয়ে সিনেমা দেখছিলাম। কেডি: ooHhh really?? আবারো মিথ্যা বলছেন আপনি!!! কারন আপনার রুমের ল্যাপটপ চার্জ দেয়ার থ্রিপিন সকেট টা খুনের আরো দুইদিন আগে থেকেই নষ্ট ছিলো। that means, আপনি আপনার রুমে ল্যাপটপ চার্জ দিচ্ছিলেন না। infact আপনি আপনার রুমেই ছিলেন না। আপনি ঐদিন ছয় তলার করিডোরে সিদ্দিককে খুন করার সুযোগের অপেক্ষায় ছিলেন!!! Am i right or am i right মিস্টার মেগামাইন্ড??? ফারুক: হ্যাঁ আমিই মেরেছি সিদ্দিককে। দৃশ্য ৩: ফারুক মামার আকষ্মিক স্বীকারোক্তির পর ক্যামেরা সবার মুখে স্লো মোশানে একবার করে view হয়ে সাদাকালো ইফেক্ট হচ্ছে, ব্যাকগ্রাউন্ডে চিউব চিউব চিউব আওয়াজ!!! একটা চাপা নয়েজের উৎপত্তি হল আদালত কক্ষে। জজ সাহেব: অর্ডার, অর্ডার। সাইলেন্স ইন দ্যা কোর্ট প্লিজ। ফারুক: সৌদিতে আমার শেয়ার বিজনেসের ১৩ কোটি টাকার জালিয়াতির ব্যাপারে সিদ্দিক জেনে গিয়েছিল। আমাকে কয়েকবার ব্ল্যাকমেইল ও করেছিল। আমি ভাবলাম সিদ্দিককে মেরে দোষ টা যদি সিকান্দারের ঘাড়ে চাপানো যায় তাহলে আমার উপর কোন সন্দেহই আসবে না। তাই আমি সঠিক সুযোগের অপেক্ষায় ছিলাম। ঐদিন ঐ ঝগড়ার পর সিকান্দার যখন ইদুরের বিষ নিয়ে বাসায় আসলো তখন আমি সুযোগ বুঝে রুমাল দিয়ে ধরে বিষের শিশি নিয়ে সিদ্দিকের ঘরে পৌছাই। কলিং বেল দিতেই সিদ্দিক দরজা খুললো। আমি ভেতর গেলাম। সিদ্দিক আমাকে হুমকি দিয়ে টাকার জন্য ব্ল্যাকমেইল করছিলো। কিছু সেকেন্ড পরেই সিকান্দার এসে আলগা আলগা বলে ডাকাডাকি করেছিল। কারো সারা না পেয়ে সিকান্দার চলে যায়। আর আমি সুযোগ বুঝে খুব সাবধানে আঙ্গুলের ছাপ না ফেলে সিদ্দিকের চায়ে বিষ মিশিয়ে ওখান থেকে তাড়াতাড়ি কেটে পড়ি। সিকান্দার কিছু করে নাই। ও নির্দোষ। আমাকে ক্ষমা করিস কেয়া। জামাই, পারলে আমারে মাফ কইরো। সিকান্দার: হায়রে বয়রার গরের বয়রা, ফইন্নির ঘরের ফইন্নি মনডায় কয় মুরায়া নি তর ছাটনিডি খুইল্যালবাম!!! কেডি: দ্যা ডিফেন্স রেস্টস ইউর অনার!!! জজ: সমস্ত সাক্ষী এবং প্রমাণাদির ভিত্তিতে এই আদালত মামা ওরফে ফারুক সাহেবকে সিদ্দিকের খুনী হিসেবে দোষী সাব্যস্ত করে বাংলাদেশ দন্ডবীধি ৩০২ ধারা মোতাবেক ফাঁসির আদেশ দিচ্ছে। আর সিকান্দার বক্স কে সিদ্দিকের খুনে নির্দোষ পেয়ে সসম্মানে বেকুসুর খালাস দিচ্ছে। The Case is Closed. দৃশ্য ৪: সিকান্দার: কেডি বাই। খিতা যে বলব আমি আপনাকে!!! ইতু বুদ্দি আফনের মাতায় কিবাবে আসে? আমার তো উপুরটান উঠছিন বাই, হাস দিয়া লটকায়া নি আমাকে উরা মেরে পেলবে!!! কেডি: KD Pathak থাকতে কোন নির্দোষের শাস্তি হবে এটা হতেই পারে না। সিকান্দার: আইচ্চা বাই, আফনের এই KD এর মানে ডা খিতা? কেডি: এটা হচ্ছে আসলে একটা রহস্য!!! সিকান্দার: ইতু রহস্য পিতিবির বিতর কুতা তেকে আসে??? লুল!!! কেডি: হাহাহা। সিকান্দার: আরফাইন্যা,আমার চাইর চাক্কার ঘাড়ি টা নিয়ে আয়। কেডি বাইয়াকে ইয়ারপুটে লিপ্ট দিয়ে আসি। অত:পর সিকান্দারের বাসায় সবাই মিলে ভরপেট আনন্দ ভোজন সেরে চার চাকার গাড়িতে চড়ে এয়ারপোর্টে কেডি কে লিফট দিয়ে বিদায় সম্ভাষনে সিকান্দার বক্স আবেগের কান্নায় বুক ভাসালেন!!! আশা করি ভালো লাগছে


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ সিকান্দরা বক্স এখন আদালতে(শেস পর্ব)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now