বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
WRITER:ফারহান হাসিন ফাহিম
কলেজ সেরে বাড়ি ফিরেছি ঘণ্টা খানেক হবে। বিকেলের চা খেয়ে লেখার খাতাটা নিয়ে বসেছি অমনি ফোনটা বেজে উঠল।
"শোন, আসছে উইকেন্ড এ আমরা একটা ট্রিপ এ যাচ্ছি। তুই আর আমি।"
"আরে আমি মজা করছিলাম। তুই ঘুরে আয় তোর গ্রুপ নিয়ে। আমার এই মাসটা একটু চাপ যাচ্ছে।"
"ফালতু কথা রাখ আমি বুকিংটা করে ফেলছি। তোর ওসব বাহানা রাস্তায় যেতে যেতে শোনাস বরং।"
"আরে শোন না।"
বলতে বলতে ফোন কেটে দিলো। কি চাপে পরলাম হঠাৎ করেই।
অবিনাশ আমার এনজিনিযারিং কলেজ এর বন্ধু। এক কথায় হরিহর আত্মা ছিলাম আমরা বলা যায়। কলেজ পাস করে ও একটা মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির চাকরী নিয়ে ব্যাঙ্গালোর চলে যায়। আমি থেকে যাই কলকাতায়। মাস্টার্স করে একটা কলেজে পড়াতে থাকি। সাথে কিছু রিসার্চ এর কাজ।
অবিনাশের সাথে ফোন এ যোগাযোগ থাকলেও কয়েক বছরে কিছুটা যেন তাল কেটে গেছিল।
মাস খানেক আগে হঠাৎ করেই ফোন করে বলল কলকাতায় ফিরছে। ফিরে এসে হইহই করে বাড়িতে হানা দিল কদিন। কদিন আবার দেখা নেই। জিজ্ঞেস করতে বলল ফটোগ্রফির জন্য এদিক ওদিক যায় উইকেন্ড গুলোতে। শুনে বললাম "কই ডাকিস না তো। অবশ্য তোর কর্পোরেট সার্কেল এ আমি ঢুকেই বা কি করব?"
"তুই ফটোগ্রাফিতে ইন্টারেস্টেড কি করে জানবো? আমার ফটোগ্রাফীর ব্লগে কোনোদিন ত কমেন্টস দিলি না। অনেকবার শেয়ার করেছি। তাই ডাকিনা আর কি।"
"হাহাহা, তোর ইগোর পরিমান দেখছি বয়েসের সাথে সাথে বেড়েছে আরো। একটা থিসিস এর কাজে ব্যস্ত ছিলাম অনেকদিন। তাই অন্যদিকে মন দিতে পারিনি একদম।"
"বুড়ো হয়ে গেলি পড়তে পড়তে। কবে শেষ করবি?"
সেই কথার পর সপ্তাহ দুএক হয়েছে। লেগ পুলিং এর জন্য বলে ফেলেছিলাম ডাকিস না কেন। আজ বুঝলাম পুরো ঘাড়ে চেপে আমাকে নিয়ে যাবে ওর খামখেয়ালি ফটোগ্রাফি এক্সকার্শন এ।
"তো কোথায় যাবার প্ল্যান?" আমি জানতে চাইলাম।
"ওটা সাসপেন্স। অ্যারেঞ্জমেন্টস্ আমার ওপর ছেড়ে দে।"
next part coming soon......
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now