বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এই শোন তুই কি কোন দিন পাল্টাবি না...?
::. কেন আমি আবার কি করলাম।
::.কি করলাম মানে কি করিস নাই সেটা বল.. আজব তো। তুই যে মেয়েটা কে ইশারা করলি তুই তা কে চিনিস।
::. চিনলে কি আর ইশারা করতাম গাধী...ডাইরেক্ট গিয়ে কথা বলতাম।( কথা টা বলার আগেই কানের গোড়ায় একটা দিয়ে চলে রিমি)
:: :: ::
বেচেরা অভ্র বুঝে ওটার আগেই চলে গেলো রিমি।অভ্র আর রিমির পরিচয় সেই ছোট বেলা থেকে... খুব ভালো বন্ধু তারা।কিন্ত স্বর্তেও আজ পযর্ন্ত রিমি কে ভালো ভাবে চিনে ওঠতে পারলো না।
অঃতপর
অভ্র ভেবেই নিলো যে রিমির সাথে আর কথায়ই বলবে না.. বড়লোক বলে কি মাথা কিনে নিলো..
আজ ৩দিন হয়ে গেলো রিমি অভ্রকে একটা ফোন পযন্ত দিলো না..
যাক ডাইনি থেকে বাঁচা গেল..( কথা টা ভাবতে ভাবতে দেখে রিমির ফোন)
রিমি: হ্যালো এই তুই কই ??
অভ্র: কেন যেখানে থাকার কথা সেখানেই আছি।
রিমি: প্যাঁচাল রাখ তোর ।কোথায় বল ??
অভ্র: এইতো বাসাই।
রিমি:: ওকে কাল ৫:০০ পার্কে তোর অপেক্ষায় থাকবো ইচ্ছে হলে আসিস..( কথাটা বলেই ফোন টা কেটে দিলো রিমি)
দূর কি বিপদেটা তে পরলাম বাবা...
আরে
পার্কে বসে থাকা মেয়েটা রিমির মতন না.. আরে হা এতো রিমি।
অভ্র: হু বল কি বলবি..
রিমি: কেমন আছিস ??
অভ্র: এইটা বলার জন্য এখানে ডাকলি।
রিমি: আরে না ( কেঁদে কেঁদে)
অভ্র: তো..
রিমি: এইনে কার্ড।
অভ্র: কার বিয়ের ??
রিমি: গেলেই দেখতে পাবি।আর শোন প্লিজ আমার দেওয়া নীল পাঞ্জাবি পড়ে আসিস।
আমার কোন কথায় তো রাখিস না।পারলে এইটা রাখিস প্লিজ...
অভ্র: আচ্ছা ঠিক আছে।( কথাটা বলতে অভ্রের কেমন জানি কষ্ট হচ্ছে)
মনে হচ্ছে তার জীবন থেকে কি যেন হারিয়ে যাচ্ছে।অভ্র ভাবে চাইলে ও আর কিছুই করার নাই।
::::: বাড়িটা খুব সুন্দর করে সাজানো হয়েছে।সবার এই হাসির মুহূর্ত দেখে অভ্রের কেন জানি খুব হিংসা হচ্ছে।তাই বেলকনির রেলিং ধরে দড়িয়ে আছে অভ্র! হঠ্যাৎ তার কাঁদে কারো হাত অনুভব করল।
::-আরে রিমি তুই..
::-কেন আর কারো অপেক্ষায় ছিলি ??
::- আরে না।কিন্ত স্টেজে এএএএ??
::- আরে যার বিয়ে সে আর কি দিভাই।
::- ও হা।
::- তুই কি রে বিয়ের কার্ড না দেখেই বিয়েতে চলে এলি।
::-আরে বাদ দে তো।আর যাই বল না কে আজ তোকে কিন্ত হেব্বি লাগছে।একদম বৌ বৌ।
::- আর তোকে ও...
::- ও তোর দেওয়া পাঞ্জাবি টা পড়ে আসলাম তাই বললি??
::- বিয়ে বাড়ি তে ও খাওয়ার ইচ্ছে আছে( মানে তাপ্পর)
::-আরে না ( মাথা বিলি কাটতে কাটতে বলল)
::- রিমি শোন না ঐ দেখ নীল শাড়ি পড়া মেয়েটা একটু ইয়ে করে দিতে পারবি। ( ভয়ে ভয়ে)
::- তুই আসলেই একটা লুইচ্ছা।আরে তুই এইটা কেন পৃথিবীর যে কোন মেয়ে দেখলেই তো তোর ইয়ে করতে ইচ্ছে করে।
::- এ মা ছিঃ ছিঃ.. এই সব কি বলছিস ভালো করে দেখ মেয়েটা নীল শাড়ি আর আমিও নীল পাঞ্জাবি; দু' জন কে কেমন ভালো মানাবে দেখ??
::-অভ্র তুই আমাকে দেখ আমিও তো নীল শাড়ি। ( নরম সুরে অভ্রের গালে হাত দিয়ে)
::-কিন্ত তুই তো আমার ভালো বন্ধু।
::- অভ্র তুইই তো বলতি যে বন্ধুত্বের পরে তাকে ভালোবাসা যাই কিন্তু ভালোবাসার পরে তার সাথে বন্ধুত্ব করা সম্ভব না।
::- রিমি দেখখ
::- থাম অভ্র আমি আর তোর কোন কথাই শুনতে চাই না।আমি শুধু তোরই বাবুনির মা হতে চাই।
::- অভ্র মাথা নিচু করে দাড়িয়ে রইলো।
::- এই লুইচ্ছা তুই যদি আর কোন মেয়ের দিকে
দেখিস তাইলে তোরে আমি মেরেই ফেলবো।( শার্টের কলার ধরে।)
::- তাইলে তো বাবুনি আর বাবা ডাকতে পারবে না।
::-বেচেরি রিমি কথাটা শুনার সাথে সাথে অভ্রের পাজরে লাল হয়ে যাওয়া মুখটা লুকিয়ে নিলো।
::- অভ্র ভাবে থাক না এই ভাবে ভালোই তো লাগতেচে...............
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now