বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

শর্ত পালন

"শিক্ষণীয় গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান muntasir al mehedi (০ পয়েন্ট)

X রুমি- আমি তোমার প্রপোজ একসেপ্ট করবো তবে কিছু শর্ত আছে। মানতে পারবা তো? আবির- অবশ্যই। আমি তোমার জন্য সবকিছু করতে পারবো। রুমি- ঠিক তো? প্রমিজ! আবির- হ্যা প্রমিজ। রুমি- তাহলে সর্বপ্রথমে তোমাকে ৫ওয়াক্ত নামাজ পড়তে হবে, তোমার ঐ লম্বা লম্বা চুলগুলো কেটে ছোট ছোট করে ফেলবা, সিগারেট খেতে পারবা না, কি এইসব মানতে পারবা তো? আবির- ইয়ে মানে? রুমি- এই তোমার ভালোবাসা? তাছাড়া তুমি কিন্তু প্রমিজ করেছো. আবির- ওকে ওকে পারবো। রুমি- এরপর আবির- এ্য...আরো আছে? রুমি- হুমম। রাস্তায় হাটার সময় কানে হেডফোন লাগিয়ে হাটতে পারবানা, কাউকে দেখলে সালাম দিবা, কোন মেয়ের দিকে তাকাতে পারবা না, কারো সাথে দুর্ব্যবহার করতে পারবা না, এদিক ওদিক ঘোরাঘুরি না করে একটা জব করবা, প্রয়োজনে রিক্সা চালাবা! আবির- কি? আমি রিক্সা চালাবো? মগের মুল্লুক! রুমি- না। মুসলমানের মুল্লুক। যদি এসব না পারো তো আমার কিছু করার নেই। আমি আসি। আবির- এই দাড়াও, দাড়াও। সব পারবো। রুমি- হুমম। যদি সবকিছু করতে পারো তাহলে আর কখনো আমার সামনে ভালোবাসার প্রস্তাব নিয়ে আসবেনা। আবির- হোয়াট! আমি তোমার ভালোবাসার জন্য এতকিছু করবো আর তুমি বলছো.. রুমি- কেন! তুমি জানোনা ইসলামের দৃষ্টিতে দুইজন বেগানা নারী পুরুষের মধ্যে ভালোবাসার সম্পর্ক হারাম! আবির- হ্যা জানি। রুমি- তুমি যদি ইসলামিক জীবন বিধান মেনে চলতে পারো তাহলে এটাও মানতে হবে। আবির- তাহলে তো আমি তোমাকে পাবোনা। রুমি- অবশ্যই পাবে। তুমি ইসলামিক জীবন যাপন করতে পারলে আমি তোমাকে বিয়ে করতে রাজি আছি। বিয়ের পরেও ভালোবাসা যায়। আর সেই ভালোবাসা হচ্ছে পবিত্র ভালোবাসা। কারণ বিয়ে হলো ইসলামের দৃষ্টিতে নারী ও পুরুষের মধ্যে পবিত্র বন্ধন। কি পারবা তো? আবির- ইনশাআল্লাহ পারবো। . রুমি ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারের ছাত্রী। সম্পূর্ণ ইসলামিক মাইন্ডের একটি মেয়ে। ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে, কুরআন পড়ে। সে সবসময় পর্দার ব্যপারে সচেতন। যেকোন জায়গায় যাবার সময় হিজাব পড়ে যায়। কলেজের কোন ছেলে বলতে পারবেনা যে তার চেহারা দেখেছে। অপরদিকে আবির সদ্য অনার্স পাশ করে বেরিয়েছে। এখন ভবঘুরে। এদিক ওদিক ঘুরে আর বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিয়ে সময় কাটায়। এলাকায় একটা চায়ের দোকানে সবসময় বন্ধুদের সাথে বসে থাকে। প্রায় সময় কানে হেডফোন লাগানো থাকে। ধুমপান করার বদঅভ্যাসও তার আছে। এরই মধ্যে সে প্রায় সময় এদিক দিয়ে হিজাব পড়া একটি মেয়েকে দেখে । মেয়েটির চোখ দেখেই আবির তার প্রেমে পড়ে যায়। অনেক কষ্টে মেয়েটির খোঁজ খবর নিয়ে একদিন সিদ্ধান্ত নেয়, মেয়েটিকে সে প্রপোজ করবে। আর মেয়েটি ওকে সম্পূর্ণ পরিবর্তন হতে বলে। . ১ বছর পর। . আবির এখন সম্পূর্ণ ইসলামিক মাইন্ডেড ছেলে। এক ওয়াক্ত নামাজও সে বাদ দেয় না। ভালো একটা প্রতিষ্ঠানে চাকরিও পেয়েছে সে। তার এই সুপরিবর্তনে মা বাবা অনেক খুশি। তারা ইতিমধ্যে রুমির মা বাবাকে বলে ওদের বিয়ে ঠিক করে রেখেছেন। . বিয়ের পর . আবির- এবার তো বলো প্লিজ রুমি- I love You আবির- I love you too. রুমি- আর হ্যা আমি অনেক ভাগ্যবান স্ত্রী, যে তার স্বামীকে আলোর পথ দেখিয়েছে। আলোর পথে নিয়ে আসতে পেরেছে। আবির- আমিও ভাগ্যবান স্বামী, যে একজন পরহেজগার স্ত্রী পেয়েছে। . মরাল-সুখী হওয়ার জন্য সুন্দরীর প্রয়োজন নেই, একজন স্বামীকে সুখী করার জন্য একজন পরহেজগার নারীই যথেষ্ট। . বিঃদ্রঃ গল্পটি কাল্পনিক কারণ বাস্তবে এমন খুব কমই হয়। .


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ শর্ত পালন

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now