বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

শ্রদ্ধা-4

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Kush Gayen (০ পয়েন্ট)

X ময়ূরকে ওর শাশুরি মেনে নিতে শুরু করেছে ।এবার ওর শাশুরির চোখে ওর গুনগুলে ধরা পড়তে লাগল । সাধারনত আমরা কাউকে ভালো না বাসলে বা পছন্দ না করলে তার গুনগুলো আমাদের চোখে ধরা পড়ে না আর পড়লেও অগোচর করার চেষ্টা করি। ময়ূরের দিন কেটে যাচ্ছে।তমা ওর বোন আর নেহা যেন সন্তান হয়ে উঠছে ।ময়ূর প্রচন্ড ভালোবাসে ওদের কারন ওরাও ওকে মন থেকে ভালোবেসে মেনে নিয়েছে ময়ূরকে। মেয়েদের শশুরবাড়ি নিয়ে স্বপ্ন থাকে একটি ভালো সংসার, ভালো মা বাবা,ভালো স্বামী যারা তাকে ভালোবাসবে ।আর একজন ছেলের স্বপ্ন থাকে এমন একজন মেয়ের যে তার পরিবারের সকলকে ভালোরাখবে ,ভালোবাসবে। এক্ষেত্রে ময়ূর এবং পলাশ দুজনের স্বপ্নই পূরন হয়েছে । পলাশ আজ বাড়ি আসবে তাই ভালো রান্না হচ্ছে।দুপুরবেলা খেয়ে ময়ূর ও পলাশ কথা বলছে। পলাশ-কেমন চলছে সব? ‎ময়ূর-ভালোই ।মা অনেক ভালোবাসে আমায়। ‎পলাশ-আমি বলেছিলাম না। ‎ময়ূর-হুম। ‎পলাশ তার এতোদিনের সংযোমকে মিটিয়ে নিলো এবং বিকালে বের হলো বন্ধুদের সাথে দেখা করতে । ময়ূর সন্তানসম্ভবা। বাড়ির সবাই অনেক খুশি ।গ্রামে সন্তান একটু তারাতারিই আসে কারন তাদের বেশীরভাগেরই প্রাতিষ্ঠানিক কোনো কাজ নেই এবং গর্ভকালিন ছুটি নেওয়ার ও প্রয়োজন পড়ে না। ময়ূরের শারীরিক অবস্থা ভালো না ।এমনিতেই সে খুব দুর্বল কিন্তু মাতৃত্বের স্বাধ গ্রহন করার খুব ইচ্ছা হচ্ছিল তাই। পলাশের মা ওর খুব যত্ন করছে নানা কুসষ্কার খুব ভালোভাবেই মেনে চলছে।পলাশ মাঝে মাঝে বাড়িতে আসে। ময়ূরের প্রসববেদনা উঠেছে ।যারা নারিদের দুর্বল মনে করেন তাদের প্রসব বেদনার কষ্ট উপলব্ধি করানো দরকার ।ওই যন্ত্রনা আপনার শরীর থেকে কোনো অঙ্গ কাটার মতো কষ্টকর।। ময়ূরকে গ্রামের এক ধাত্রীর কাছে নেওয়া হলো কিন্তু প্রত্যাশাকে জন্ম দিতে গিয়ে ময়ূর বিদায় নিলো ।হয়তো হসপাতালে নিলে বেচে থাকতো অথব না ।নিয়তিকে কে পাল্টাতে পাড়ে । পলাশের মা কষ্ট পেয়েছেন কিন্তু কষ্ট কম হতো যদি ছেলে হতো । অনেকে আছেন যারা নারী পুরুষ যে সমান ,তাদের যে সমান অধিকার এ বিষয়ে লড়াই করেন ।কিন্তু উন্নতি না হওয়ার কারন শুধু পুরুষরা নয় নারীরাও দায়ী আর সবথেকে বেশী দায়ী সমাজ যারা ছেলে ,মেয়ে ,কালো ,ফরসা,লম্বা,খাটো নিয়ে সমালোচনা করে বাচতে দিন সকলকে সকলকে তো মহান সৃষ্টিকর্তায় সৃষ্টি করেছেন। তাই নয় কি?


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ শ্রদ্ধা-4

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now