বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

শ্রদ্ধা-2

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Kush Gayen (০ পয়েন্ট)

X ময়ূর নতুন এক জীবনের সন্ধান পেয়েছে কিন্তু সেই জীবন কি তার জন্য মমত্ব আনবে না ঘৃণা সেটা নির্ভর করছে পলাশের উপর। পলাশ এমনিতে ভালোই নিজের কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকে। কোনো ঝামেলার মধ্যে নাই। সিগারেট খায় এটা তার সন্ধ্যা কাটানোর সাথি ।কিন্তু সব সিগারেট খাওয়া ছেলেরা কি খারাপ হয়(পাঠকদের মধ্যে যারা সেবন করেন তারা কিন্তু ভালোদের দলে)। পলাশ শান্ত খুব কম কথা বলে। বউভাত শেষ আজ ময়ূর এবং পলাশের ফ্লাওয়ার শয্যা। পলাশের ভিতর অত রোম্যান্টিকতা নেই বা প্রকাশ করার ক্ষমতা নেই এক বিছানায় দুজন দুদিকে তাকিয়ে ঘুমিয়েছে উঠেছে সকালে। ময়ূর ওর সকালের নিত্যকাজ সেরে রান্না ঘরে গেলো সাথে ওর দুজন ননদ। যারা দুইজনই বয়সে এর থেকে ছোট। ময়ূর যে অনেক কাজ করতে পারে প্রথম দিনেই সবাই বুঝতে পারল। কিন্তু কিছু মানুষ আছে যারা ভালোকে ঠিক স্বীকার করতে রাজি না। তাই কিছু করতে হবে ভেবে ময়ূরের শাশুরিমাকে ময়ূরের বর্ন ও তাদের দারিদ্রতার কথা বারবার স্বরন করাতে লাগল। গ্রামীণ পরিবারে বেশীরভাগ কারো আলাদা আলাদা রুম থাকে না শুধু একটা বিছানাই থাকে।তাই ঘরের কোথাও কথা বললে সব জায়গা থেকে শোনা যায়। পলাশের সাথে আজ ময়ূরের দ্বিতীয় রাত। পলাশ ময়ূরকে আস্তে করে জিঙ্সেস করল তোমার এখানে থাকতে ভালো লাগছে তো। ময়ূর-হ্যাঁ। পলাশ-ঠিকাছে। ঘুমাও ময়ূর-হ্যাঁ। ময়ূর মানিয়ে নিতে জানে তাই ওর কষ্ট কম হচ্ছে। পলাশ সম্পর্কে সকল বিতান্ত তমা, নেহা (ননদ) ময়ূরকে দিয়েছে ।তাই ময়ূর নিজেকে এবং পলাশকে সময় দিচ্ছে মানিয়ে নিতে । তমা এবার সেভেন আর নেহা ফাইভে পড়ে। ওরা দুজনই খুব খুশী বৌদিকে পেয়ে। ময়ূর এবং পলাশ আজ দ্বিরাগমনে ময়ূরের বাড়ি যাবে তমা যাবে সাথে নেহাও যাওয়ার জন্য কেদেছিল কিন্তু মা বারন করেছে কারণটা তিনিই জানেন। ময়ূররের বাড়ি যাওয়ার পথে অনেকটা রাস্তা হাটতে হয় তাই পলাশ একটু সুযোগ পেলো ময়ূরের সঙ্গে কথা বলার। পলাশ-ময়ূর আমার মায়ের তোমাকে মানতে একটু সময় লাগবে আসলে আমি একমাএ ছেলে তো একটু সাদা ধলা পেত্নি বউমা চেয়েছিল তবে মা তোমায় ভালোবেসে নেবে দেখো। ময়ূর-বুঝেছি আমি কিন্তু আপনারও কি একই ইচ্ছা ছিল মানে সাদা পেত্নির। পলাশ-আমার যোগ্যতার বাইরে আমি কোনোসময় কিছু আশা করি না তাই আমি তোমাকেই আমার স্ত্রী রূপে মেনে নিয়েছি


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ শ্রদ্ধা-2
→ শ্রদ্ধা-2

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now