বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

শোক (Heart Touching)

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ☠Sajib Babu⚠ (০ পয়েন্ট)

X মেয়েকে বাসে তুলে ছেড়ে যাওয়া বাসটার দিকে অপলক তাকিয়ে থাকে জালালউদ্দীন। অাস্তে অাস্তে বাসটা মিলিয়ে যায় দূর থেকে বহুদূর। কিন্তু জালালউদ্দীনের কষ্টগুলো মিলায় না। সেগুলো অারো পাকাপুক্ত ভাবে বিষাক্ত তীরের মত বিঁধতে থাকে তার বুকে। প্রচুর জ্বালাপুড়া হয় তার বুকে, প্রচুর। জালালউদ্দীনের মনে পড়ে যায় তার মেয়ের জন্মের সময়কার কথা। বিয়ের পাঁচ বছর পর্যন্ত তার কোন সন্তান জন্ম নেয়নি। অন্যের সন্তান কোলে নিয়ে গোপণে চোখের পানি ফেলতো জালালউদ্দীন। রাতে নিজ স্ত্রীকে বুকে জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কাঁদতে কাঁদতে বলতো -বৌ, আমাগো কি কোনদিন পোলাপাইন হইবোনা? অামি কি কোনদিন বাপ ডাক শুনুম না? এই প্রশ্নের কোন উত্তর তখন জালালউদ্দীনের স্ত্রী'র কাছে ছিল না। . অবশেষে ডাক্তার, কবিরাজ, পীড়বাবা, মানত সকল কিছু নিয়ে দৌড়াদৌড়ির পর অাল্লাহর নেক নজর পড়ে জালালউদ্দীন ও তার স্ত্রী'র উপর। যেদিন জালালউদ্দীন জানতে পারে যে, তার স্ত্রী সন্তান সম্ভাবা, সেদিন বাচ্চা ছেলেদের মত দৌড়ে দৌড়ে পুরু গ্রামবাসীকে সে এই খবর দিয়েছিল। তারপর পুরু দশ মাস তার স্ত্রীকে সে কোন ভারী কাজ করতে দেয়নি। সংসারের সব কাজে সাহায্য করতো সে। সারাদিনের পরিশ্রমের টাকা দিয়ে বৌয়ের জন্য ফল কিনে আনতো। লোকের বাড়িতে রোজ হিসেবে কাজ করতো জালালউদ্দীন। যখন তার মেয়েটা তার স্ত্রীর গর্ভে, তখন সে যে বাড়িতে কাজ করতো, তাদের বলতো সে দুপুরের খাবারটা খাবেনা। তার বিনিময়ে যেন তাকে কিছু টাকা বেশী দেয়া হয়। যাতে করে সে তার বৌয়ের জন্য দুধ, অাপেল, কমলা কিনে নিয়ে যেতে পারে। দুপুরে অভুক্ত থাকায় জালালউদ্দীনের প্রচুর কষ্ট হত তখন। না খেয়ে কাজ করা কি যে কষ্টের! পেটের মধ্যে ইঁদুর দৌড়াতো তার। পেট ব্যথা করতো। কিন্তু যখনি মনে হতো যে, সবকিছু সে তার অনাগত সন্তানের জন্য করছে, তখন তার অার কোন দুঃখ থাকতো না। মনটা অানন্দে ভরে উঠতো। পেটের মধ্যে গামছাটা শক্ত করে বেঁধে কাজ করে যেত অবিরাম। ঘরে ফিরেই বৌয়ের পেটে কান পাততো অার বলতো -আমার অাব্বা কি ভালা অাছে? আমার আব্বার কি খিদা লাগছে? আপনের লাগি অনেক খাবার আনছি অাব্বা। হেইগুলা এহন অাপনের অাম্মা খাইব। তারপর আপনে খাইবেন। . জালালউদ্দীনের স্ত্রী স্বামীর এসব কথাবার্তা শুনে লজ্জ্বা মিশ্রিত গলায় বলতো -ধুর! অাপনের না লাজ শরম কিছুই নাই। কেউ দেখবতো। যান এহন হাত মুখ ধুইয়া খাইতে অাসেন। অামি খাওন দিতাছি। . অতঃপর একদিন জালালউদ্দীনের বৌ প্রসব ব্যাথায় কুঁকিয়ে উঠে। জালালউদ্দীন ধাত্রীর বাড়ি দৌড়ে যায়। ধাত্রীকে বাড়িতে রেখে অাবার ডাক্তারের কাছে দৌড়ায় সে। ডাক্তার এসে ইনজেকশন দেয়, স্যালাইন পুষ করে। জালালউদ্দীন বাহির থেকে তার স্ত্রীর চিৎকারের অাওয়াজ শুনে কেঁপে উঠে। বার বার মনের মধ্যে অজানা শঙ্কা হানা দেয়। তার স্ত্রী সন্তান ভাল অাছেতো! তার বাচ্চাটার কিছু হবে নাতো! সে সুস্থমত তার সন্তানের মুখ দেখতে পারবেতো! . জালালউদ্দীনের সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে হঠাৎ করেই ধাত্রী ভেতর থেকে ডাক দেয় -ঐ জালাইল্যা, তোর মাইয়া কান্দেনা কেন? জালালউদ্দীনেে বুক অাবারো ধক করে উঠে। সে ভেতরে যেতে চায়। তার মেয়েকে এক নজর দেখার জন্য তার মনটা ব্যাকুল হয়ে উঠে। সে ঘরে যায়। সত্যি তার চাঁদের মত সুন্দর একটা মেয়ে হয়েছে। কিন্তু মেয়ে এখনো কাঁদেনা কেন! জালালউদ্দীনের ভেতরটা কেমন তড়পায়। ধাত্রী বাচ্চাকে পায়ে ধরে উপুর করে কানে ফুঁ দেয়, গালে আস্তে করে থাপ্পর দেয়, পিঠে থাপ্পর দেয়। সেই থাপ্পর যেন জালালউদ্দীনের কলিজায় গিয়ে লাগে। ধাত্রীকে সে কাতর স্বরে বলে -চাচী, অাস্তে দেন। অামার মাইয়াটার লাগবতো। ধাত্রী বিদঘুটে কণ্ঠে চিৎকার করে বলে -দেখতাছস না, তোর মাইয়্যা কান্দে না? থাপ্পর না দিলে হইবো? . না, থাপ্পরে কাজ হয় না। জালালউদ্দীনের মেয়ে কাঁদে না। সবাই হাসপাতালে নিয়ে যেতে বলে। জালালউদ্দীন মড়ল বাড়ির রহিম মড়লের কাছ থেকে চওড়া সুদে ঋন নিয়ে মেয়েকে নিয়ে হাসপাতালে যায়। ডাক্তার নার্সদের হাত পা ধরে মিনতি করে তার মেয়েটাকে বাঁচাতে। জালালউদ্দীনের মেয়েকে জরুরী বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। জালালউদ্দীন সারা রাত হাসপাতালের বারান্দায় মশার কামড় খেয়ে কাটায়। সারা রাত সে এক মুহুর্তের জন্য দু চোখের পাতা এক করতে পারেনা। মেয়ের চিন্তায় তার কিছু ভাল লাগে না। ভোর রাতের দিকে কখন যেন নিজের অজান্তেই সে ঘুমিয়ে পড়ে। ঘুমের মধ্যে সে স্বপ্নে দেখে, তার মেয়েটা তাকে ডেকে বলছে, "আব্বা অামারে বাঁচাও, বাঁচাও"। জালালউদ্দীন চিৎকার করে উঠে ঘুম থেকে। এই চিৎকারের জন্য তার গালি খেতে হয় অাশেপাশের মানুষজনের কাছে। সে দৌড়ে জরুরী বিভাগের কাছে যায়। তাকে জানানো হয় যে, তার মেয়ে সুস্থ অাছে। বাচ্চার ঠান্ডা বেশী তাই কাঁচের ভেতর রাখা হয়েছে। দশটা নাগাদ বাচ্চা বের করা হবে। জালালউদ্দীন হাসপাতালে এর কাছে তার কাছে একটু পর পর ঘড়ির সময় জিজ্ঞাসা করে। কেউ কেউ তাকে সময় বলে আবার কেউ বা বিরক্ত হয়ে দেয়ালে টানানো ঘড়ি দেখিয়ে দেয়। জালালউদ্দীন ঘড়ির সময় বুঝেনা। তাই আবারো নতুন কারো কাছে সময় জিজ্ঞাসা করে। জালালউদ্দীনের সে দিন সকাল দশটা যেন আর হচ্ছিলো না। সে অপেক্ষায় অাছে, কখন সকাল দশটা বাজবে, কখন সে তার মেয়ের কান্না শুনবে, কখন সে তার মেয়েকে কোলে নেবে। . অবশেষে ঘড়ির কাঁটা দশে পৌঁছায়। জালালউদ্দীনকে তার মেয়ের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। নার্স প্রথমে কোলে নেয় মেয়েকে। নার্সের কোলে বাচ্চাটা কান্না করছিলো। সেই কান্না শুনে প্রথমে জালালউদ্দীনের ভাল লাগে। তার মেয়ে কান্না করছে। তার মানে তার মেয়ে এখন সুস্থ অাছে। বুকের ভেতর একটা তৃপ্তি নেমে অাসে তার। কিন্তু পরক্ষণেই তার অাবার মন খারাপ হয়ে যায় তার। তার মেয়ে কাঁদবে কেন? তার এত সাধনার সন্তান কেন কাঁদবে! জালালউদ্দীন শপথ নেয়, তার মেয়েকে সে কোনদিন কাঁদতে দিবেনা। সে গরীব তাতে কি! তার মেয়েকে সে মাথায় করে রাখবে। জালালউদ্দীন ভাবে, আচ্ছা! সব বাবারই কি প্রথম বাবা হওয়ার অনুভূতিটা এমন হয়? যেন চাতকের বুকে এক ফোঁটা বৃষ্টির পানি পড়লো, ঠিক এমন! জালালউদ্দীন নিজের মেয়েকে কোলে তোলে নেয়। অাকষ্মিকভাবে বাবার কোলে উঠার সাথে সাথে মেয়ের কান্না থেমে যায়। মেয়েটা মনে হয় তখন বুঝে গিয়েছিল যে, সে পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ জায়গায় অাছে এখন। এই পৃথিবীটারতো এখন যাচ্ছেতাই অবস্থা। পিতা ছাড়া পৃথিবীর সব পুরুষই এখন একটা মেয়ের জন্য বিপজ্জ্বনক। যদিও এখনও অল্পসংখ্যক ভালো ছেলে অাছে। জালালউদ্দীন মেয়ের কান্না থামায় অদ্ভুত একটা তৃপ্তি অনুভব করে। এই প্রথম বাবা হওয়ার আনন্দটা সে প্রাণ ভরে অনুভব করে। সে তার বৃদ্ধাঙ্গুলি দিয়ে আলতো করে মেয়ের ছোট ছোট চোখের অাবছা দৃশ্যমান চোখের পানি মুছবার চেষ্টা করে। সাথে সাথে মেয়েটা সজোড়ে চার হাত পা নাড়া দিয়ে উঠে। জালালউদ্দীন হালকা কেঁপে উঠে যেন। এই বুঝি মেয়েটা তার কোল থেকে পড়ে যাচ্ছিলো বলে! সে যে একটা শক্ত সামন্ত পুরুষ মানুষ, সেটা সে ভুলে যায়। মেয়ের কপালে আলতো করে একটা চুমু খায় জালালউদ্দীন। মেয়েকে বুকে জড়িয়ে ধরে। জালালউদ্দীনের চোখ প্রথম বাবা হওয়ার আনন্দে ছল ছল করে উঠে। তার স্ত্রীরও বাবা মেয়ের দিকে তাকিয়ে চোখের সুখের অশ্রু অাসে। মেয়েকে নিয়ে বাড়ি ফিরে জালাল দম্পতি। . শুরু হয় অভাবের সংসারে জালালউদ্দীনের মেয়ের সর্বোচ্চ যত্ন। জালালউদ্দীন এখন আগের চেয়ে বেশী পরিশ্রম করেন। তার মতে এখন তার সংসারে একটা মুখ বেড়েছে; তাই তাকে অাগের চেয়ে বেশী খাটতে হবে। কাজের ফাঁকে ফাঁকে সুযোগ পেলেই জালালউদ্দীন মেয়ের মুখটা একবার দেখতে চলে অাসে। সে তার মেয়ের পেটে কাতুকুতু দেয়। মেয়ে মাড়ি বের করে শব্দ করে হাসে। সেই হাসির শব্দে নতুন করে শরীরে শক্তি ফিরে পায় জালালউদ্দীন। মেয়ের জন্য সে দুধ রুজিনা করে। ডিম কিনে অানে। বৌকে সবসময় তাগেদা দেয় মেয়ের সর্বোচ্চ খেয়াল রাখার। মাঝে মাঝে অবসর পেলে জালালউদ্দীন নিজ হাতে মেয়েকে সবজি খিচুড়ি রান্না করে খাওয়ায়। বাড়ির লোকেরা অার প্রতিবেশীরা জালালউদ্দীনের মেয়ের এমন অাদর-যত্ন দেখে কপাল কুঁচকায়। বলে, দিনমজুরের মাইয়্যার অাবার যতন দেখ! কত ঢং! বাপে খায় পরের বাড়ি কাম কইরা, মেয়েরেতো একটু বড় হইলে গার্মেন্টসেই পাঠাইতে হইবো। অার এইটাতো পোলা না যে, বাপরে কামাই কইরা খাওয়াইবো। মাইয়্যারে ডিম-দুধ খাওয়ায়, পোলা হইলে না জানি কি খাওয়াইতো! জালালউদ্দীনের স্ত্রী এসব কথা শুনে মন খারাপ করে। কিন্তু জালালউদ্দীন করেনা। সে তার মেয়েকে তার অবস্থান অনুসারে রাজকন্যার মত রাখতো চায়। প্রতিটি বাবার কাছেই তার মেয়ে রাজকন্যা। জালালউদ্দীন তার বৌকে বুঝায়। মন খারাপ করতে নিষেধ করে। সে বলে যে, তার মেয়ে গার্মেন্টসে চাকুরী করবে না। তার মেয়েকে সে পড়ালেখা করাবে। প্রয়োজনে নিজের গায়ের রক্ত বিক্রি করে পড়াবে। তার মেয়ে পড়াশুনা করে বড় হয়ে বড় চাকুরী করবে এমনটাই প্রত্যাশা তার। . জালালউদ্দীনের মেয়ে ইন্টারমেডিয়েট পাশ করেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেয়েছে। মেয়েকে আজ ঢাকার বাসে তুলে দিয়ে এসে, বাড়ি ফিরে এক ফোঁটা পানিও খায়নি সে। তার ঘরটা কেমন ফাঁকা ফাঁকা লাগছে আজ। মেয়ে ইন্টারমেডিয়েট পর্যন্ত বাড়ি থেকেই পড়েছে। একমাত্র আদরের সন্তান ছাড়া তার কিছুই ভাল লাগছে না। সারা রাত উঠ বস করে কাটিয়েছে। মেয়ের জন্য ছটফট করছিল ভেতরটা। কেমন অশান্তি অশান্তি অনুভব করছিল জালালউদ্দীন। ভোরের দিকে তার কাছে একটা ফোন আসে। ফোনটা ধরে সে স্তব্দ হয়ে যায়। তার মেয়ে চলন্ত বাসে ধর্ষিত হয়েছে। জালালউদ্দীনের কলিজা ফেঁটে যায়। সে ঢামেক হাসপাতালে ছুটে যায়। তার মেয়ে মূর্তির মত হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে অাছে। সে যে তার মেয়েকে দেখতে গিয়েছে সেদিকে মেয়ের কোন খেয়াল নেই। মেয়ে নির্বাক বড় বড় চোখ করে তাকিয়ে অাছে মাথার উপর ঘুরতে থাকা ফ্যানটার দিকে। জালালউদ্দীন মেয়ের মুখের কাছে মুখ নিয়ে বলে -মারে, একটু কাঁদ। কাঁদলে মনডা হালকা হইবো। মেয়ের কোন সাড়া না পেয়ে জালালউদ্দীন মেয়ের গালে, পিঠে অাস্তে অাস্তে থাপ্পর দেয়।ঠিক ছোটবেলার ধাত্রী মহিলাটার মত। তবুও মেয়ে কাঁদেনা। জালালউদ্দীন ডাক্তারের কাছে গিয়ে চিৎকার করে বলে -ও ডাক্তার বাবু, আমার মেয়ে কান্দে না ক্যান? ওর কি কোন সমস্যা? ওরে অাপনারা কাঁচের ভেতর ঢুকায়া রাখেন। তাইলে ও কাঁদবো। কাঁদলে ওর মন হালকা হইবো। কষ্ট কম হইবো। ওর জন্মের পর ও যখন কানতাছিলো না, তখন ডাক্তাররা ওরে কাঁচের ভেতর ঢুকায়া রাখছিলো। অাপনার পায়ে ধরি ডাক্তার সাব; ওরে কাঁচের ভেতর ঢুকায়া রাখেন। অামার মাইয়্যাটার যে খুব কষ্ট হইতেছে। ওর কষ্ট আমার বুকে লাগতাছে। ডাক্তার ওরে একটু কান্দানোর ব্যবস্থা করেন, একটু। উপস্থিত ডাক্তার, নার্স, রুগী সকলের চোখে পানি। কেবল পানি নেই জালালউদ্দীন অার তার মেয়ের চোখে। অধিক শোকে মানুষ পাথর হয়ে যায়।উন্মাদ হয়ে যায় মানুষ। কাঁদতে পর্যন্ত ভুলে যায়। ঠিক সেই কারণেই এই কেবিনে উপস্থিত দুটো প্রাণীর চোখে এখন কোন পানি নেই।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১১৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ শোক (Heart Touching)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now